নতুন বরষ
হারানো দিন গুলি
কাতর মনে ভুলি
ধরে রাখা যায় না,
সিঁড়ি ভাঙ্গার মতো
সময় হয় গত
সেতো আর ফেরে না l
নতুন বরষ এসো
সবার হৃদয়ে বসো
সুন্দর উপহার হয়ে,
হিংসা বিদ্বেষ ভুলে
ধরিত্রী মায়ের কোলে
থাকো প্রেমের গীত গেয়ে l
নতুন বরষ
হারানো দিন গুলি
কাতর মনে ভুলি
ধরে রাখা যায় না,
সিঁড়ি ভাঙ্গার মতো
সময় হয় গত
সেতো আর ফেরে না l
নতুন বরষ এসো
সবার হৃদয়ে বসো
সুন্দর উপহার হয়ে,
হিংসা বিদ্বেষ ভুলে
ধরিত্রী মায়ের কোলে
থাকো প্রেমের গীত গেয়ে l
পাখিটা আর গান গাইছে না
এক বিকেলে
হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়ার দাপাদাপিতে
গাছটা সমূলে উপড়ে গেল,
একটাই পাখির বাসা ছিল গাছটাতে
ভেঙে পড়ল-সব তছনছ, লন্ডভন্ড,
দুটো ডিমও ছিল বাসাতে
তাও গেল ভেঙে,
ধরিত্রীর ওপর প্রলেপ পড়ল নতুন করে...
অল্প বয়সেই বুড়ো হয়ে গেল মা-পাখি ,
চামড়ায় টান ধরেছে,
পালক ধূসর হয়েছে,
ঠোঁটে ধার কমেছে,
শুধু হা-হুতাশ করছে
যে উচ্চতায় পাখির বাসা ছিল সে উচ্চতায় তাকিয়ে ।
পাখিটা আর গান গাইছে না
দুর্যোগ বারণ করেছে ।
শীতকালীন
শীতের কাকেরা রাতের শেষে
তাপের স্পর্শে জেগে ওঠে
সোনালী ধানের গন্ধ আঁধারেও সক্রিয়
শব্দহীন শিশির বিন্দুর প্রতিজ্ঞা মিথ্যা------
নেই ঝড়, নেই বৃষ্টি
চাতকও নেই সুরের ভুবনে
মুঠো ধানের সুবাসে নবান্ন
অপেক্ষা নতুন প্রতিজ্ঞা --বার্তার
বৃষ্টির পরেই ঋতু পরিবর্তন
অথবা ঋতু বদলের বৃষ্টি
শিশিরাঙ্কের অতিক্রান্ত বীজ
হাই তোলার আমন্ত্রণ পাবে
কবি তো হতে চাইনি প্রিয়
কবি তো হতে চাইনি প্রিয়,
অভিনেতা করে অভিনয়
গীতিকার লেখে গীতিআলেখ্য
সময়ের ধারাপাতে পাল্টে গেছে সবই ।
ভাগ্যে ছিল যে এ অভাবনীয়
কবি তো হতে চাইনি প্রিয় ।
যন্ত্রণারা হয়ে সঙ্গী
তোমার স্মৃতিতে হয় মালাবদল
সেতো মিথ্যে ,
সত্য নয় , সত্য নয় ,
চূড়ান্ত ভাবনার সাক্ষাতে তা যে শুধু কল্পনীয়
কবি তো হতে চাইনি প্রিয় ।
চেয়েও তোমায় পাইনি বলে
আজ আমায় সবাই কবি বলে,
মনের মাঝে চাইগো তোমায়
সঙ্গমে নাহি চাই ।
অবশেষে ভগ্ন হৃদয়ে স্বপ্ন ইতির প্রান্তে
সময়ের ঘড়িটা থামিয়ে চেওনা কিছু জানতে ।
প্রকাশ্যে যদি বলি ভালবাসি
মনে হবে হয়তো তোমার ওসব নাটকীয়,
নির্জনতায় বসে বলি শোন,
কবি তো হতে চাইনি প্রিয় ।
ঘর
আমার ঘর পাল্টে যাচ্ছে নিয়মিত, বাইরে থেকে দেখলে একই মনে হয়, অথচ সকাল আর সন্ধ্যেটা কতটা আলাদা, আমি হলাম এই ঘরের একমাত্র বাসিন্দা, বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় গতকাল যা ছিল আজও ঠিক তাই আছে, কিন্তু আমি গতকালের সাথে আজকের আর কোনো মিল খুঁজে পাই না।
স্ট্রিক্স কালার ও কিউটিকল দাঁত
আমাদের সকলের মৃত্যুপরবর্তী গর্ভপাতের একটি ক্যালেন্ডুলা পাতা তৈরি করে রাখা আছে পের্সোলিয়াম বাটির কিনারায়
একটি ছত্রাক ও আমাকে স্ট্রিক্স কালারের কলঙ্কহীন মূলরোম তৈরি করে এক প্রজাপতি হয়ে চমকে দেবে
গভীর ঘুমের ভেতর আমি এক আরব্য সাগরের ধাতব অলংকার খুলে রেখেছি রমজানের আগে , আমি ছায়াকে ভক্ষণ করেছি সারারাত
আমি তাপমাত্রা মেপে চলি রাতের অঙ্গজ চাদরের তলায়
সকলের চোখে একটি কম্পাঙ্ক ভাঙ্গা দেয়াল ঘড়িটি ট্যানজেন্ট গণিতের অসীম দীর্ঘ ধারাপাত পড়ে যাচ্ছে দীর্ঘ মেহগিনি পাতা হয়ে
তরল ধাতু খেয়ে ঘুমানোর আগে প্রাচীন মহাদেশে এগিয়ে যায় সূক্ষ্ম দেহের প্রপঞ্চময় সংসার , সংসারে সকলের দাঁতে কিউটিকল মাখানো তুলসীপাতার দাঁত আছে
মালবিকা এক ইচ্ছামতীর নৌকায় ঈশ্বরীর আরাধনা করেন
আমি ঈশ্বরীর দুটি চোখে লাল পদ্ম রাখি কৃষ্ণকায় চৈতন্যের ভোরে শ্রীরাধা খুলে ফেলছেন মায়াবীর পরমার্থিক অন্ধকার অলঙ্কার
কাগজের ফুল নিয়ে অসীম ভগ্নাংশে বসে পড়লেন নাবিক ও গণিতজ্ঞ, ও কাঠের নারদ পাখিটি
যোগ্যসূত্রটি আর কিছু নয় এক প্রাচীন দেহতত্ত্ব কথার সঙ্গম ও সন্ধি বিচ্ছেদ
সংশোধনী
হিমেল বায়ু মারছে চাটি
ভাবছি এখন অনাচারী
কি করে যে হলাম পাপী
পাল্লা হলো পাপে ভারী?
মন্দ সময় নিভাঁজ হেসে
গড়িয়েছিল ভাঙা ঘর
শক্ত ভেবে নিজের ডেরা
আসে নি তো প্রবল জ্বর।
গুহ্য কারণ লুকিয়েছিল
শিরার ভেতর অনেক পল
নষ্ট বীজের ভদ্র খেলায়
মুগ্ধ ছিলাম অনর্গল।
ঘোলা জলে সাঁতরে প্রাণী
এখন খোঁজে কোমল বায়ু
মেঠো পথে আর কিছুদিন
চায় বাড়াতে পরম আয়ু।
চোখের ছানি না কাটিয়ে
চাইছি যেন বিষম রোদ
হিমেল বায়ু মারছে চাটি
ফিরিয়ে দিতে সেই-ই বোধ।
আমার মনে নেই...
বর্ষবিদায়
উত্তীর্ণ এক বৎসর কাল মাপামাপি,
নতুনের আগমন জীর্ন রুগ্ন ঝেড়ে,
যা গেছে তা যাক গত বন্ধ ঝাঁপাঝাঁপি,
রোমন্থনে থাক্ প'ড়ে নতুনের ঘরে।
জমা খরচ খাতায় বিভক্তে বিয়োগ,
চাতকের চেয়ে থাকা একবিন্দু বৃষ্টি,
দূর্নীতির নামাবলী শিক্ষক নিয়োগ,
চারিদিকে অনিয়ম মিথ্যা বাক্য সৃষ্টি।
দুগ্গার মহার্ঘ ভাতা শতাংশ হিসাবে,
রাজকর্মচারী ফাঁদে কুকুরের রব,
বাঙালির উত্সবে সবে ক'রে খাবে,
বিগত বছরে তৈরী বেকারীর হাব।
স্বাগতম নববর্ষ বিশ্ব ক্যালেণ্ডারে,
পুরোনো বিদায় হোক নব কলেবরে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত টিউলিপময়
আমি কক্সবাজারে গিয়ে সমুদ্র সৈকতে
নেমেছি ভয়ংকর এক ভালোবাসার টানে,
মরতে গিয়েও আমি পারিনি,ডাঙায় এসেছি
টিউলিপ ফুলের টানে,ভয়ংকর প্রেমের টানে।
আমি জল কেটে কেটে ডাঙায় উঠেছি;
অথচ পাখি নই,মাছ নই,মাছরাঙা নই,
আমি ডাঙায় উঠে দেখতে পেলাময বহু গর্ত,
গর্ত দিয়ে বহু মানুষ ঢুকছে,আর বেরুচ্ছে।
কেউ ফিরছে,কেউ ফিরছে না,হারিয়ে
যাচ্ছে সব,মাঝে মাঝে লেজ দেখা যাচ্ছে,
মাঝে মাঝে মাথা,যারা বেরিয়ে আসছে
তারা মাটি হয়ে যাচ্ছে নতুবা জল বাতাস।
আমি এক ভয়ংকর প্রেমের টানে ডাঙায় এসে
দেখি পাহাড়ের কোলে বাহারি সব ফুলের গাছ,
একটি গাছে একটিই ফুল টিউলিপ...সাঁঝের
কক্সবাজারে সূর্য ডোবা সৈকত টিউলিপময়।
উদ্বিগ্ন
ভাঙা নৌকা আর দুপুরের মেঘ
আমরা কোথায় চলেছি আবেগ?
ঝড় আসবে সেসব আততায়ী ঝড়
কী করে বাঁচাবে মূর্খ আবেগ আমাদের?
চারিপাশ ঘিরে দাঁড়াবে কাতিল অন্ধকার।
#সম্পাদকীয়:
ওরা বেড়ে উঠছে ওদের বাড়তে দাও। সব শেষ - উপচে পড়া ভাতের হাঁড়ি তে এক জল ঢালা। তবে এই ভাবে করোনা কে মাত দেওয়ার প্রক্রিয়া শিখে নিয়েছো। এবার যেটুকু সময় তুমি বিশ্রাম নিতে চাইছ সেইটাই যথেষ্ট সময় সাহিত্য চর্চার। জানি তুমি ব্যস্ত । কিন্তু তুমি কাজ করার জন্য ব্যস্ত না । তুমি ভাবতে ব্যস্ত। চিন্তা তোমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, আমি জানি। কিন্তু এখন শুধু চিন্তা দূর করার একটি টোটকা--- সাহিত্য চর্চা। আমরা আপনার পাশে আছি, আপনাদের প্রিয় পত্রিকা world Sahitya Adda blog magazine নিয়ে। তাই পড়ুন। লিখুন। চিন্তা দূর করুন। আমরা পরস্পরের পাশে আছি। পাশে থাকব।
ধন্যবাদান্তে
World sahitya adda সম্পাদকীয় বিভাগ
________________________________________________
**Advertisement (বিজ্ঞাপন):
১)
__________________________________________________
২)
৩)
___________________________________________________
৪)
##বইটি পাবেন- National Book house, Soma Book Store, Amor pustakaloy, Tarama Book Store , The Elegant publications(16B Sitaram Ghosh Street, kol 9.), 63no Saha book stall. এবং Amazon and Flipkart -এ।
##বইটি সরাসরি পেতে-- 9831533582 / 9433925262 দেবে।
___________________________________________________
৫)
___________________________________________________
৬)
##ছাপানো জীবনী গ্রন্থের জন্য-লেখকের জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে।
" লেখকদের আত্মজীবনী" গ্রন্থ তৃতীয় খন্ডের জন্য, লেখকদের কাছে থেকে জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে। আপনার মূল্যবান জীবনী 300 শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দেন। বইটি ছাপানো অক্ষরে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু কোন সৌজন্য কপি দিতে পারবে না।
বইটির সাথে সম্মানিক হিসাবে দেওয়া হবে।
1/ সাম্মানিক সার্টিফিকেট।* (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)
2/ "লেখক পরিচয়পত্র কার্ড"। লেখকের ছবিসহ সংক্ষিপ্ত পরিচয় বহন করবে। (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)
3/ সম্মানিত পদক (মেডেল)* {বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।}
বইটির বুকিং মূল্য 300 টাকা দিয়ে কিনে, বাঙালি লেখক সংসদ কে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করতে হবে। ডেলিভারি সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে দিতে হবে না।
গ্রন্থের কভার পৃষ্ঠায় আপনার ছবি দিতে আগ্রহী হলে, যোগাযোগ করুন।
টাকা পাঠানোর একাউন্ট
শংকর হালদার
(1) ফোন পে 8926200021
(2) পেটিএম 8926200021
( 3) ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে।
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ( S.B.I.)
SANKAR HALDER
Account No : 34681068289
IFSC :SBIN 0015960
টাকা পাঠানোর পর রশিদের স্ক্রিনশট কপি করুন এবং জীবনী লেখা পাঠিয়ে দেবেন।
হোয়াইট অ্যাপস নম্বরে :-
8926200021
যে কোন বিষয়ে যোগাযোগ :- শংকর হালদার শৈলবালা।
মোবাইল :- 8926200021
বাঙালি লেখক সংসদ, দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
______________________________________________
**বি.দ্র- বিজ্ঞাপন এর সব দায়িত্ব বিজ্ঞাপন দাতার।
সম্পূর্ণ সূচিপত্র:
বাংলা কবিতা ও ছড়া---
তৈমুর খান, মহীতোষ গায়েন, অরবিন্দ সরকার, চাতক পাখি, সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক, নিমাই জানা, জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মিত্র, চাঁদ রায়, দিলীপ কুমার মধু,
সৈয়দ শীষ মহাম্মদ, সোনালী মীর, চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী,
বিশ্বেশ্বর মহাপাত্র, সামসুজ জামান, নমিতা বোস,
ফরমান সেখ, অভিজিৎ দত্ত , বিমান প্রামানিক, সব্যসাচী মজুমদার, শ্যামল চক্রবর্ত্তী, আবদুস সালাম।
বাংলা গল্প---
আশীষ কুন্ডু, সিদ্ধার্থ সিংহ, রথীন পার্থ মণ্ডল, রঞ্জিত মল্লিক, সুজিত চট্টোপাধ্যায়।
নিবন্ধ -----
শিবাশিস মুখোপাধ্যায়।
বাংলা গদ্য তথা রম্য রচনা---
সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, তাপস কুমার বেরা,
অরবিন্দ সরকার।
ইংরেজি কবিতা--
Pavel Rahman.
Poem---
Kunal Roy
Photography---
Amit pal, Nilanjan de, Moushumi chandra, Sohini Shabnam, Dr Atef kheir.