Sunday, January 30, 2022

কবিতা || নিক্তি || রানা জামান

 নিক্তি


 



কোনো কোনো বসন্তে অভিজ্ঞ গাছে

মুকুল ফোটে না; তাতে রঙধনুর রঙের

ভিন্নতা না হলেও মহাজন ক্যালকুলেটর

নিয়ে বসে; নিক্তির দিকে থাকে চেয়ে

জুয়ারি বিচারপতি; বহু বিবর্তনও ঘটে

সরকারি টাকশালে; গোপন গোলায়

জমা হতে থাকে দরকারি নিত্য দ্রব্য

বাজারের আগুনে পুড়তে থাকে সৎ

জেব; চাপে বাঁধটা ভাঙলে নর্দমা

ঢুকে হাড়িপাতিলে; ময়লা টাকায়

মুঠো ভরলেও নিক্তির কাঁটা

বাম দিকে থাকে হেলে।

কবিতা || কূটকাচালী || আবদুস সালাম

 কূটকাচালী



চারিদিকে পড়ে আছে অন্ধকারের কথকথা

বিষকন্যারা চুমু খায় সভ্যতার মুখে অবাঞ্ছিত দুপুরে ওড়ে ক্লান্ত মৌমাছি

রুদ্ধ পৃথিবীর উঠোনে জিরিয়ে নিচ্ছে কাঙ্গালী শুভেচ্ছা


কামনাস্রোতে ভেসে যায় অলীক সতীত্ব

নিভে যায় ঈশ্বরময় আয়োজনের প্রদীপ

সভ্য পাখির ডানা ভাঙে বিপ্লবের মাঠে


  সময়ের বারান্দায় জেগে ওঠে মৃত ঘাসের পাঠশালা

দিক্ষিত হয় সময়ের পড়ুয়া

  

জাগরণের মাঠে শয্যা পেতে বসে আছে কুয়াশার ভোর

ভালোবাসারা ডুকরে ডুকরে কাঁদে আর কেতন ওড়ে সতী বিজয়ের

কবিতা || শূন্যপথে || সুব্রত মিত্র

 শূন্যপথে

          



                      পথ চলি একা একা

কোথাও দেখি সুন্দর আলোকিত উজ্জ্বল মরীচিকা;

          মাঝে মাঝে দেখি খানাখন্দ; দুর্গম প্রস্তর

           মাঝে মাঝে দেখি তৈলাক্ত মসৃণ সড়ক

        মাঝে মাঝে দেখি অপমানের সুন্দর মোড়ক। 


                আমি বিনোদন বিমুখ অসুখ

                   আমি যেন সত্যের দর্শক

     এখন এই নতুন পৃথিবীর গায়ে নতুন আকাশ

         আঁকার স্বপ্ন দেখা বারণ,

    নিদারুণ প্রকাশের বাতাসে দেখি উলঙ্গ মহারণ। 


এখন আমার বিদ্রুপ আঁকা ছবি নক্ষত্রের প্রত্যায়িত বলয় দেখে। 


মহা সঞ্চারের অষ্টধাতুতে মোড়া নবজাগরণের আছি অপেক্ষায়,

পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পড়ে থাকা মরীচিকার সাথে দেখা করার আছি অপেক্ষায়। 


মেঘ-গ্রহের অর্থনীতি;চাঁড়াল মেঘের দুর্নীতি;

দেয়নি এনে সভ্য মনোবৃত্তি

উদীয়মান পথিকের বেশ ধরে স্বতন্ত্র মরীচিকা দাঁড়ায়ে,

         রাক্ষসে দাবানল রয়েছে হাত বাড়ায়ে। 


ছুটে ছুটে যাবে তারা; পাবেনা যে.... কোনো কিছু

আমিত্বের বহু বাদে বসে আছে তারা সব; করে মাথা উঁচু।

কবিতা || দুঃখ শব্দ || জয়িতা চট্টোপাধ্যায়

 দুঃখ শব্দ




জানি তুমি ভালোবাসছ না

আমি দূরে থেকেও সবটা বুঝতে পারি

পুঁতে যাচ্ছে মাটিতে পা

বোবা ছেঁকে ধরছে প্রবল সারি সারি

ছুটে যাচ্ছি হুরমুরিয়ে

ছুটে যাচ্ছি উপায়হীন ভাবে

শূন্যতার ভাষা শরীর চায় আদীম স্বভাবে

যখন তুমি ফাঁকা পথে পিপাসার মরে যাবে কি আঁকড়ে ধরবে? শব্দের অনুমান মুছে দেবে একবারে

বারান্দা দাঁড়িয়ে থাকবে সামনে ঘন ঘন নিঃশ্বাস ফেলে, নিঃস্ব কে আরও নিঃস্ব করবে পাগল করবে কাছে এলে, হয়তো তুমিও একদিন হাঁটু গেড়ে বসবে দুঃখ শব্দের কাছে, আমি তো জানি প্রতিটি প্রেমের অসামান্য অপরাধবোধ আছে।

কবিতা || ফিরতে পারি || সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক

 ফিরতে পারি





গা-ছাড়া ভাব আগাছা ঘিরে

সারাদিনের জবর খবর

চোর পালালে তাই বুদ্ধি বাড়ে

মগজ-ভর্তি তখন হা-ঘর।

ছেঁড়া ছেঁড়া চেতনায় শুদ্ধতাকে

হারিয়ে ফেলে আবালবৃদ্ধজন

ভোগের বাসায় বাঘের ত্রাসে

বোধ ছিল না কখনো আপন।

শত্রুরা সব সমবেতভাবে

কোমর কষে চালায় হানা

ছন্নছাড়ার কান্না ব্যাতিত

আর কিছু নেই একটানা।

কোণঠাসা হয়ে ঠাসা ঘরে

এবার বুঝি জাগছে শোক

ফিরতে পারি এক মোচড়ে

মুচড়ে দিয়ে দৈন্যালোক।

কবিতা || শীতের কালে হটাৎ বৃষ্টি এসে || চাতক পাখি

 শীতের কালে হটাৎ বৃষ্টি এসে...

 



আজ যে দেখি হটাৎ করে

এক পশলা বৃষ্টি এসে

ভিজিয়ে দিলো আমায়

 জলের ফোঁটায় 

সারা গায়।


আমি ভাবলুম যা!

শীতের দিনে বৃষ্টি ফোঁটা

এ যে অকাল বোধন,

এক্ষুনি না আবার 

ঠান্ডা লেগে যায় ।


এতো দেখি 

যখন তখন 

বর্ষা এসে যায়,

এযে পিছন ছাড়ার নয় 

এটুলির মতো চিপকে থাকে

তাই তো লাগে ভয়।


এই যে দু দিন রোদ উঠলো

ভাবলুম আমি 

যাক বাবা বর্ষা বুঝি গেলো,

পড়বে এবার শীতের রেশ

কিন্ত এযে বর্ষা ঘুরে এলো,

হলো আবার শীতের পরাজয়।


ডালিয়া টা বেশ 

শীতের পরশ পেয়ে 

মেলে ছিলো পাপড়ি

 মনের সুখে 

ছিলো তরতাজা।


এখন যে দেখি সেও

মুখ থুবড়ে

 রয়েছে পড়ে,

 যেন বর্ষা এখন

 শীতের কাঁধের বোঝা।


যতই নাড়ে

হয় যে ভারী

জোরালো হয় মেঘ,

যখন তখন খেয়াল মতন

সে যে বাড়ায় গতি বেগ।



কখনো বা দেখি ঝির ঝির

কখন বা হয় জোরালো ,

আর মনের মাঝে ঝড় তুলে যায়

দিয়ে দেখা আকাশেতে

 হয়ে কালো মেঘ।


কবিতা || কাল || অরবিন্দ সরকার

 কাল

       


জ্যোতিষীর বুজরুকি কালসর্পদোষ,
কালের বিপদ দশা যাগযজ্ঞ ক'রে,
কালচে পাথর ধাতু পাঁকাল আপোষ,
কালের ছোবলে মৃত্যু ধাকাল বিচারে।

আজ ব্যবসা নগদে কাল দেবে ধার,
ধারের পায়ে প্রণাম বুদ্ধি ব্যবসায়ী,
শেয়ালের যুক্তি ঘর কাল হবে সার,
কালের গহ্বরে কালো টাকা শয্যাশায়ী।

অকাল বোধনে দুগ্গা রামের কাঁকালে,
সকাল বিকাল রাত্রি বাঙালি গাজন,
পটকা বাজীর শব্দে মরণ নাকালে,
তৎকালে কালকে মেলে পাড়ি জ্ঞানীজন।

খাদ্যের আকালে কালী জিভ্ রক্তখাকী,
লক্ষ্মীর বাহন হবে-কালপেঁচা নাকি?

কবিতা || সাপ || তৈমুর খান

  সাপ

  



ভিতরে ভিতরে সবাই সাপ পোষে

সুযোগ পেলে নাচায়

বাইরে শুধু সাপুড়েকেই দ্যাখে


আমারও অনেক সাপ আছে

মাঝে মাঝে তারাও গর্জন করে

সাবধানে থাকি 


কত যে রঙিন ওরা

দ্বি-ফলা জিভ বের করে

মনের ভিতরে অনেক গর্ত

গর্তে গর্তে ওরা বাস করে


বাইরে শুধু ঢেউখেলা চুল

টেরি কাটা, রঙিন পোশাক

সুগন্ধ ছড়ায়, হাসে


কোনও কোনও দিন

আত্মদংশনের ক্ষত সারাই করি নিজে 

কোনও কোনও দিন ঝলসে যাই

আত্মদংশনের বিষে।

২৫ তম সংখ্যার সম্পাদকীয়

 



সম্পাদকীয়:



ফেলে আসা পড়ন্ত বিকেলে যে সমস্ত মায়া লেগে থাকে তা কেবল চোখের দেখা দৃশ্য পট নয়, তাতে আছে সাহিত্য চর্চার উপযুক্ত উপাদান। খাতায় আঁচড় কেটে তেমন ফুটে উঠবে তৈলচিত্র ঠিক তেমনি দুচারটি শব্দ জুড়ে দিলেই হয়ে উঠবে বিশ্ব উদ্ভাসিত কবিতা। তাই দেরি না আপনার কবিত্ব বোধ কে জাগিয়ে তুলুন। পড়তে শিখুন বেশি বেশি। লিখুন তার সাথে সাথেই। আমার আপনার সকলের প্রিয় পত্রিকা world sahitya adda blog magazine আছে আপনার পাশে। এটা শুধু পত্রিকা নয় বিশ্ব দরবারে নিজের রচনা কে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন এর জন্য উপযুক্ত পথিকৃৎ। তাই লিখুন। পড়ুন। আমাদের ওয়েবসাইট ম্যাগাজিন।  




                      ধন্যবাদান্তে

 ‌ world sahitya adda সম্পাদকীয়


_______________________________________________

বিজ্ঞাপন:

১)


___________________________________________________

২)


_______________________________________________

৩)


______________________________________________


৪)



বিজ্ঞাপন এর সব দায়িত্ব বিজ্ঞাপন দাতার

Saturday, January 29, 2022

২৫ তম সংখ্যার সূচিপত্র (৩৫ জন)


 

সম্পূর্ণ সূচিপত্র:






বাংলা কবিতা ও ছড়া---


তৈমুর খান, মহীতোষ গায়েন, অরবিন্দ সরকার, চাতক পাখি, সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক, জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মিত্র, আবদুস সালাম, রানা জামান, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, 
আশীষ কুন্ডু, নমিতা বসু, পাভেল রহমান, চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী, দিলীপ কুমার মধু, মঞ্জুলা বর, মহীতোষ গায়েন, নিমাই জানা, অভিজিৎ দত্ত , নবকুমার।





বাংলা গল্প---

সিদ্ধার্থ সিংহ, রঞ্জিত মল্লিক, ড: রমলা মুখার্জী





নিবন্ধ -----

শিবাশিস মুখোপাধ্যায়, বরুণ রায়।





বাংলা গদ্য তথা রম্য রচনা---

সুজিত চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, সামসুজ জামান।






Poem---

 Kunal Roy, Pavel Rahman.





Photography---


Amit pal, Nilanjan de, Moushumi chandra, Sohini Shabnam, Dr Atef kheir.
_________________________________




সম্পূর্ণ রেসিপি টি পড়তে নীচের লিংকে ক্লিক করুন---

Friday, January 28, 2022

কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট সচিবালয়ে ডেপুটি ফিল্ড অফিসার নিয়োগ || Central Government cabinet deputy field officer recruitment 2022 || Government Jobs news


 


কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট সচিবালয়ে ডেপুটি ফিল্ড অফিসার নিয়োগ:---





কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট সচিবালয় গ্রুপ বি ক্যাটাগরিতে ৩৮ জন ডেপুটি ফিল্ড অফিসার নিয়োগ করা হবে।


নিয়োগ করা হবে বার্মিজ, দারি, কাচিন ,রাশিয়ান, সিংহলা , ধীভেহী, বালোচি , ভাসা প্রভৃতি ভাষার জন্য।




প্রার্থী বাছাই করা হবে লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে।

বয়স হতে হবে ০৪/০৩/২২২২  তারিখে 21 থেকে 30 বছরের মধ্যে।

মাসিক বেতন:--44 হাজার 900 টাকা।


প্রার্থীকে স্নাতক, স্নাতকে  অন্যতম বিষয় হিসাবে উপরে উল্লেখিত যেকোনো একটি ভাষায় শিক্ষা লাভ করে থাকতে হবে। অথবা যে কোন বিষয়ে স্নাতক সঙ্গে উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি ভাষায় দুই বছরের ডিপ্লোমা বা নেটিভ লেভেল প্রফিশিয়েন্সি থাকতে হবে।


একটি নির্দিষ্ট বয়ানে দরখাস্ত করতে হবে। দরখাস্তের বয়ান A4 মাপের কাগজের টাইপ করে জমা করতে হবে। ইংরেজির বড় হরফে লিখে দরখাস্ত পূরণ করতে হবে।


পূরণ করা দরখাস্তের সাথে প্রার্থীর এক কপি সেল্ফ অ্যাটেস্টেড ফটো, বয়স এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার যাবতীয় নথিপত্রের সেল্ফ অ্যাটেস্টেড জেরক্স কপি, কাস্ট এবং ওবিসি সার্টিফিকেটের সেল্ফ অ্যাটেস্টেড জেরক্স কপি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র খামের মধ্যে মুখ বন্ধ করে  পাঠাতে হবে।



প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ দরখাস্ত করা খামের উপরে ইংরেজি বড় বড় হরফে লিখবেন'APPLICATION FOR THE POST OF DEPUTY FIELD OFFICER(GD). '

 2022এর 4th মার্চের মধ্যে দরখাস্ত সাধারণ ডাকে পৌঁছাতে হবে।



দরখাস্ত পাঠানোর ঠিকানা--post bag number  001, Lodhi road head post office, New Delhi-110003.


________________________________________________


বিজ্ঞাপন-



Thursday, January 27, 2022

মুড়ো পালংয়ের ঘন্ট রান্না কিভাবে করবেন || How to cook Muro Palong ghonto || Recipe - Muri Palong ghonto by Saptatirtha Mondal || cooking || রান্নার রেসিপি || Bengali cooking Recipes




বিভাগ- রান্না টাও শিল্প



 

*মুড়ো পালংয়ের ঘন্ট*

    

                  লিখছেন - Saptatirtha Mondal





  উপকরণ :  একটা বড় সাইজের কাতলা মাছের মাথা দুভাগ করে কাটা, পালং শাক, মুলো, শিম, বেগুন,বরবটি,বড়ি, আলু, একটা মাঝরি সাইজের পেঁয়াজ, আর সরষের তেল।




  প্রণালীঃ  প্রথমে পালংশাক, শিম, বেগুন, বরবটি, মুলো এবং আলু নিজেদের পছন্দমতো ছোট ছোট সাইজ করে কেটে নিতে হবে।

 এরপরে সমস্ত উপকরণ ভালো করে জলে ধুয়ে প্রেসার কুকারে দুটো সিটি দিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোন সবজি যেন গলে না যায়।



 পরের ধাপে মাছের মাথা ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে।

 এরপরে কড়াইয়ে সরষের তেল গরম করতে হবে এবং মাছের মাথা দুটোকে খুব ভালো ভাবে এদিক ওদিক করে ভেজে নিতে হবে। এরপর প্রেসার কুকারে থাকা সবজি গুলো বের করে তার জল ঝরিয়ে কড়াইয়ে দিয়ে দিতে হবে। বেশ খানিকক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর একটা পাত্রে তুলে নিতে হবে।  



  এর পরে পুনরায় কড়াইটি পরিষ্কার করে সামান্য পরিমাণ তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হয়ে গেলে তাতে পাঁচফোরণ পেঁয়াজ কুচি এবং এক টেবিল চামচ পরিমাণ আদা রসুন বাটা, এবং দু'চারটে কাঁচালঙ্কা চিরে দিতে হবে। মসলা ভালো করে কষা হয়ে গেলে মাছের মাথা দিয়ে তৈরি করা পালং শাকের তরকারি কড়াই এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। কিছু পরিমাণ সময় নিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করতে হবে এবং পরবর্তীতে স্বাদমতো নুন এবং যারা যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তারা কিছু পরিমাণ চিনি দিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দেবেন।


 মুড়ো দিয়ে পালং শাকের ঘন্ট পুরোপুরিভাবে তৈরি আমরা এটিকে বেশ খানিকক্ষণ ঢাকা দিয়ে রাখার পর গরম ভাতে সার্ভ করার জন্য রেডি করে ফেলব।





Health tips-- 


*পালং শাকে আছে উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে*

*এতে থাকা বেশি মাত্রার ভিটামিন এ, লিম্ফোসাইট বা রক্তের শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগ থেকে রক্ষা করে*


*এর উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন চোখের ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে*


*এর ভিটামিন A ত্বকের বাইরের স্তরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে*


*এতে ফলিক এসিড থাকায় তা হৃদ যন্ত্রের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে সক্ষম*


*প্রাপ্ত বয়স্ক ঘন সবুজ পালং পাতায় উচ্চ মাত্রায় ক্লোরোফিল থাকায় এতে ক্যারটিনয়েড বিদ্যমান আর তা আমাদের শরীরে ব্যাথা নাশক ও ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ কর


____________________________________________


বিজ্ঞাপন:



Wednesday, January 26, 2022

বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে নতুন নিয়োগ || bsk New Recruitment 2022 || WB govt jobs || www.bsk.wb.gov.in || government jobs news


 


বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে (BSK) কর্মী নিয়োগ :---

----------------------------------------------


সরাসরি  ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে

কর্মী নিয়োগ হবে। চাকরি প্রার্থীরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলেই আবেদন করতে পারবেন। চাকরিপ্রার্থীদের কোনরকম লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে না। রাজ্য সরকারের এটি একটি স্থায়ী চাকরির শূন্য পদ। 


যে সমস্ত পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে সেগুলি হল---

 ১.Help desk personal

২.  Reconciliation personal              

  ৩.senior software personal          

৪. chief Finance officer (CFO)

৫. chief Technology officer (CTO) ৬.chief operating officer (COO)


 চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। (বি এস কে) বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করা যাবে। আবেদনের ওয়েবসাইটটি হল-

www.parrecruitment.com


 নিয়োগ প্রক্রিয়া:-- সঠিকভাবে আবেদন করার পর চাকরিপ্রার্থীদের নামের লিস্ট প্রকাশ করা হবে। এরপর ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হবে ইন্টারভিউ ডেট ও ইন্টারভিউ স্থান। তারপর ইন্টারভিউ এর তারিখ প্রকাশ করে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা হবে।

চাকরিপ্রার্থীদের আবেদনের বয়স বয়স 18 থেকে 55 বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ 5 ফেব্রুয়ারি 2022


চাকরি প্রার্থীদের গ্রাজুয়েশন হতে হবে ও কম্পিউটার কোর্সের সার্টিফিকেট  থাকতে হবে। অফিশিয়াল নোটিশ : 


Official website --- www.bsk.wb.gov.in


__________________________________________________



সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি পড়তে নীচের লিংক এ ক্লিক করুন--


https://worldsahityaadda.blogspot.com/2022/01/500-central-government-supervisor.html


_______________________________________________


বিজ্ঞাপন: