Monday, February 7, 2022

কবিতা || সরস্বতী পূজোয় || আশীষ কুন্ডু

 সরস্বতী পূজোয়




এবারে শনিবার সরস্বতী পুজো  

পূজোর আয়োজনে ব্যস্ত সবাই

শ্বেতগোলাপ খোঁজে বিদ্যাসুন্দর 

ছোটো মেয়েটার জন্য বাসন্তী শাড়ী

নেতার একমাত্র কন্যা! 


স্কুল খুলবে, শুক্রবার --

দেবী চরাচর ব্যাপ্ত,আকাশ নীলবসনা

মায়ের চোখে সেই ছায়া

আবার কচিকাচার মেলায় শুভ্রাবরণী !


মরমী গাঁয়ের মেঠো পথে এক বালক

নিঃস্ব হয়েছে সে অনলাইনের প্রকোপে

বাবা চলে গেছেন করোনায়

উদ্ভ্রান্ত মেঘে ঢাকা ব্যথাময় চোখ

জল শুকিয়েছে বহুদিন, 

এখন রোজগেরে মনরেগায়

সংসার জোয়াল তার কাঁধে!


বালকের মনের কথা মনেই থাকে 

সরস্বতী পূজোয় অভিমানী ছেলে

 পুষ্পাঞ্জলি দেবে না আর কোনদিন হয়তো 

দেবী বোধহয় জানেন!


ফাঁকা স্কুল ঘরে প্রতিমায় শেষ তুলির টান 

চোখ শুকোয় না মায়ের

ছেলের চোখের জল এখন মায়ের চোখে, 


জীবনের প্রথম বাসন্তী শাড়ী পড়া 

শিশুকন্যার জন্য

মাকে বুকে পাষাণ রেখে

পূজো নিতেই হবে।

কবিতা || হে ফাগুন || সত্যেন্দ্রনাথ পাইন

 হে ফাগুন



হে ফাগুন, হে বসন্ত ফুলে ফুলে

   রেখেছো ভরে এইক্ষন

তুমি নাকি ক্ষণিকের ধন

   তবু যেন অনির্বচনীয়

    তালে তালে মৃদু সমীরণে

     এই ফাল্গুনে। 

তোমার সাধনায় তৃপ্ত এ ধরা

 এ মাটি এ আকাশ

      দখিনা পবন

ভূবন দুয়ার খোলা আজি তাই

   রঙে রঙে পলাশে শিমুলে

     মাতিয়ে অনুক্ষণ। 


মিলন মাধুর্যে প্রেমিক যুগল

    যেন ক্লান্তি হীন সরোবর

      সদাই গীত নির্ভর

       ছন্দে দোলা

         উচ্ছ্বাসে মর্মর। 

করে আরাধন--

   যেন শেষ নাহয়

     এইক্ষণ

 এই ফাগুন আগুন

   এ দখিনা পবন। 


দূর হতে দাও ভরে

     কুসুমের ডালি

স্বর্গীয় উচ্ছ্বাসে যেন

    যায় দুয়ার খুলি।

কবিতা || শরৎ কালটা || রানা জামান

 শরৎ কালটা


 


কুকুরের ফাল্গুনে পরিবেশ দুষিত হলেও


ওরা থোড়াই কেয়ার করে


কামড়া-কামড়ি শুরু মাদির দখল নিয়ে; শাদা


মেঘ আকাশে ছন্দ তুলে নাচে হাসে


কথা নেই বার্তা নেই মাঝে মাঝে


ঝপঝপিয়ে অঝোর ধারা নেমে সারমেয়


সঙ্গমে ঘটায় ব্যাঘাত; কাছে কাশবন


থাকলে নরোম স্পর্শে হুটোপুটি


দেয়; শরৎকাল ওদের ফুলশয্যার


আবেশ; সারাবছর ওরা


এরই প্রতীক্ষায় থাকে; অথচ মানুষ


ওদের ক্রিয়া করতে দেয় না শান্তিতে


মানুষ আরো ক্ষ্যাপা হয়ে যায়।


কবিতা || অভিনয় || দীপান্বিতা পান্ডে দীক্ষিৎ

 অভিনয়



যত সব শেখা বৃত্তের কাছে,

বাইরে উল্টো ভেতর সব রঙিন ৷

বইগুলো যত সব পেঁজা তুলো ,

অর্থ গুলো সব মরিচিকা ধান ভাঙতে শীবের গীত ৷

মিথ্যে চুরি কপটতা এগুলো তো মহাপাপ নরকের ধাপ ৷

মহাপ্রসাদে ধুয়ে যায় মনপ্রাণ,

পাওয়া যায় নূতন সুখের সন্ধান |

অনুতাপ নেই কোথাও কোনোখানে

শুধু আদায়ের অধিকার চলে

বঞনার আড়ালে ৷

নির্মম অবিচার |

পাপ বলে কোনো শব্দ নেই এদের অভিধানে ,

শুধু কেড়ে নেওয়া পকেট কে রেখে ঢেকে ৷

নিয়ত চলে মুখোশের অভি নয়,

প্রবল পৌরুষ ছত্রে ছত্রে৷

অথচ

 সত্যের চোখে চোখ রাখাটাই

হল সত্যের পরিচয় ৷

এখানেই সকল মিথ্যা দম্ভের অবসান,

কিন্তু অনুশোচনার আগুনে পুডেও যায়না মিথ্যে দম্ভের অভিমান ৷

কবিতা || নিষ্ক্রিয় ফলাফল || সুব্রত মিত্র

 নিষ্ক্রিয় ফলাফল



অমরত্বের কথা ভেবে পালানোর কথা ভাবি

ভেবে চলি অনাবিল আনন্দের প্রদীপ্ত ছবি খানি

ছুটে যেতে হবে,আবার যেতে হবে না;

হই আনন্দিত বা হই যতই অভিমানী। 


সমুদ্র মন্থনে ভোরেদের ঢেউয়ে ভাসা পাখির ঠোঁটের খড়কুটো হবো

অশ্বত্থ গাছের পাতাখানি ঝরে যাবে আজ

মিটে যায় যদি আজ আমাদের সকল কাজ,

হাওয়ারা আর কথা শুনবেনা

আর কথা বলবেনা রোদ আর মরীচিকা,

মসৃন তৈলাক্ত রোদের শরীরে বনলতার মুখখানি ভেসে আসে;

ভেসে আসে তার গালের কালো তিল । 


সনাক্ত শৈশব প্রদীপ হয়ে জ্বলে

আত্মহারার মাঝে বিষাদের সুর ভ্রমণ;

তোমার যে সেই আমি

নই আজ একটুও দামি,

শুষ্ক আবহের মাঝে আমি যেন একটা মরা গাছ

তোমার প্রত্যাশার কাছে এই সরল সন্ধিক্ষণ এক নিষ্ক্রিয় ফলাফল।

কবিতা || নির্ঘুম রাত || সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক

 নির্ঘুম রাত





নির্ঘুম রাত্তিরে বাচাল স্বপ্নেরা বেড়ায় ঘুরে

       অবৈধ অশালীন চাবুক হাতে।

দুই রক্তচক্ষু দিয়ে ওদের ভষ্ম করতে চাইলেও


        সরে না ওরা এক পাও।


এ কোন্ সামন্ততান্ত্রিক নিয়মকানুন!


এ কোন অগোছালো হবু আগুন!


সাঁতরে সাঁতরে সাঁতরে পার হলেও রাত


অকথ্য অবাধ্য স্বপ্নদের হাতে আমার বিধিলিপি


             নিখুঁত সুচারু অঙ্কিত


জেনেবুঝে গুহার ভেতর রাস্তা দেখেই ভাবি


              ভীষণ ভীষণ শঙ্কিত।


মরণপণ সমরে গেঁড়ি গুগলী শামুকেরা


অতি চতুর, ধূর্ত, মুখর,


ওদের স্পর্শ এড়ানো খুব অসহজ-


কেননা নির্ঘুম রাত্তিরে বাচাল স্বপ্নেরা


           অনাবাসী দোসর।

কবিতা || প্ল্যানচেটে বুদ্ধি || অরবিন্দ সরকার

 প্ল্যানচেটে বুদ্ধি

         



বিদ্যাবুদ্ধি নিয়ে দেবীর আসনে সরস্বতী,

          জ্ঞান তার পেটে ভরা,

প্লানচেটে ইতিহাস স্থান কাল পাত্র বদল,

          মহীয়সীর চুরি করা।

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সেক্সপিয়রের সখ্যতা,

             ধরাকে বদলে সরা,

ঋষি অরবিন্দর পন্ডিচেরীতে দেহত্যাগ,

           পরনে কৌপিন পরা।

আলিপুর জেলে তাঁরে ফাঁসির কাষ্ঠে,

           শহীদ, উক্তি মনগড়া,

তাঁর স্মৃতিতে মনুমেন্ট! কিসের বিজয়?

             শহীদ মিনার ছাড়া।

গান্ধীজির অনশন ভঙ্গ ফলের রসে,

            রবিঠাকুর দেন নাড়া,

লিক্ করা বুদ্ধি বেচে,রচে নব্য ইতিহাস,

            বাঙালীরা হতচ্ছাড়া।

সহজ পথ্য গলাধঃকরণে হজমি বড়ি,

            প্রতিবাদী ভাষা হারা,

বিরুদ্ধারণে নকশাল, হাততালিতে বহাল,

           উচ্চপদে হারু আত্মহারা।

কবিতা || বকুল-কথা || মহীতোষ গায়েন

 বকুল-কথা



বকুল ফুল বকুল ফুল প্রিয় বকুল ফুল

বকুল ফুল বকুল ফুল প্রাণ যে আকূল,

বকুল ফুল দেখতাম খোঁপায় রোজ রোজ

কেন আর বকুলের পাওয়া যায় না খোঁজ।


বকুল ফুল বকুল ফুল হৃদয় ভরা হাসি

সকাল থেকে সন্ধ্যা শুধুই ভালোবাসি,

বকুল ফুল বকুল ফুল মন বাগানের সুখ

পাই না দেখা আর সেই মিষ্টি হাসির মুখ।


বকুল ফুল বকুল ফুল আকাশ ভরা তারা

প্রেম বিহনে উদাসী যন থমকে গতিধারা,

বকুল ফুল বকুল ফুল হিংসা বিভেদ যাক

সুখ শান্তি স্বপ্ন সবাই আবার ফিরে পাক।

কবিতা || আয়নার সামনে মুখ দেখা যায় না আর || তৈমুর খান

 আয়নার সামনে মুখ দেখা যায় না আর 




গার্হস্থ্য বিষাদগুলি আমার একান্ত নিরিবিলি খেয়ে যায় 

আয়নায় মুখ দেখা যায় না আর 

আয়নার সামনে দাঁড়াই প্রাচীন অন্ধকার

 

কতটুকু নীল জ্যোৎস্না ছিল তবে 

রক্তে উচ্ছল স্রোত জেগে উঠেছিল 

দেখি তার কিছু অংশ বাল্য ও যৌবনে 

স্বরলিপি হয়ে বেজেছিল রূপকথা আর গানে

 

আজ পরিত্যক্ত বাড়ি 

প্রদীপ জ্বালায় না কেউ 

শাঁখ বাজানোর সন্ধ্যায় 

পরে না শ্বেতশুভ্র শাড়ি


তবুও অক্ষরবৃত্তে পাক খাই 

বিষণ্ন সঙ্গমে পার হই যুগ 

মৃত কোকিলকে স্মৃতির জাদুঘরে রেখে 

নষ্ট বিব্রত আমি সারাই অসুখ

Sunday, February 6, 2022

২৬ তম সংখ্যার সম্পাদকীয়






অঙ্কন শিল্পী- Dr. Atef kheir




সম্পাদকীয়:




ভাবনাগুলোকে সাক্ষী রেখে সাহিত্য চর্চার ভবসাগরে ডুব দেওয়া যায় সে কথা অনেকেই জানেন। আবার অনেকেই অর্বাচীন। কিন্তু তুমি আমি চাইলেই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের মরচে ধরা বুদ্ধি কে নতুন উদ্যমে কাজে লাগিয়ে দিতে পারি। এইরকম মরচে হীন কবিত্ব বোধ জাগাতে পড়ে ফেলুন আমাদের ও আপনাদের একমাত্র প্রিয় পত্রিকা world Sahitya Adda blog magazine । এটা ই পারে সমাজে ভাষা থেকে ভাষান্তর, শব্দের মায়াজালে বাস্তবতার প্রকাশ ঘটতে। তাই নিজের উন্নয়ন শীল বুদ্ধিমত্তার জন্য পড়ুন আমাদের পত্রিকা world Sahitya Adda ।



                                ধন্যবাদান্তে
                     World sahitya adda সম্পাদকীয় বিভাগ


___________________________________________________

বিজ্ঞাপন:




___________________________________________________



______________________________________________





________________________________________________








Saturday, February 5, 2022

২৬ তম সংখ্যার সূচিপত্র (৩০ জন)


 

সম্পূর্ণ সূচিপত্র:




বাংলা কবিতা ও ছড়া---



তৈমুর খান, মহীতোষ গায়েন, অরবিন্দ সরকার, সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক, সুব্রত মিত্র, দীপান্বিতা পান্ডে দীক্ষিৎ, রানা জামান, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, আশীষ কুন্ডু, রবীন বসু, আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস, রথীন পার্থ মণ্ডল, 
নবকুমার, নীতা কবি মুখার্জী, মঞ্জুলা বর, চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী, চাতক পাখি।




 
বাংলা গল্প---

সিদ্ধার্থ সিংহ,  ড: রমলা মুখার্জী।

 

 


বাংলা গদ্য তথা রম্য রচনা---


সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, সামসুজ জামান।

 



Composition---

Kunal Roy




Poem---

Pavel Rahman.

 




 
Photography---


Amit pal, Nilanjan de, Moushumi chandra, Sohini Shabnam, Dr Atef kheir.

 
_____________________________________________________________

Friday, February 4, 2022

RRb NTPC Main Exam date 2022 || rrb kolkata || Rrb NTPC result || rrb kolkata ntpc main exam 2022 || NTPC RESULT 2022

 



রেলের এনটিপিসি ফল প্রকাশ হয়েছে ১৪ই জনুয়ারি , মেন পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি মাসে




রেলের non-technical পপুলার ক্যাটাগরি (NTPC) এর প্রথম পর্যায়ের যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল তার ফল প্রকাশ হয়েছে 14 ই জানুয়ারি।


  কলকাতা, মালদা, শিলিগুড়ি সহ সারা ভারতের বিভিন্ন রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি নাম্বার ০১/২০১৯ এর non-technical পপুলার ক্যাটেগরির প্রথম পর্যায়ের সফল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল দেখতে এই ওয়েবসাইটে---

www.RRB Kolkata.gov.in

ক্লিক করতে হবে। ওয়েবসাইটে সফলদের তালিকা পাওয়া যাবে।




প্রথম পর্যায়ের সফল প্রার্থীরা দ্বিতীয় পর্যায়ের 14 থেকে 18 ফেব্রুয়ারির মধ্যে কম্পিউটার বেসড টেস্ট পরীক্ষায় বসতে পারবে। পরীক্ষা শুরুর 10 দিন আগে থেকে মনোনীত প্রার্থীদের এসএমএস বা ই-মেইল করে পরীক্ষার তারিখ ও এডমিট কার্ড ডাউনলোড সংক্রান্ত তথ্য জানানো হবে।



পরীক্ষার্থীরা ই এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে থেকে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে।



লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন হবে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের স্থানীয় ভাষায়, হিন্দি, ইংরেজি ও উর্দুতে।


এই পদে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল 1 কোটি 26 লক্ষ প্রার্থী।


__________________________________________________



সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি পড়তে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন---

https://worldsahityaadda.blogspot.com/2022/01/bsk-new-recruitment-2022-wb-govt-jobs.html


______________________________________________


বিজ্ঞাপন-



Thursday, February 3, 2022

সুজির খাস্তা বিস্কুট কিভাবে বানাবেন || How to make Sujir khasta Biscuit || Recipe - Sujir khasta Biscuit by Saptatirtha Mondal || cooking || রান্নার রেসিপি || Bengali cooking Recipes


 

বিভাগ- রান্না টাও শিল্প


 


*সুজির খাস্তা বিস্কুট*



  উপকরণ : ময়দা,সুজি, চিনি বেকিং পাউডার এলাচগুঁড়ো, নুন, সাদা তেল।


  প্রণালী :  প্রথমেই করায় গ্যাসের উপর বসিয়ে আমরা তাতে কিছু পরিমাণ সাদা তেল গরম হতে দেবো। এরপর একটি পাত্রে ময়দা এবং সুজির পরিমাণ 2 :1 অনুপাতে নিতে হতে হবে। অর্থাৎ যদি দু কাপ ময়দা নেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে এক কাপ সুজি দিতে হবে।

 ময়দা, সুজি, হাফ চামচ বেকিং পাউডার এবং এক চামচ নুন, এক চামচ চিনি খুব ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। চিনি অত্যাবশ্যকীয় নয় যার দিতে ইচ্ছা করবেনা সে তিনি স্কিপ করতে পারেন। চিনি দিলে নোনতা এবং মিষ্টি দুটো স্বাদ ই পাওয়া যায় । খেয়াল রাখতে হবে আমাদের এই উপকরণগুলি যত ভালোভাবে আমরা মিশিয়ে নিতে পারব সুজির বিস্কুট ততটাই মুচমুচে এবং খাস্তা  হবে।

  এই শুকনো মিশ্রণ এর উপর গরম হওয়া তেল এর কিছু পরিমাণ চামচে করে তুলে নিয়ে আমরা ময়েন হিসাবে ব্যবহার করব। এবং খুব ভালোভাবে সমস্ত উপকরণ গুলি গরম তেলের সাথে মেখে নেব এমনভাবে মাখতে হবে মুঠো করে ধরলে যেন একটা দলা পাকানো যায়, এবং সাথে সাথে  সেটা ভেঙে ফেলা যায়।

  তারপর কিছু পরিমান জল দিয়ে গোটা মিশ্রণটা

 মেখে নেব।

 এরপর সেই মিশ্রনটিকে যে যেমন খুশি গোল বা চৌকো আকারে গড়ে নেব।


 পরবর্তী ধাপে কড়াইয়ে বেশি পরিমাণ সাদা তেল গরম হতে দেবো। হাই ফিল্মে তেল গরম করতে হবে,তেল ভালোভাবে গরম হয়ে যাওয়ার পর গ্যাসের ফ্লেম  কমিয়ে সুজির বিস্কুট গুলো পরপর ভাজতে হবে।

*প্রথম শর্ত সুজির বিস্কুট গুলিকে ডুবোতেলে ভাজতে হবে*


• *দ্বিতীয় শর্ত বিস্কুট গুলি কম  আঁচে ভাজতে হবে*

  হাই ফ্লেমে সুজির বিস্কুট যদি ভাজি তাহলে কিন্তু বিস্কুটের রং কালচে হয়ে যেতে পারে, পুড়েও যেতে পারে  এবং ভেতরটা কাঁচা থাকবে।


এরপর ভাজা বিস্কিট গুলিকে আমরা একটি পাত্রে তুলে নেব যদি পারেন বিস্কুট গুলি তোলার সময় আপনারা টিস্যু পেপার ব্যবহার করতে পারেন। পরিবেশনের সময় গরম চায়ের সঙ্গে এটি পরিবেশন করা যায় এবং বাচ্চাদের টিফিনের এই রেসিপিটি তৈরী করে দেবেন তারা ভীষণ মজা করে খাবে।

_____________________________________________



সম্পূর্ণ রেসিপি টি পড়তে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন-

https://worldsahityaadda.blogspot.com/2022/02/how-to-cook-reshmi-katla-recipe-reshmi.html


__________________________________________________

বিজ্ঞাপন-