Sunday, March 6, 2022

কবিতা || মধ্যবিত্ত || দীপান্বিতা পান্ডে দীক্ষিৎ

 মধ্যবিত্ত 




মধ্যবিত্ত আসলে এমন একটি শব্দ ,

যার মধ্যে আছে অনেক অর্থের সম্ভার |

দুঃখসুখ ভালবাসা ঈর্ষা হিংসা আনন্দের উপাচার |

মধ্যবিত্ত হল অনেক কষ্টের কুমভাড়, 

ভালোমন্দের মেলামেশাই দিন যাপনের আধার।

একটু একটু করে জমানো অনেক বড় সুখের আশা ,

সেলাই করা রঙিন চটি রিক্সা ছেড়ে পায়ে হেঁটেই একটু ফুচকার ভালবাসা ৷

বারবার হাত দিয়ে রেখে দেওয়া পছন্দ

সামনের সারিতে বেমানান বড় তবুও সশব্দে ঘোষণা আনন্দের অভিযান ৷

এক কাপ চা আর মুড়ি স্বর্গ সুখের সমান ৷

সুখের বালিশে পূর্ণিমার যোছনা,

ভরে দেয় গরবের বুক |

সব থেকেও খুঁজে সুখের নূতন ভাষা

ঈর্ষার আগুনে জ্বলে জ্বলে অঙ্গার সুখ ৷

তবুও ঝলসানো ভালবাসা নিয়ে এক সাথে হাঁটা,

মধ্যবিত্তের স্বপ্ন পূরণের ছবি জ্বলজ্বলে এখনও মধ্যবিত্তের মনের ক্যানভাসে আঁটা |

কবিতা || বাংলার পাণ্ডুলিপি || সুব্রত মিত্র

 বাংলার পাণ্ডুলিপি

                            


         পড়াশোনা সব বন্ধ; বাকি সব চলছে

      রাজ্যটা হবে বৃদ্ধাশ্রম নেতারা তাই বলছে,

         নেই চাকরি-বাকরি ; নেই কর্মসংস্থান

রাজ্যজুড়ে আছে শুধু সাদা নীল নেতাগণের অবদান।


উৎসব প্রিয় বাংলা আমার ;এখানে হয় কত দাদা দিদির গান।।

         এখানে ভোটের পরে হয় হানাহানি---

                হয় নানান রং ধরে টানাটানি

     এই রাজ্যের স্বাধীন ভোটারদের কপালে---

     জোটে ভোট দেওয়ার ফলে এমনই প্রতিদান।


স্বাধীনতা সংগ্রামের মুখ্য চরিত্রে ছিলে তুমি এই বঙ্গভূমি

বাঙালি নামের এই মহা মানবজাতির বিশ্বজোড়া ছিল কত সুনাম;ছিল কত সম্মান...।


নিজের স্বার্থে আজ আমরা হয়েছি ভিজে বিড়াল

           অর্থের কাছে হয়েছি কুপোকাত

     বাঙালি জাতটার নেই কিছু আজ আর

এই বাঙালিরাই করছে আজ সেই বাঙালির অপমান

    আজকে কোথায় সেই বিবেকানন্দ;ক্ষুদিরাম;     

   শ্যামাপ্রসাদ; নেতাজির মত সরল মনের মানুষ?

আজ কোথায় সেই মাতঙ্গিনী হাজরা চিত্তরঞ্জন বিনয় বাদল দীনেশ?

                আজ আর নেই সেই বাঙালি ----

নেই এই রাজ্যের রাজনীতির বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদী মতবাদ।


     আজকের উন্নয়নমুখী বাংলার একটাই স্লোগান

                  একটাই ভাষণ এবং আয়োজন,

                           তা হল খেলা হবে।

                 খেলা ;খেলা ;খেলা খেলা হবে

    এভাবেই এই বাংলার দিন; মাস; বছর যুগ

               সব একে একে পার হয়ে যাবে।  

কবিতা || অধিকার || অরবিন্দ সরকার

 অধিকার

           

       

আকাশে বাতাসে আজ বারুদের গন্ধ,

পৃথিবী কি মানুষের, তারা করে দ্বন্দ্ব?

পশুপাখি জীবজন্তু আমরা না অন্ধ!

বাঁচা মানুষের হাতে মোরা মুখ বন্ধ।


স্থলে জলে অন্তরীক্ষে সর্বত্র লড়াই,

মানুষের পরিচয়ে তাদের বড়াই,

অমানুষ নই মোরা এ বিশ্ব ধরায়,

মানুষ বাগে আনতে প্রকৃতি গড়াই।


পিঁপড়ের পাখা মেলে উড়বার তরে,

জাহান্নামে যাবে ওরা নিজে রাস্তা খুঁড়ে,

পৃথিবী নিস্তব্ধ হবে খাঁক্ জ্বলেপুড়ে,

শান্তির বাতাবরণে জন্ম নেবো নীড়ে।


অধিকার মাত্রাহীন পাশবিক বলি,

বিধিনিষেধ উপেক্ষা গায়ে নামাবলী।

কবিতা || বিচারসভার চিত্র || মহীতোষ গায়েন

 বিচারসভার চিত্র



নির্মেঘ যে ঝড়টি উঠলো তা অপ্রত্যাশিত ছিল, 

তীব্র আঘাতে বিদীর্ণ করেছে হৃদয়ের অনুভব;

ক্ষতস্থান থেকে ঝরে চলেছে অভিমানের রক্ত

সুচিকিৎসার কি ব‍্যবস্থা আছে,না শুধুই বিষাদ?


সম্পর্কের দ‍্যোতনা ছিঁড়ে সান্ত্রীদলের বিচারসভা- 

কিছু না বলা কথা ও যন্ত্রণার চিত্র চাপা পড়লো...

অকুণ্ঠ নিবেদিত প্রাণ অভিমান প্রকাশে তিরস্কৃত,

নাবিক দ্বিধাগ্রস্থ,যাত্রীরা অংশত গড়ে হরিবোল।


সময়ের শরশয‍্যায় মানুষ বিদ্ধ,চেতনায় মরিচা,

তাঁবেদারি আর তোয়াজনামার শিকার হলেই

মানুষ ভুলে যায় অতীতের কীর্তি,প্রীতি,সৌহার্দ্য-

ডুবে যাওয়ার আগে এসো ঐক্যবদ্ধ হই মননে।


কবিতা || সর্বনাশ || তৈমুর খান

 সর্বনাশ

 



খুব ভালো ভালো অস্ত্র তৈরি হচ্ছে এখন

অস্ত্র চালনার ট্রেনিংও হচ্ছে

কী করে মানুষ মারা হবে

তাও বলে দেওয়া হচ্ছে


আমাদের রাষ্ট্রের নাম সর্বনাশ

আমাদের শাসকের নাম সর্বনাশ

আমাদের পুলিশের নাম সর্বনাশ


কী করে মরতে হয় 

আমরা এখন তার অভ্যাস করছি

কী করে চিৎকার করতে হয় 

আমরা এখন তার অভ্যাস করছি

২৮ তম সংখ্যার সম্পাদকীয়


                            অঙ্কন শিল্পী- তন্ময় পাল
 

সম্পাদকীয়:




মুক্তি আছে মুক্তি যুদ্ধ ছাড়াই। এটা ক'টা লোক ই বা আঁকড়ে ধরে আছে? নিভৃতে বসে থাকাতেই শান্তি - এটা শুধু কবি ও কবিতার কাছেই পরিচিত। বাকিরা ভাবুক থেকে ভাবুকতর হয়ে লিখতে পারে না। বাকিরা সবাই ভাঙচুর করে। রাজনীতি করে। দর্শন চিন্তা তাদের কাছে অর্বাচীন। তাই মোক্ষলাভ তাদের কাছে ভাবনার অতীত। দুমুখো সাপ পোষে যেসব মানুষ তাদের কাছে জীবন দূর্বিসহ হয়ে ওঠা টা অস্বাভাবিক কিছু নয়। জানিনা মুক্তির হাওয়া যে নিগূঢ় সাহিত্য চর্চার মধ্যে নিহিত সেটা কতজন ই বা অনুভব করেন। আমি ছড়িয়ে দিয়েছি মুক্তির বাতাস‌ আমাদের ওয়েবসাইট ম্যাগাজিন world Sahitya Adda blog magazine এর মধ্যে দিয়ে। তাই পড়ুন, লিখুন আমাদের ওয়েবসাইট ম্যাগাজিন।


        
                                  ধন্যবাদান্তে
                              সম্পাদকীয় বিভাগ

_________________________________________________

বিজ্ঞাপন-



Saturday, March 5, 2022

২৮ তম সংখ্যার সূচিপত্র (৩৮ জন)

সম্পূর্ণ সূচিপত্র



বাংলা কবিতা ও ছড়া---


তৈমর খান, মহীতোষ গায়েন, অরবিন্দ সরকার, সুব্রত মিত্র, দীপান্বিতা পান্ডে দীক্ষিৎ, রানা জামান,  রবীন বসু, রথীন পার্থ মণ্ডল, নীতা কবি মুখার্জী, চাতক পাখি, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, অশেষ গাঙ্গুলী, জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, রানু রায়, বন্দনা বিশ্বাস, চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী,আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস, পাভেল রহমান, ওমর খালেদ রুমি, উদয়ন চক্রবর্তী , বলাই দাস, সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক, আশীষ কুন্ডু , রাজীব দত্ত, চাঁদ রায়, নবকুমার, বদ্রীনাথ পাল, অভিজিৎ দত্ত।



বাংলা গল্প--

সিদ্ধার্থ সিংহ, আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস


বাংলা গদ্য তথা রম্য রচনা---


সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, সামসুজ জামান।


Composition---

Kunal Roy

Photography---


Amit pal, Nilanjan de, Sohini Shabnam, Dr Atef kheir, Tanmay pal

__________________________________________



Thursday, March 3, 2022

West Bengal Gram Panchayat GRS Recruitment 2022 || পশ্চিমবঙ্গে গ্রাম পঞ্চায়েতে নিয়োগ || GRS Recruitment 2022



##West Bengal Gram Panchayat GRS Recruitment: 

 

রাজ্যে জেলায় জেলায় কর্মী নিয়োগ করা হবে গ্রাম পঞ্চায়েতে। গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS) পদে  নিয়োগ করা হবে। নিয়োগটি হবে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের অধীনের একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে।
নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নীচে আলোচনা করা হল-





আবেদন প্রক্রিয়া:-  অফলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।  


 
পদের নামঃ  গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS)



মাসিক বেতনঃ  12 হাজার টাকা 


বয়সসীমাঃ  বয়স 18 থেকে 35 বছরের মধ্যে হওয়া বাঞ্চনীয়। 
 


শিক্ষাগত যোগ্যতা-  ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রি বিষয় নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাশ (55% নম্বর) । অথবা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ভোকেশনাল পাশ। 


টেকনিক্যাল যোগ্যতা- সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার কোর্স করা থাকতে হবেকমপক্ষে ৬ মাসের।


বিশেষ যোগ্যতা-  আবেদনকারীকে অবশ্যই উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের স্থায়ী বাসিন্দা এবং ভোটার হতেই হবে। অন্যথায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন না।


শুন্যপদঃ  2 টি 

নিয়োগের স্থানঃ  উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের কামলাবাড়ি-1 গ্রাম পঞ্চায়েতে।
 

নিয়োগ প্রক্রিয়াঃ  উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের বিচারে মেরিট লিস্ট বের করে নিয়োগ হবে।



আবেদন পদ্ধতি-

ফর্ম পুরন করার পর সাথে দরকারি কিছু ডকুমেন্টের জেরক্স সাথে জুড়ে দিতে হবে এবং সেগুলিকে একটি খামে ভরতে হবে।  আবেদনপত্র সহ খামটিকে রায়গঞ্জ বিডিও (BDO) অফিসের ড্রপ বক্সে জমা করতে হবে।  



গুরুত্বপূর্ণ নথি:

(1) মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড 

(2) উচ্চমাধ্যমিকের মার্কশীট এবং সার্টিফিকেট

(3) কম্পিউটার কোর্সের সার্টিফিকেট 

(4) আঁধার কার্ড 

(5) ভোটার কার্ড 




গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:

আবেদন শুরু হয়েছে -  21.02.2022
আবেদন শেষ হবে - 08.03.2022



  Official Website:- 





______________________________________________
_______________________________________________



Friday, February 25, 2022

Wednesday, February 23, 2022

Ssc Chsl Recruitment 2022 || উচ্চ মাধ্যমিক যোগ্যতায় স্টাফ সিলেকশনের পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্র সরকারের কর্মী নিয়োগ || SSC CHSL Exam 2022

 



উচ্চ মাধ্যমিক যোগ্যতায় স্টাফ সিলেকশনের পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্র সরকারের কর্মী নিয়োগ:-



স্টাফ সিলেকশন এর কম্বাইন্ড হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল এর পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ হবে। যে সমস্ত পদে কর্মী নিয়োগ হবে সেগুলি হল--ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক, সর্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়ার সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট

 প্রভৃতি পদে।



যে কোন শাখায় উচ্চমাধ্যমিক পাস এবং কম্পিউটারের ডাটা এন্ট্রি কাজে অভিজ্ঞ ঘণ্টায় অন্তত 8 হাজার কি ডিপ্রেশনে গতি থাকলে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর 

 পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

উচ্চতর যোগ্যতার প্রার্থীরা ঐ সমস্ত পদে আবেদনের যোগ্য বয়স হতে হবে 18 থেকে 27 বছরের মধ্যে 01.01.2022 এর হিসাবে অর্থাৎ জন্ম তারিখ হতে হবে 02.01. 1995 থেকে01.01.2004 এরমধ্যে।

তপশিলি জাতির প্রার্থীরাপাঁচ বছরের, ওবিসি সম্প্রদায় প্রার্থীরা তিন বছরের, এবং দৈহিক প্রতিবন্ধীরা 10 বছরের আর বিধবা,  বিবাহ বিচ্ছিন্না মহিলারা পুনর্বিবাহ না করে থাকলে 8 বছরের এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন সমর কর্মীরা যথারীতি বয়সের ছাড় পাবেন।

মূল বেতন --ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের ক্ষেত্রে 25500/=--81100/=টাকা




যে কোন শাখায় উচ্চমাধ্যমিক পাস ছেলেমেয়েরা কম্পিউটারে ইংরেজি টাইপিং এ মিনিটে অন্তত 35 টি শব্দ তোলার গতি থাকলে পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট, সর্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়ার সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট প

দের জন্য আবেদন করতে পারবেন।


মূল বেতন-19900/= 63200/-টাকা

বয়স হতে হবে 18 থেকে 27 বছরের মধ্যে অর্থাৎ জন্ম তারিখ হতে হবে 02.01.1995 থেকে 01.01.2004 এরমধ্যে।

ওবিসি সম্প্রদায় প্রার্থীরা তিন বছরের, তপশিলি সম্প্রদায় প্রার্থীরা পাঁচ বছরের, দৈহিক প্রতিবন্ধীরা 10 বছরের, বিধবা, বিবাহ বিচ্ছিন্না মহিলারা পুনর্বিবাহ না করে থাকলে 8 বছরের এবং  প্রাক্তন সমর কর্মীরা যথারীতি বয়সের ছাড় পাবেন।




উভয় পদের ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাই করবে স্টাফ সিলেকশন কমিশন combined higher secondary level examination 2021


দুটি পর্যায়ে পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থী বাছাই করা হবে। প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা হবে কম্পিউটার বেসড আর দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা হবে দেস্ক্রিপটিভ টাইপের প্রশ্নের মধ্য দিয়ে।

পরীক্ষা কবে হবে তা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেয়া হবে। প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা হবে রাচি, গ্যাংটক, কলকাতা, শিলিগুড়ি, আসানসোল, জামশেদপুর, বর্ধমান, কটক, দুর্গাপুর, ভুবনেশ্বর, পোর্ট ব্লেয়ার, উড়িষ্যার বেরহামপুর, গুয়াহাটি, শিলচর, ইটানগর, ইম্ফল, আইজল, শিলং, আগরতলা, ডিব্রুগড়, রাউরকেল্লা, কোহিমা, জোরহাট, ঢেঙ্কানল।



mcq টাইপ এর 200 নম্বরের 100 টি প্রশ্ন দেওয়া থাকবে। প্রশ্ন থাকবে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ জেনারেল ইন্টেলিজেন্স, কোয়ান্টেটিভঅ্যাপটিটিউড, এই সমস্ত বিষয়ের থেকে।

পরীক্ষার সময় 1 ঘন্টা। নেগেটিভ মার্কিং থাকবে

সফল হলে দ্বিতীয় পর্যায়ে পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় 100 নম্বরের এক ঘন্টার পেন পেপার মোডে পরীক্ষা দিতে হবে পরীক্ষায় 33% পার্সেন্ট

নম্বর পেলে সফল হবেন।

তারপর স্কিল টেস্ট বা টাইপিং টেস্ট।

পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাবেন ওয়েবসাইটে --www.Ssc.nic.in


দরখাস্ত করার শেষ তারিখ 7 ই মার্চ 2022


আবেদনকারীদের বৈধ একটি মেইল আইডি থাকতে হবে। প্রথমে ওয়েবসাইটে গিয়ে যাবতীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট করলেই নাম রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। তখন ওই রেস্তরেশন নম্বর প্রিন্ট করে রাখবেন। এছাড়াও পাসপোর্ট মাপে রঙিন ফটো (20থেকে 50 কেবির মধ্যে) আর সিগনেচার জেপিজি ফরমেটে ( 4kb থেকে 12 কেবির মধ্যে) স্ক্যান করে নেবেন।


পরীক্ষা ফি বাবদ 100 টাকা নেট ব্যাঙ্কিং বা ক্রেডিট কার্ড বা  ডেবিট কার্ড বা  এসবিআই চালানে জমা দিতে পারবেন। তপশিলি জাতি প্রতিবন্ধী মহিলা প্রার্থী ও প্রাক্তন সহকর্মীদের কোন ফি দিতে হবে না।



স্ক্যান করা ফটো সিগনেচার আপলোড করার পর তা সাবমিট করলেই রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ন হবে আর এরপর ওই কনফার্মেশন প্রিন্ট করে রাখবেন। ওই কনফারমেশন ইমেইল করেও পাঠানো হবে। 11 ই মার্চ থেকে 15 ই মার্চের মধ্যে ফর্ম পূরণে কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে সংশোধন করা যাবে।


__________________________________________________

বিজ্ঞাপন-




Monday, February 21, 2022

Photography by Dr Atef kheir


 

Photography by Sohini Shabnam

 


রম্যরচনা || শুধু তোমার জন্যে || সত্যেন্দ্রনাথ পাইন

 শুধু তোমার জন্যে




       দ্যাখো মরিস তোমার জন্যে আজ আমি না অফিস পালিয়ে এসেছি।বাব্বা, যা কাজ! যেন শেষ হতেই চায়না। সেই সকাল ৯/৩০টায় ঢুকে বসেছি কাজে: একটাও শেষ করতে পারিনি। জল খাবারেরও সময় করতে পারিনি। ভালো লাগেনা রোজ রোজ ঐ ফাইল চেক করা! আরে বাবা যদি ফাইল চেক করতেই হয় তবে কী দরকার ছিল এত লোক রাখার! তারা ভুল করবে আর আমি চেক করবো! কেন রে বাবা! তার ওপর তুমি একলা ঘরে এই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে কী করে একলা আছো সেটা ভেবেই দৌড়ে চলে এসেছি। দাও দাও দাও দেখি তোমার ঐ চাঁদপাড়া মুখটা দাও, তোলো । এ্যাই এ্যাই একটা ঠোঁটের ছোঁয়া দাও দেখি। আমার না কী যে ভালো লাগে! কী করে বোঝাই তোমায়। তোমার ঠোঁট দুটো না কী নরম পাতলা! যাই হোক - মোট কথা তুমি আজ আর রান্নাঘরে যাবে না বলে দিলুম এ্যাঁ! সবসময় আমার মুখে মুখ রেখে শুয়ে থাকবে কেমন! আচ্ছা বাবা আচ্ছা - বললো মরিস। 

      কিন্তু সৌভিক ,তুমি আজ এমন কেন বলোতো। আমি তো তোমারই, শুধু তোমারই।সারাদিন সারারাত শুধু তোমার। তবে আজ হঠাৎ একী হলো তোমার! মরিস বলেই ফেললো শেষমেশ। 

    দ্যাখো, বাইরে কত মেঘ, কত বৃষ্টি পড়ছে, কত পাখির ওড়াওড়ি। ভিজে যাচ্ছে তাদের ডানা। আর উড়তে পারছে না। তারা এসময় কাকে চাইবে বলো তো--এক্কেবারে আপনজনের সান্নিধ্য তাই না! ! তাইতো আমিও চাইছি ওদের মতোই। তুমি কোথাও যেওনা আজ প্লিজ। ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে একদমে বলে গেল আজকের সৌভিক। গান ধরলো--

ও কোকিলা তোরে শুধাই রে

সবারই তো ঘর রয়েছে 

কেন রে তোর বাসা কোথাও নাই রে!? 

ও কোকিলা----

   থাক্ থাক্ বুঝতে পেরেছি।আর গাইতে হবেনা।লায়লা আজ বোধহয় আসেনি অফিসে এই বৃষ্টির মধ্যে!? তাই এতো.... না হলে যে একদিন বলতো-- ও পাড়ার বিশুটা না বড্ড বেশি বৌয়ের পিছনে নড়বড় করে- সেই সৌভিক! যে বলতো বোয়েরা বাড়ির ভেতরে থাকবে আর পুরুষরা টাকা রোজগারের আশায় প্রাণ ঢালা খাটবে- সেই সৌভিক। 

  মরিস তাই অবাক আজকের সৌভিককে দেখে। 

আচ্ছা লায়লা কে ডাকলে হয় না- মরিস বললো! 

সে কি গো! সৌভিক বললো যদি বস জানতে পারে না তাহলে রোগ রোগী দুটোই যাবে! 

  মানে? - জিজ্ঞাসু চোখে মরিস বলে। 

  সৌভিক-- লায়লা যাবে, চাকরি টাও যাবে!  

   কেননা, লায়লা শুনেছি বসের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়া। তাই সে কি চাইবে আমার মতো ছেলের সাথে----

  সৌভিক একদমে বলে কেমন যেন হয়ে গেল হঠাৎ। অথচ লায়লা এখন আফোঁটা কুঁড়ি। তার স্তন নিতম্ব বড়ই লোভনীয়। এখনও রঙ ধরেনি তাতে। আর বৃষ্টিতে ভিজে তার টপের ওপর অংশটা সামান্য ভিজে আজকে যা দেখাচ্ছে তা কোনও পুরুষের কাছেই বোধহয় চোখ থেকে সরতে চাইবে না। সৌভিক ও পারেনি।কিন্তু সৌভিক তার নরম বৌয়ের পিছনে" আর কেউ আসুক " সেটাও যে চায়না। যদিও আজ ভ্যালেনটাইন ডে বলেই নাকি লায়লা সৌভিককে একটা গোলাপ ফুলের 'তোড়া' উপহার দিয়েছে। ।

   মরিস শুনেই তো অবাক! কৈ সেটা কৈ গো! দেখাও না। প্লিজ্। 

সৌভিক-- অফিস ব্যাগের ভেতরে আছে। অনেক যত্নে তোমার জন্যে এনেছি; তোমাকে দেব বলে। 

মরিস- বারে, অপরের দেয়া জিনিস আমি নেব কেন! একটু ধরা গলায় বললো-- মরিস। 

তবে লায়লা যখন দিয়েছে দেখতে হবেই আমায়। এই বলে ছুটে অফিসের ব্যাগটা খুলেই মরিস বললো-- এতে তো আবার কী সব লেখা দেখছি। কী বলোনা গো। 

লায়লা বুঝি দিয়েছে তোমায়! 

    সৌভিক হতবাক। মনে মনে বললো লায়লা আবার এসব কখন দিলো! 

সে তো জানতে পারেনি। লায়লার কি তবে মাথাটাই খারাপ হয়ে গেছে! নাকি লুকিয়ে ব্যাগে ঢুকিয়ে দিয়েছে কখন ! 

  মরিস বললো-- ও, আজ তাকে কাছে না পেয়েই বুঝি আমার কাছে এসেছো ! তা যদি তাকে এতই ভালোবাসো তবে তাকেই তো ঘরে ডেকে নিয়ে আসতে পারতে। আমি তো পুরোনো হয়ে গেছি তোমার কাছে। মরিসের স্টাটেসটিক্সটা তো তোমার কাছেই শুনেছি খুব বেশি মোহনীয়। যেমন চেহারা তেমন মুখের আদল আর চোখদুটো যেন রাতের শুকতারা। গালে দুটো ডিম্পল। কাছে এলেই শরীরের মধ্যে শিহরণ লাগে। আর তুমি , বা তোমার মতো ছেলেরা তো সবসময় নতুনভাবে নতুন কেই কাছে ডাকতে ভালোবাসো তাই না। 

তাদের বৌ তো পুরোনো হয়ে যায় । তাই তারা, নতুনকে চায় সবসময়। তাদের ভালোবাসা মানে তো ঐ মুসলমানদের মুরগি পোষার মতোই ! মরিস রাগে ফোঁস ফোঁস করতে করতে কেঁদে কেঁদে বলেই ফেললো একটা সময়। বুকের মাঝে দুটো বিল্বফলের অংশটা তখন তার হাওয়ায় দুলে দুলে মনে হচ্ছে কিছু বলতে চায় সৌভিককে। 

 কাগজ খুলে মরিস দেখে-- "ভিকি' বলে অনেক লেখা। কে গো! এই ভিকি আবার কে! মেয়েটা কিন্তু সুবিধের নয় বুঝলে। তলে তলে আরও ছেলে জুটিয়েছে। সাবধানে থেকো বাপু। যাই ,বাবা মায়ের জন্যে কিছু খাবার দিয়ে আসি বরং। ওনাদের অনেকক্ষণ কিছু খাওয়া হয়নি। তারপর তোমার সাথে --- সারাক্ষণ.... 

 আমি কিন্তু নোংরা কাপড় পরে থাকতে পারবো না এই বলে দিলুম হ্যাঁ।। তাছাড়া তুমি "ওটা" আননি তো! রোজ ভুলে যাচ্ছো! আমি এত তাড়াতাড়ি সন্তান চাই না বুঝলে! শরীরের সৌন্দর্য এত শীগগির নষ্ট হোক আমি চাই না।। যাও ভিজে ভিজেই নিয়ে এসো --যাও। যেমন কর্ম তেমন ফল ভোগো। যাও। কবে থেকে বলছি-- কানেই নিচ্ছো না কথাটা। 

   সৌভিক কোন্ উত্তরটা আগে দেবে বুঝতে না পেরে বললো ডার্লিং, ভিকি আমারই নাম। অফিসে লায়লা ঐ নামেই ডাকে আমায়। এই বলে একপ্রকার ছুটেই রাস্তায় বেরিয়ে আনতে ছুটলো ()জিনিস টা(!)! আমি ও তো তাকে ডাকি চুটকি বলে। কেউ রাগ করেনি তো! 

   হায়রে কী দুর্দান্ত শাস্তি রে বাবা। এমন মেয়ে ছেলের পাল্লায় পড়ে আজ একী দুর্দশা আমার। চুটকি হয়তো এসব করতোই না-- সৌভিক ভেবেই চলে। 

   বৃষ্টির বেগ কমেনি তখনও কিন্তু সৌভিকের 'ইচ্ছাটা' আর তেমন জোরালো নয় আগের মতো। 

     মেয়েদের বুক আর নিম্নাঙ্গ দুটোই বড়ো কাজের। কিন্তু ছেলেদের! ----

     ধুর আর ভাল্লাগছে না। তার চেয়ে চুটকির পাশে পাশে গায়ে গা ঠেকিয়ে বসি বরং। এই বৃষ্টির মধ্যে না পাবার ইচ্ছাটা তখন জমে ক্ষীর হয়ে যেত । বরং সেটাই ভালো ছিল। আর লায়লা কত কিছু শোনাতো, কোথাও বেড়াতে নিয়েও যেতো হয়তো। মরিসের কাছে ফিরতে দেরি হলে কোনও বাহানায় নাহয় এড়িয়ে যেতাম। । আরে বাবা, প্রেমে পড়লে একটু আধটু এরকম মিথ্যে তো বলতে হয়ই। তাছাড়া ও ভীষণ জমা টি। অন্ততঃ মরিসের মতো তো নয়। এখনও ওর দিকে তাকালে শরীরের সবটুকু দেখার জন্যে মনটা বড়ই উসখুস করে। যাই অফিসে ফিরে যাই। কেউ জিগ্যেস করলে যা হোক কিছু বলে এড়িয়ে যাব নাহয়। 

 মরিসের কাছে আজ আর পাবোনা। পেলেও সুখ হবে না ততটা। যাই অফিসে ফিরে। সৌভিক এরকম নানান চিন্তায় কী করবে ঠিক করতে পারছে না। যাঃ বাব্বা, হিত করতে বিপরীত! কোথায় একটু বেশি করে পাব তা নয় শুধু ফরমাস।

   ঐ চুটকিই বরঞ্চ ভালো। অফিসে বসে যেটুকু পাই সেটাই অনেক।। কিন্তু আমাকে এতক্ষণ না দেখে ও আবার বাড়ি চলে যায়নি তো আজ! যাই দেখি।

      সৌভিক অফিসের ব্যাগ ছাড়াই চললো লায়লার সান্নিধ্যে। ঘরে মরিস তখনও সময় গুনছে। আহা বেচারা! 

   আচ্ছা চুটকিকে আগে একটা ফোন করলে হয় না-- সৌভিক ভাবে। কিন্তু মোবাইলটা তো বাড়িতে ব্যাগের মধ্যে রয়ে গেছে। কী করবে ভাবছে সৌভিক। ফোন নম্বরটাও মুখস্থ নেই। কাউকে যে অনুরোধ করবে তারও উপায় নেই। দেখাই যাক অফিসে গিয়ে। লায়লা হয়তো আমাকেই খুঁজছে এতক্ষণে। যদি ফোন করে! নাঃ। আর ভাবতে পারছি না। অফিসে গিয়েই দেখি। সৌভিক চললো একটা 'ওলা' ডেকে অফিসে। ঘরে মরিস একা একা তখন কাঁদছে। 

     হায়রে বিধি!  

    বিধি রে তোর লীলা বোঝা দায়! 

যে উড়ে যায় তারে বাঁধিস খাঁচায়!!