Sunday, January 23, 2022

কবিতা || চাতকের ডানায় মেঘেদের ঘর || আব্দুস সালাম

 চাতকের ডানায় মেঘেদের ঘর




কত দিন বৃষ্টি হয়নি

যন্ত্রনার মাকুতে বোনা হচ্ছে বিষন্ন সুর

চাতকের ডানায় এঁকে দিলাম মেঘেদের ঘর


সাঁঝের লিপস্টিক ভেজা আলোয় দেখি পরিকল্পিত গর্জন

মোহের বারান্দায় খেলা করে সময়ের ধূর্ত শেয়াল

সময়ের ধারাপাতে আঁকা যন্ত্রণার শতকিয়া


ওগো প্রত্যয়ের বাঁশি,বাজলে ডেকে দিও

ঐ দ্যাখো চেয়ে আছে আমার উদাসী বউ--

চোখের কোনে তার নেমে আসছে অন্ধকার

রাস্তার মোড়ে খ্যাপাটা গাইছে

"এ দুনিয়া----

ইয়ে মেহেফিল!

মেরে কাম কি নেহি-"


কবিতা || বিবেকানন্দ || অভিজিৎ দত্ত

 বিবেকানন্দ 




বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ 

জাতিকে দিয়েছিলেন অভয়মন্ত্র 

উঠো,জাগো, লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য 

নিজের উপর বিশ্বাস রাখো।


ভারতবর্ষের অবস্থা চাক্ষুষ করার জন্য 

পদব্রজে ঘুরেছিলেন সারা ভারতবর্ষ 

বুঝেছিলেন অশিক্ষা আর দারিদ্র্যে

ধীরে,ধীরে শেষ করছে ভারতবর্ষ। 


তিনি বুঝেছিলেন 

জড়ের শক্তিতে নয়,চৈতন্যের শক্তিতে

জাগাতে হবে দেশকে।

তাই তো আমেরিকার আমন্ত্রণ পেয়ে

যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বধর্ম সম্মেলনে।

সেখানেই তুলে ধরেছিলেন 

সনাতন হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠত্বকে।

যার মূল কথা,জীবে প্রেম করে যেইজন 

সেইজন সেবিছে ঈশ্বর। 


বিবেকানন্দ নিজের সমস্ত জীবন 

উৎসর্গ করেছিলেন দেশ ও দশের জন্য 

তৈরী করেছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন

সাধারণ মানুষের শিক্ষা ও সেবার জন্য। 


বিবেকানন্দের বাণী ও রচনার দ্বারা

উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন ভারতের বিপ্লবীরা

এমনকি নেতাজীর চিন্তাধারার

প্রভাবিত হয়েছিল তার দ্বারা।


অথচ আজকে স্বামীজীর সাধের ভারতবর্ষে

মণীষাচর্চা অবহেলিত 

অপসংস্কৃতি,ধর্ম আর জাতপাতের ভেদাভেদে

দেশ আজ দ্বিধাবিভক্ত। 


বহুবৈচিত্র্যময় দেশ ভারতবর্ষ 

আজ নিজেদের মধ্যেই 

হানাহানিতে লিপ্ত। 

ভেবে দুঃখ হয় ,এটাই কী স্বামীজীর 

সাধের ভারতবর্ষ?

কবিতা || টোপ || চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী

 টোপ




যে যতখানি ঘোলা জলে ছড়াতে পারে সুগন্ধবতী টোপ

সংযম ছিঁড়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে যায় মাছ,বেপরোয়া

হেঁচকা টানে কেউ কেউ ফুটন্ত কড়াইয়ের তেলে

বাকী সব আয়াসে শরীরের ওজন বাড়ায়।

ঠিক এই অঙ্কটা বুঝতে বুঝতে হাত থেকে পিছলে পালায়

সূর্য ওঠার গীত সঙ্গীত।

কবিতা || ভাবনাগুলো || দিলীপ কুমার মধু

 ভাবনাগুলো



ভাবনাগুলো এক জায়গায় জড়ো হয়

গোল পাকায়,

গাছের প্রতিবিম্ব গাছ নিজেই দেখে ।


কতকটা আলো আর কতকটা কালো

মিলেমিশে,

একটা মাঝারি পৃথিবী তৈরি করে ।


ভালোবাসা ভাঙে ঠুনকো হাওয়ায়

ওদের ভাবনায়,

কাল মাঝরাতেও নাকি একাত্মতা ছিল ।


পৃথিবীটা নিচের দিকে গড়াচ্ছে

গড়াতেই থাকুক,

যদি পারো সজোরে একটা ধাক্কা মারো ।


পাতিলেবুর রস নিংড়ে খাওয়া যাদের শখ

তাদের তো,

একটা মাত্র পাত্র পেলেই চলে ।

কবিতা || সৃষ্টিকে ভালোবেসে || সুব্রত মিত্র

 সৃষ্টিকে ভালোবেসে




আবারও আসুক এমন দিন

হয়ে উদ্বেলিত করবে পবন নৃত্য

পৃথকতর মনোকামনা হবে আরও মসৃণ,


হাসবে দেখো ঐ শিশুদের পবিত্র স্বচিত্র অঙ্কন

মুহূর্তেরা নেচে নেচে গাইবে গান মনেরা করবে ভ্রমণ,

দেশ; কাল; সময় উঠবে ভরে উষ্ণতায়

প্রজন্মেরা হাসবে আবার প্রাণ খুলে; আবার কোন নব মুগ্ধতায়,


থাকবো আবার স্মৃতিচারণে হাতটি রেখে দিনটি তোমার অপেক্ষায়

রামধনুর ঐ সাতটি রঙের রংতুলিতে মন রাঙায়,

গুণীজনের মাঝে আমার সৃষ্টি যেন থাকবে ভেসে

এখন না হয় করবো সাধনা আবারও সৃষ্টিকেই ভালোবেসে।


প্রদর্শনগুলো হবে আপন দিনযাপনের মুগ্ধতা

আলোরন মুখরিত প্রজন্ম হবে পরিণত প্রদর্শন হবে যত চর্চার খাতা,

সৃষ্টির মিষ্টি বৃষ্টিতে ভিজে যাক অসচেতনতার অন্ধ বাতাস

কচিকাচার দল আবারও হবে চঞ্চল সময়ই ওদের দিয়ে যাবে আশ্বাস।


হে; গুরুজন যত, সাথে থেকো আজকের মত

তোমরা যে যুগের কান্ডারী, তোমরা যে জ্ঞানের ভান্ডারী

ছোট ছোট হাতে পড়িয়ে দিও এক দীর্ঘতম যাত্রার উচ্চ প্রয়াসের কর্মসূচি,


আমি প্রতিজ্ঞার আশ্বাস গায়ে মেখে তোমাদের গান যাবো গেয়ে

মুক্তকণ্ঠে মুক্ত মুক্তবাণীর ছবি

আবারও যাব আমি লিখে ও বলে,

আমি যে সৃষ্টি কে ভালবাসি।

কবিতা || কথা || জয়িতা চট্টোপাধ্যায়

 কথা




আজ তুমি অনেক কথা বলো

আর আমি লুকিয়ে রাখছি কথা

ফুরিয়ে যাওয়ার আগে,তুমি আমি ফুরিয়ে যাব একদিন, কিছু কথা চাপা থাক কান্না জলের দাগে, কৃপণের মতো রেখেছি কথা জমা

এ জগতে শেষ চুমুক দেওয়ার আগে।

কবিতা || ভয়ার্ত পুরুষ অথবা ক্লোনাজিপাম || নিমাই জানা

 ভয়ার্ত পুরুষ অথবা ক্লোনাজিপাম




আমি এক শৃঙ্গ বিশিষ্ট কাঁকড়ার দেহ ভাঙতে ভাঙতে স্বরচক্র পুকুরের উনত্রিস টি লাল শ্বেতপ্রবাল দানা রাখি মুখগহ্বরের ভেতর অক্ষয় পুরুষেরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নৌকাটি গিলে খায় প্রদেশহীন গভীর রাতের ফার্নিচার দোকানটিকে

এক অদ্ভুত আলো বেরিয়ে আমাকে নিয়ে যায় ধান জমির পরিচ্ছন্ন শ্বাপদের কাছে , এখানের অলংকারটি অজৈব ও অভিমান মেশানো পাটি গণিতের তৃতীয় পরিচ্ছেদের শেষ বর্ণমালার পা দুটি গণিতের মতো বাঁকানো

এক লম্বা ক্রুশ রঙ মাখানো কাঠের উপর দাঁড়িয়ে আমি আলৌকিক জালক ভেঙে ভেঙে নিভৃতি পদ্মের কুঁড়ি বের করি

সর্পগন্ধা ফুলের নিরাময় ক্ষতস্থানটি কখনোই কাউকে দেখাতে নেই

একাকী মার্কসল নামক হোমিওপ্যাথিক নিরাময়টি প্রচ্ছন্ন মায়াবী হয়ে আমার বিছানার তলায় কেঁচোর খোলস ফেলে যায়

আমার জন্ম ঘরের দাঁড়িয়ে থাকা দাইমা আমার নামে অনেক তেতো স্বাদের চারাগাছ পুঁতে দেয়

আমি ক্রমশ যমদূতের কাছ থেকে ভয়ার্ত কৌণিক দূরত্বে বসবাস করছি অথচ শীতকাল এলেই খুব দশমিকের কাছে বসে থেকে ধরে ফেলি এক উষ্ণ প্রস্রবনের তালপাতা ঘুম

আমি এখন রোজ রাতে মনোরোগীর কম্বাইন্ড কালারের ক্লোনাজিপাম চুমু খাই

কবিতা || ছাতি || সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক

 ছাতি




মাথার ওপর ছাদ

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে প্রাণে অন্দরে।

চেয়েছিলাম একটা বলিষ্ট ভরসার ছাতি,

রোদ-ঝড়-জল ইত্যাদি প্রতিকূলে

শক্তপোক্ত বাঁচনের সম্ভাব্য সুযোগ দীর্ঘদিন।

কিন্তু তেমন তেমন ছাতি নিয়ে

এই অবেলায় দুঃসময়ে এল না কেউ,

প্রতিক্ষণে মুড়িয়ে যায় সুখ-স্বপ্নের

উদ্যানখানি, তখুনি শীর্ণ দীর্ণ কলেবরখানি।

এমন অভাবিত নাচার বাঁচার সময়ের

দুটি হাত ধরে কাম্য অগ্রগমনে,

দুর্দিনের পর্দাটার হঠাৎ বিতাড়নে

টিকে থাকার পথটাও মিলতে পারে কোনমতে।

মাথার ওপর ছাদটি আর

হুড়মুড়িয়ে পড়বেনা উন্নত শক্ত ছাতি পেলে,

এমন বিশ্বাসে আশারা ধাবমান

একটা উত্তম ছাতির খোঁজে...

কবিতা || আজকের সান্ধ্য তোমার নাম || চাতক পাখি

 আজকের সান্ধ্য তোমার নাম..




শীতের দিনে হটাৎ 

বৃষ্টি আসতেই

মনের মধ্যেও

 এক ফালি মেঘ 

 বৃষ্টি ঝরালো অগোচরে।


ঝরলো সে 

শ্রাবণের ধারার মতো,

টিপ টিপ টুপ টুপ করে

সাতরঙা সুর বেঁধে

সঙ্গীতের সুরে।


ওমনি না জানি

কোথা থেকে 

হটাৎ ই দমকা হাওয়া এসে

দিয়ে গেলো এক বার্তা

বাম অলিন্দের খোলা জানালায়।


আর বলে গেলো চুপি চুপি 

বৃষ্টির ঝরার সাথে সাথে , 

"বাহিরে শীতল ছোঁয়া আর

এ মন যে একটু উষ্ণতা খোঁজে

তাই এই সান্ধ্য বেলায় এক কাপ চায়ে তোমাকে চাই।

কবিতা || অরণ্যে রোদন || অরবিন্দ সরকার

 অরণ্যে রোদন

               


দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে অসহ্য প্রহার,

হাত দেহ খান খান মুখবন্ধ তার,

গভীরে শেকড় তবু নেইকো নিস্তার,

আইনে বুড়ো আঙুল ধ্বংসের বিস্তার।


অসহ যন্ত্রণা নিয়ে দুর্বলের হার,

বিহগেরা বাস্তুহারা সমানে চিৎকার,

নিধন যজ্ঞে মানুষ লিপ্তে ব্যভিচার,

বচনে মাইক ফাটে তেঁতো ব্যবহার।


বোবার কান্নার ধ্বনি যায় আসে কার,

বধিরেরা কান কাটা চলে অবিচার,

মেরে কেটে পাটাতন তক্তা আকছার,

পুড়িয়ে জ্বালানি দেহের সৎকার।


হাতে পায়ে কোপ মারে করে অত্যাচার,

যদি পায় হাত তারা ধরা ছারখার।

কবিতা || বৃষ্টি বেলার পদ‍্য || মহীতোষ গায়েন

 বৃষ্টি বেলার পদ‍্য




বৃষ্টি পড়ে বিকেল বেলায়

মন বিষণ্ণতায় ভরা,

আমার বিকেল তোমার বিকেল

স্মৃতির পোষাক পরা।


স্মৃতির জলে নৌকা ভাসে

নৌকাগুলো সুখ,

সুখ-সাগরে আবার ভাসে

দু:খকাতর মুখ।


মুখ চলে যায়,মুখোশ থাকে

প্রেমবিহ্বল ঢেউ,

যাবার বেলায় হৃদয় নিতে

আবার এলো কেউ।


বিকেল বেলায় বৃষ্টি পড়ে

বৃষ্টি পড়ে মনের দরজায়,

সামনে লড়াই এগিয়ে চলো

কী সে ভয়,কী সে পরাজয়?

কবিতা || সাধনা || তৈমুর খান

 সাধনা




তবুও একটা গাছ হয়ে দাঁড়াই 

চেতনাগুলি পাতা

আত্মবিশ্বাস ফুল ও ফল;

যতই কুড়ুল শান দিক

কেটে ফেলতে পারে না আত্মবোধ—

বাতাসের কাছে পাই বোধিবৃক্ষের বারতা।

২৪ তম সংখ্যার সম্পাদকীয়


   

                               অঙ্কন শিল্পী- তন্ময় পাল


___________________________________________________

সম্পাদকীয়:



নেতা হওয়ার আসল মাহাত্ম্য ও উদ্দেশ্য কি এই পরিচয় সমগ্র বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার করে দিয়েছেন আপনি। তেজস্বী ভাবমূর্তি ছাড়া আর ইটের বদলে পাটকেল নিক্ষেপ ছাড়া স্বাধীনতা আসেনা তা আপনি শিখিয়েছেন। আমরা আপনার আদর্শে অনুপ্রাণিত। যেখানে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রশ্ন, সেখানেনে দেশ রক্ষার্থে নিজ সেনাবাহিনী গঠনে বিদেশ যাত্রার প্রয়োজন সেই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আপনি। 

ফিরে আসুন। উদ্ভাসিত হোক আমাদের সমাজ। নব চেতনার জাগরণে নতুন করে সামিল হোক সমগ্র দেশ। নেতাজি আপনি যেখানে থাকুন ভালো থাকুন। আপনি ভালো থাকুন। আমাদের কাছে চির অমর থাকুন।


                                 ধন্যবাদান্তে
                  World sahitya adda সম্পাদকীয় বিভাগ


___________________________________________________


বিজ্ঞাপন (Advertisement):


1)




____________________________________________

2)



__________________________________________________


3)


_________________________________________

৪)



##বইটি পাবেন- National Book house, Soma Book Store, Amor pustakaloy, Tarama Book Store , The Elegant publications(16B Sitaram Ghosh Street, kol 9.), 63no Saha book stall. এবং Amazon and Flipkart -এ।



##বইটি সরাসরি পেতে-- 9831533582 / 9433925262 দেবে।

________________________________________________

৫)


_________________________________________


৬)




##ছাপানো জীবনী গ্রন্থের জন্য-লেখকের জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে।















" লেখকদের আত্মজীবনী" গ্রন্থ তৃতীয় খন্ডের জন্য, লেখকদের কাছে থেকে জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে। আপনার মূল্যবান জীবনী 300 শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দেন। বইটি ছাপানো অক্ষরে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু কোন সৌজন্য কপি দিতে পারবে না।












বইটির সাথে সম্মানিক হিসাবে দেওয়া হবে।
















1/ সাম্মানিক সার্টিফিকেট।* (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)












2/ "লেখক পরিচয়পত্র কার্ড"। লেখকের ছবিসহ সংক্ষিপ্ত পরিচয় বহন করবে। (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)




















3/ সম্মানিত পদক (মেডেল)* {বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।}
















বইটির বুকিং মূল্য 300 টাকা দিয়ে কিনে, বাঙালি লেখক সংসদ কে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করতে হবে। ডেলিভারি সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে দিতে হবে না।




















গ্রন্থের কভার পৃষ্ঠায় আপনার ছবি দিতে আগ্রহী হলে, যোগাযোগ করুন।
















টাকা পাঠানোর একাউন্ট






শংকর হালদার








(1) ফোন পে 8926200021






(2) পেটিএম 8926200021










( 3) ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে। 






স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ( S.B.I.)






SANKAR HALDER






Account No : 34681068289




IFSC :SBIN 0015960






টাকা পাঠানোর পর রশিদের স্ক্রিনশট কপি করুন এবং জীবনী লেখা পাঠিয়ে দেবেন।






হোয়াইট অ্যাপস নম্বরে :-






 8926200021




যে কোন বিষয়ে যোগাযোগ :- শংকর হালদার শৈলবালা।  








মোবাইল :- 8926200021








বাঙালি লেখক সংসদ, দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভার


______________________________________________






**বি.দ্র- বিজ্ঞাপন এর সব দায়িত্ব বিজ্ঞাপন দাতার।