Sunday, December 19, 2021

Poem || Way To Tackle Problems || Pavel Rahman

 Way To Tackle Problems



There is truth where,

Problems come there.

If you see, you have not any problem

Then it is sure that you are not in right way.

In right way, problem comes.

Face them with strong heart.

Make your heart strong by worshipping God,

Then you will able to tackle problems.

Poem || Feelings || Namita Basu

 Feelings



One drop makes an ocen, 

otherwise it is fun,

if the feelings break the motion.

flows must returned. 

Poem || UNCONDITIONAL LOVE ENTITY || Sourav Bagchi

 UNCONDITIONAL LOVE ENTITY




              If one's inner mind is filled with youth energy ; age is just a number , 


   There is no lawful limitation ; to fall

         in LOVE with 1 ; as a common environmental factor.


কবিতা || ঋণ || অভিজিৎ দত্ত

 ঋণ



দুদিনের জীবন এই ভবে

হিংসা,মারামারি করে কী হবে?

মিথ্যা ঝগড়া,মারামারি ছেড়ে

দেশের, দশের জন্য 

পারো তো কিছু করো

ভালো কাজের মাধ্যমেই 

জীবন সুন্দর করে গড়ো।


দুর্লভ এই মানবজীবন 

এটা আমরা বুঝি কয়জন?

হেলায় মানবজীবন নষ্ট না করে

দেশ ও দশের জন্য কিছু করো।


কিজন্যে পৃথিবীতে এসেছো

আর তুমি কী করছো

কখনও কী এটা নিয়ে ভেবেছো?


আমরা পৃথিবীতে জন্মায়

অনেক ঋণ নিয়ে

ভালো কাজের মাধ্যমেই 

ঋণশোধ করে দিয়ো।

কবিতা || যত্ন নাও || ফরমান সেখ

 যত্ন নাও 


          


তুমি যে গাছ করেছো রোপন--

সেই গাছে জল দাও

প্রতিনিয়ত যত্ন নাও

করো একটু পরিশ্রম

তবেই গাছে ফুটবে ফুল,

ধরবে ফল

পৃথিবী ভরে ওঠবে সুবাসে...

কবিতা || হাঁসি || কাজী রিয়াজউদ্দিন আহমেদ

 হাঁসি




আজকে মানুষ ভুলিয়া গিয়াছে ; হাঁসি সে কেমন ছাই -মানুষের মুখে হাঁসি আজ নাই,ক্ষিপ্ত যুগের ঠেলাই।

জিনিসের দাম আকাশ ছোঁওয়া. কিনতে ব‍্যথা যে লাগে,

মাহিনাতে আর কুলাচ্ছেনা,দুষ্কর প্রানে জাগে!

রক্তে রাঙা এ ধূলির-ধরা,শর-বিদ্ধ যে তাথে,

খাবার সময় মনের মতো থাকছে না গো পাতে।

তাই ত হাঁসি মুছে গেছে,হাঁসবে কি আর ভাই,

ভেজাল ভেজাল সবে ভেজাল ;খাঁটি কোথাও নাই।

তাই ত মানুষ দুখে কাতর, হাঁসবে কি আর ছায়,

হাঁসির বদলে হাঁসতে গিয়ে কান্না যে শুধু পায়।

মানুষের দিল্ হয়েছে যে শিল,চক্ষু চড়ক্গাছ,

চোখের সামনে দেখছে সবাই খর পৃথিবীর নাচ।

অপমান আর লাঞ্ছনা শুধু,ইজ্জৎ কিছু নাই -

মানুষ যে আজ জর্জরিত, কভু মুখে হাঁসি নাই!

কবিতা || অস্থির স্মৃতি || জাহির আব্বাস মল্লিক

 অস্থির স্মৃতি



 জীবনের স্মৃতিপটে আঁকা ভালোবাসার ছবি গুলো আজ যেন স্পষ্টভাবে ভেসে উঠছে হৃদয় দর্পণে,

 ভেসে উঠে যেন সেই উদিত সূর্যের ন্যায় সোনালি বদন।

কখনও বা নয়নের অস্রুজলে ভিজে যায় স্মৃতিপটে আঁকা ভালোবাসার ছবিগুলি,

কখনো যেন ব্যাথার আগুনে জলসে যায় হৃদয় তটে আঁকা ভালোবাসার ছবিগুলি।

কবিতা || সক্রেটিস ও চতুর্ভুজ চিতা || নিমাই জানা

 সক্রেটিস ও চতুর্ভুজ চিতা



আমি জাইগোটগ্ৰস্ত শবদেহের পাশে ক্যালরিমিতিক পাঠ করতে করতে এগিয়ে আসি সক্রেটিসের সাজানো চতুর্ভুজ চিতা কাঠের দিকে , 

আগুন বিষয়ক কোনো বাস্তব পরকীয়া আর নেই 

পাঞ্জাবির ভেতর থাকা সহস্র ছিদ্র থেকে উদ্ভূত নারীরা উর্ধাঙ্গ খুলে রেখে তাদের মায়া কাননে মত্ত হয়ে নির্ভার সংগীত গেয়ে ওঠে হিমোফিলিক ঘোড়াকে চালনা করছেন শিলাদিত্য

শরীর জুড়ে অলৌকিক পরজীবীরা নিজেদের ঠোঁটে কামড় বসায় অনন্তলোকের গৃহমুখী হয়ে , আজ একাদশ সন্তানের জন্ম দিবস

ধাতব বিষধর পেয়ালায় আমি ও বাবলা ফুলের মতো দাঁড়িয়ে কোন মিশরীয় নারীর পিরামিড খুলে দেখি কঙ্কাল ও বৃশ্চিক চিহ্নের অবস্থানগত দ্রাঘিমায় একটি কঠিন অসুখ থাকে

দেবদারু পাতাটি নিরাকার পেঁচানো নারীর ধাতব আঁচল থেকে স্তনবৃন্তের দিকে ছুটে যায় পলিমার সিরোসিস ও ভ্যাজাইনাল ফেমিনি নিয়ে

আমি কালপুরুষের দুই হাত কেটে ফেলেছি গভীর রাতে

কবিতা || মনের অবচেতনে || নার্গিস পারভিন

 মনের অবচেতনে




মনের অবচেতনে কোনো একদিন 

যে প্রেম এসেছিল,

নদীর স্রোতে যার বহমানতায়

মোহনার অভিমুখী,

কতো অভিমান ক্লেদ পঙ্কিল এ মিশে

পরিণত শতদল।


রমণীর কঙ্কনে চমকায় প্রেমময় রশ্মি,

আগুনের অনিয়ন্ত্রিত শিখায়

দগ্ধ মন হয়ে ওঠে আরো খাঁটি!


অপরাজিত হৃদয় অঙ্গনে

পাতা ফুলেল গালিচা

লাল নীল সাদার সমাহারে--

থোকা থোকা সংশয়ের ফুল ফোটে।


অমাবস্যার রাতে পূর্ণিমার চাঁদ হাসে,

বসন্ত বিরাজিত প্রতিক্ষণে

মুঠো মুঠো আলো ছোঁড়াছুঁড়ি করে আকাশ মাটি!

কবিতা || বীর-শহীদ স্মরণে || নীতা কবি মুখার্জী

 বীর-শহীদ স্মরণে




দেশ আমার, মা আমার, আমার সব ভাই-বোন

স্বাধীন ভাবে বাঁচবে সবাই,মাথা উঁচু রবে সর্বক্ষণ।


আমাদের প্রিয় শেখ মুজিবর, তোমারে করি সেলাম

তোমারই নামের জয়গানে গাই তোমারই শুভনাম

মুক্তিযোদ্ধা নামে তুমি খ‍্যাত বিশ্বভুবন মাঝে

জাতির পিতা তোমারেই বলি, এই নামেতেই সাজে।


জীবনের ব‍্যথা, লড়াইয়ের কথা আজ ইতিহাস কথা

স্বাধীন বাংলার সাথে জুড়ে আছে তোমার জীবনগাথা

শত শত বীর শহীদ হলো তোমার বীর আহ্বানে

মহান দেশের মহান নেতা, তাই তো সবাই জানে।


পাকিস্তানের অত‍্যাচারের যোগ্য জবাব দিলে

সকল ঝঞ্ঝা, সকল বাধা মাথায় তুলে নিলে

তোমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, সফল বলিদান

আমার বাংলা বিশ্ব মাঝে পেয়েছে নিজ স্থান।


কত মায়ের কোল খালি হয়ে গেছে, কত যে শিশু অনাথ

দেশমাতৃকার মান রেখেছো এক করে দিনরাত

আবালবৃদ্ধবনিতা হয়েছে মুক্তির সংগ্ৰামী

 বীরের মতো আগুয়ান হয়ে থেকেছো অগ্ৰগামী।


জয় বাংলা,জয় মুজিবর, আজো ওঠে শ্লোগান

বাংলা আমার প্রাণের অধিক, একই ঐক‍্যতান

বীর-শহীদদের জয় হোক আর জয় হোক বাংলার

তোমার নামটি অক্ষয় হোক মুখে মুখে সবাকার।


তোমার মতন বিরল নেতা জন্মাক ঘরে ঘরে

অবহেলা করে জীবনকে, দেখালে দেশই সবার উপরে

বাংলাদেশের ঘরে ঘরে আজও তোমারই পূজা হয়

তোমার মন্ত্রে দীক্ষা নিয়ে তোমারই শপথ নেয়।

কবিতা || স্মৃতির ভেলায় বন্ধু || বিমান প্রামানিক

 স্মৃতির ভেলায় বন্ধু




পুরনো সেই দিনের কথা মনে পড়ে যখন

চোখের জলে ভেসে যায় আমার দুটি নয়ন। 

সুখ দুঃখের সাথী হয়ে ছিলিস তুই পাশে

এখন তবে তোর বাসা হয়েছে কোন দেশে?

সেই ছোট্ট থেকেই তুই আমি কত মেলামেশা!

এখন সে সবই স্মৃতির ঘরে ভেসে ওঠা। 

একলা হয়েই গেছি যখন, একলা ভাবি মনে

সেই দিনের কথা নাড়া দিয়ে যায় হৃদয়ের কোণে। 

ব্যস্ত জীবন কাটাই, তবে শত ব্যস্ততার মাঝে 

ক্ষণেক দুঃখ দিয়ে যায় স্মৃতি গুলো ফিরে আসে। 

উৎসব আনন্দে একসাথে হেসে খেলে কাটে 

আজও সেই সব দিন এলে তোর ছবিই জেগে উঠে।

তোর মতো বন্ধু নিয়েই যাদের জীবন গড়া

একলা হয়ে পড়ে আছি, বেঁচে থেকেও মরা। 

পুকুরের জলে স্নান করার আনন্দ নয় ভোলার

আরও স্মৃতি ভেসে ওঠে, কাদা পথে স্কুল হতে ফেরার। 

তুই এখন অনেক দূরে, কোনো এক শহরবাসী

আমি তবুও গ্রামে সেই স্মৃতি জড়িয়ে আনন্দেই আছি।

শত কাজের চাপে তুই কি মনে রেখেছিস আমায়?

আমি যেন এক নাবিক হয়ে ঘুরছি চড়ে স্মৃতির ভেলায়। 

কবিতা || হুঁশ || সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক

হুঁশ




মানুষের হুঁশ এক কর্পূরের নাম।

মাঝে মাঝে ইন্দ্রজাল হয়ে হঠাৎ উবে গিয়ে

গরিলার ঘরে দিব্যি হা-ডু-ডু-ডু খেলে।

        তখুনি আশনাইয়ের অন্তর জুড়ে

স্পষ্ট স্পষ্টতর বুলেটের ক্ষতচিহ্ণ দেখি,

মায়া-দয়া-মমতা সবকিছুই আভিধানিক

উল্টেপাল্টে দেখতে সাগর ছুঁয়ে ফেলে।



ব্যাপক ভেঙে চুরমার মহার্ঘ হুঁশ জুড়তে জুড়তে

আরো আরো দামী আঠা এখনো পাই নি খুঁজে।

কবিতা || হবে হবে হবে || সোনালী মীর

 হবে হবে হবে




হবে হবে হবে সব হবে

কাস্তে ঘাসে পদ্ম ফুলে

প্রেম ও প্রীতির খেলা হবে

বামে রামের হাতে হাতে

জোট বিজোটের পাতে পাতে

মিষ্টি হবে কৃষ্টি হবে

রঙে রঙে রং মিশিয়ে

হিন্দি সিন্ধি বং মিশিয়ে

পায়ের উপর পা টি তুলে

মাছ ভাত চাপাটি ঝোলে

ফিষ্টি হবে তুষ্টি হবে

গুষ্টিশুদ্ধ ফূর্তি মেরে

শাড়ি ধুতি কুর্তি ঘিরে

জন্মদিনের পার্টি হবে

পার্টি পার্টি ডার্টি খেলায়

হরেক টুপির গুপ্ত মেলায়

খাওয়াখাওয়ির খিস্তি শেষে

নিপাট নিরেট ছদ্মবেশে

একটেবিলেই আড্ডা হবে

পথের মাঝে গাড্ডা খুঁড়ে

সেবার নামে ডান্ডা হবে...

কনফিউশন ঝান্ডা ধরে

পাবলিকরা মাতবে সুরে

সুর অসুরের আঁতাত কলে

জন ও গন মরবে পিষে

তবুও তারা ভোজের শেষে

হাঁটবে রণফৌজের আগে

ধানের ক্ষেতে ওরাই জাগে

রণে বনে জল স্থলে

ওরাই আগে ওরাই জাগে

সুবোধ ওরা নির্বোধ ও বটে

কাঁচকলা তাই ভাগ্যে জোটে


বোকা কুমির চালাক শেয়াল

বছর বছর কথার খেলায়

নির্বাচনের উদোম মেলায়

উপড়ে ঘুঁটে সাজছে দেয়াল

কে যে কখন কোন ওয়ালে

কার গরু যে কার গোয়ালে

হাসছে নেতা অভিনেতা

কেমন হাসি বুঝবে কে তা

ঘাড়খানি কার ,কার বন্দুক

কার ঘামে কে ভরে সিন্দুক

কার ঝুপড়িতে ছেলে কেঁদে মরে

চড়েনাকো হাঁড়ি

বোঝে কোনো ব্যাটা,যত বাটপারি

তবুও ওরা সম্বৎসরে বাজি ধরে 

কিসের জোরে কাদের জোরে

পাবলিক শুধু পতাকা হাতে

খালি পায়ে হাঁটে

রোদে ঘেমে হাঁটে

ভুখা পেটে হাঁটে

কেন হাঁটে

বোকা তাই হাঁটে


নেতার চোখে রোদ চশমা

মুখে মধু হাসি গায়ে খাদি জামা

জামায় ঢাকা মিথ্যে চামড়া

জানি কি আমরা

আমরা তো সিঁড়ি স্বর্গে ওঠার

আমাদের কাঁধে যত বোঝা ভার


গনতন্ত্রের মুন্ডুটা কেটে

পান্ডারা বেঁচে পচা আন্ডা

জাত তুলে মারে

ভাত মেরে মারে

দলাদলি করে লেলিয়ে মারে

লাভের গুড় কে খায় আখেরে


এ মহানাটক কবে শেষ হবে


হবে হবে হবে সব হবে

শিরদাঁড়াটা ঝুঁকে ঝুঁকে ঝুঁকে ক্লান্ত হয়ে

একদিন ঠিক সোজা হবে

মানুষে মানুষে হাতে হাত বেঁধে

যেদিন মোড়ে রুখে দাঁড়াবে

চালাক শেয়াল ধরা পড়ে গিয়ে

লেজখানি তুলে ছেড়ে দে মা কেঁদে

ঠিক পালাবে

ঘুমন্ত ও অন্ধ যত পাড়াপড়শি

চোখ খোলা রেখে নির্ভয়ে বলো 'ভালোবাসি'।


কুরান গ্রন্থ জেন্দ বেদ ও বাইবেলে

দিনের শেষে লাল সূর্যের গোল টেবিলে

গল্প বলে

অহিংসতার ধৈর্য্য ক্ষমার গল্প বলে

যত পশু পাখি আকাশ মাটি

 ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় গল্পসুরের জিয়নকাঠি।


আমাদের কথা পাতায় লেখা

আমাদের মন জড়তায় ঢাকা

আমরাই লিখি আমরাই মুছি

অন্ধকারে ঘুরে ঘুরে মরে

পড়ে থাকি এঁটো আস্তাকুঁড়ে

তবুও ভুলের পা ধরে নাচি

 মিথ্যে একটা জীবন বাঁচি।


আমাদের বোধ কবে হবে

আমাদের বোধ কবে হবে।