Sunday, December 19, 2021

কবিতা || শীতের আলপনা || হরিহর বৈদ্য

 শীতের আলপনা 



হেমন্তের ই মধুর পরশ 

  ছোঁয়ায় এল শীত,

খুশির মেলায় মতলো ভুবন 

     দেখি চারিদিক।

পৌষ মেলা পিঠে পোলার

     আনন্দে মশগুল,

ধান কৃষিতে ভরল গোলা

     ফুটছে নানান ফুল।

নলেন গুড়ের মিষ্টি সুবাস

      ভরিয়ে দিল মন,

চাষির মনে খুশির আমেজ

      আনন্দে প্লাবন।

ম্যাজিক খেলা বইয়ের মেলা

      বসলো গড়ের মাঠে,

বাচ্চা বড় সবাই ছোটে--

     শীতের সুপ্রভাতে।

শীত এলে তাই সবাই খুশি 

     নতুন গরম জামা,

এমন দিনে সবার আপন 

    মোদের সূর্যমামা।

মাতলো সবাই মোয়ার মজায়

    কিংবা খেজুর গুড়ে,

সবুজ মাঠে ঘুমায় শহর 

   শীতের কাঁথা মুড়ে।

কবিতা || সে কে || নবকুমার

 সে কে ?




স্বপ্নে কে যেন বলে যায় -বেরিয়ে পড়ো -

চলো আমি আছি সাথে ।


সে যে কে আমি বুঝতে পারিনা ।

একা একাই তো কেটে গেল এতটা বছর 

যাকে বন্ধু ভেবেছি সে-ই

আমার পথে ছড়িয়েছে কাঁটা

যে গাছটির তলে অসহ্য দহনে বসেছি 

সে ছড়িয়ে দিয়েছে ছায়া

সে ছিল একান্ত দরদি বন্ধু ।

একদিন কালবৈশাখী ঝড়ে

সে-ও উৎপাটিত ভূমিতলে ধূলিশয্যায় ।


আজ এত এতদিন পর

সে-কে ,যে হতে চায় আমার দোসর ?

কবিতা || কোন এক নিশুতি রাতে || বিশ্বেশ্বর মহাপাত্র

 কোন এক নিশুতি রাতে



কোন এক নিশুতি রাতে,

আমার প্রভু এলেন নয়ন পাতে৷


বললেন হেঁকে নামটি মোর,

খোকা,নিরুদ্দেশের পথে যাবি?

তুই আর আমি জীবন ভোর৷


আমি হতবাক তার সে বানী শুনে—

চিমটি কাটি আপন দেহের পরে,

সত্যি না'কি স্বপ্ন দেখা ঘুমের ঘোরে৷


আমি দেখি আমার প্রভু স্বর্ণকমল রথে,

নিচ্ছে তুলে আমায় মায়াজালে

মহাশূণ্যের নিরুদ্দেশের পথে৷৷


আমি অপারগ ছিন্ন করতে সে জাল খানি,

তবুও আমার প্রভুর মিষ্ট ভাষে

নয়ন ভরে দেখছি পথের পাশে

অনাদি অনন্তকালের নিরুদ্দেশের পথে-র লাবনি৷


তবুও শুনি সেই সুমধুর ভাষ 

আমার প্রভুর কন্ঠ হতে,

ভয় কি ব্যাটা;আমিতো আছি

তোর এই নিরুদ্দেশের পথে৷

কবিতা || এমন কি কেউ আছো || সুব্রত মিত্র

 এমন কি কেউ আছো?




এমন কি কেউ আছো যে আমার ব্যথাগুলো নিতে চাও?

এমন কি কেউ আছো যে আমার ভুলগুলোকে ফুল করে ফোটাতে চাও?

এমন কি কেউ আছো?

যারা আমার মা বোনের লুট হয়ে যাওয়া সম্ভ্রমকে ফিরিয়ে আনার জন্য এক বুক জলে নেমে এই অশুভ রাজনীতির বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করবে?

এমন কি কেউ আছো-----

যে আমার সকল অভ্যাস;সকল কান্না;সকল ব্যথা; সকল ব্যর্থতাকে নিয়েও আমায় সমানভাবে আজও ভালোবেসে যাবে?

এমন কি কেউ আছো----

যে আমার সকল গোপনীয়তাকে জানতে পেরেও আমায় একটি বারও অপমান করবে না?

একটিবারও দুঃখ দেবে না।

আমি সারারাত ধরে জোনাকির সাথে কথা কই,

আমি সারারাত ধরে আকাশের পানে তাকাই,

আমি সারাজীবন ধরে চেনাচেনা পথগুলোকে কেবলই হারাই,

আমি খুঁজে পাবো না জেনেও ধূসর বালুতটে মরচে পড়া স্মৃতির কানায় কানায় ফেলে আসা বাল্য জীবনের মুক্ত কে হাতরাই,

এক ঝাঁক তরুণ ডানা মেলেছিল আমাকে দেখে,

এমন কি কেউ আছো----

যারা বড় ভালোবেসে আমাকে নেবে ডেকে। 

কবিতা || পাপ || আবদুস সালাম

 পাপ




বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়ছে শূন্যতায়


ঢেউ বইছে জলহীন উপত্যকায়

বাতাসের নৌকা কুয়াশায় মুখ ঢাকে


আবেগ মেখে পর্বত ঘুমিয়ে যায়

পাহাড়ের গায়ে নিলাম হয় অক্সিজেন

টুপটাপ করে গড়িয়ে পড়ে জল

পায়ে পায়ে ঠিক চলে যাবো দন্ডকারণ্যে


বিষন্ন বিশ্বাস আত্মমগ্ন হয়

অভিমানী জীবন খুঁজতে থাকে জীবনের চিহ্ন

পাথর দিয়ে সেলাই করি জীবন

রক্ত বিশ্বাস নিয়ে হামাগুড়ি দেয় নীল ভবিষ্যত


ধ্বনিহীন প্রতিধ্বনিরা ছুটে চলেছে ঐক্য ভাঙার গ্রামে

গন্তব্যহীন মেঘেরাও ভয় পাই পাপি পাড়ায় যেতে

আমরা উৎফুল্ল হই

কবিতা || বিশ্বাস || চাতক পাখি

 বিশ্বাস



তোমার পথ 

পানে চেয়ে

একা আমি রই বসে।


তুমি আসবে তুমি আসবে

গন্ধ পাই 

আমার প্রশ্বাসে নিশ্বাসে।


তোমার পায়ের শব্দ

শুনতে যে 

ব্যাকুল কর্ন কূহর।


তুমি আসবে তুমি আসবে ,

তাই বুঝি মাঝি 

ভাসিয়েছে তরী সাগরেতে ফেলে নোঙ্গর।


আমি জানি ,

তুমি আসবে তুমি আসবে 

প্রভাতের রাঙা ফুল হয়ে।


আর ছড়িয়ে যাবে তা 

 সুগন্ধ হয়ে প্রভাতের আলোয়

আর বইয়ে যাবে তা সুখের আঁচড় দিয়ে।

কবিতা || শীত || আশীষ কুন্ডু

 শীত




শীত- উত্তর দাও- হিম পাহাড়ের 

তুষার ছৌ নাচছে যে শৃঙ্গ 

ভৈরবের পায়ের তলায় 

পরিযায়ী হাওয়ায় উড়ছে মিহি তুহিন 

ধ্যানমগ্ন মহাকাল আবছায়া আলোবনে! 

ভেসে আসে শীতল বাতাস ,

ধারাস্রোতে -সভ্যতার জনপদে!


শীত- উত্তর দাও- ঝরাপাতায় 

বৃক্ষেরা অবগুণ্ঠন খোঁজে 

একটু রোদের আশিয়ানায়!

রাতের আকাশ বেয়ে নামে কুয়াশা ,

মাটির বুকে শুয়ে থাকা শব্দেরা ঘুমোয়

ঘাসের গালিচায় জেগে থাকে-- 

তবু জীবনের স্পন্দন ।

কবিতা || মধুচন্দ্রিমা || অরবিন্দ সরকার

 মধুচন্দ্রিমা

        


অমাবস্যাপূর্ণিমা মুক্ত যাত্রাপথ

          এ স্বপ্নের উড়ান,

ভ্রমর ভ্রমরী চকিতে মধু চয়নে,

       ছোটাছুটি অবিরাম।

বিধবার বিচ্ছিন্নের পুনর্বিবাহ,

         মধুচন্দ্রিমা আবার,

জন্মদিন বর্ষ পালন একবার ,

        এটা হোক বারম্বার।

নক্ষত্রের আজন্ম নক্ষত্র পতন

     অর্থের সঙ্গে মোলাকাৎ,

বৈরাগী বোষ্টুমীর দ্বারে ভিক্ষা,

      মধুচন্দ্রিমা কুপোকাত।

ময়দানে ক্রিকেটে হাঁকে ছক্কা,

     বোষ্টুমীর ছক্কা লুডোয়,

গরীবের প্রতিদিনই একাদশী,

     উপোষে প্রাণ জুড়োয়।

গরীব মেয়ের তার পুনর্বিবাহে,

      চারিত্রিক বদনাম নষ্টা,

ধনীর রাণী আমদানি রপ্তানি

       উচ্ছিষ্ট মধুপানে ভ্রষ্টা।

টাকায় ঢাকা যায় মানসম্মান

       পাওয়া যায় আদর,

নির্ধন গরীবের স্বপ্ন মধুচন্দ্রিমা,

     আছে ইজ্জতের কদর।

কবিতা || দহন || মহীতোষ গায়েন

 দহন



দখিনা দুয়ারে আমি 

অম্লান যাযাবর এক,

মনের নক্ষত্র ঝরার পর 

সবুজ ঘাসের মাঝে অথবা 

জীবন সমুদ্রের মাঝে 

আমাকে খুঁজে নিও,

মেপে নিও হৃদয়ের ঢেউ 

বন্ধু বা শত্রু কেউ...।


সময় হারিয়ে গেলে

মরে যায় ভালোবাসা প্রেম,

চেনা সব পাখিরা অচেনা গান ধরে...

রাত্রি গাঢ় হলে আবারো ডুবে মরি

গভীর স্মৃতির দহন হ্রদে।

কবিতা || বিষ || তৈমুর খান

 বিষ




 সাপের চোখে চোখ রাখলে যেমন হয়

 তোমাকে বুঝেছি তেমনি।

 দূরে কোনো বিষণ্ণ সাঁতারে

 ডুবে যেতে যেতে

 পৃথিবী অন্ধকার!



 তোমার দ্বি-ফলা জিভ বেরিয়ে আসে জিভে

 শরীরে রতিক্লান্ত জ্বর…


 এই এতদিন পর বিষে-বিষে আমার নীলাভ সমাজ।

২১ তম সংখ্যার সম্পাদকীয়








সম্পাদকীয়:




ভালোলাগা এবং ভালোবাসা-এর মধ্যে যেমন অন্তর আছে, ঠিক তেমনি পত্রিকার লেখাগুলো পড়েছি এবং পড়ি কিংবা পড়ি তো এরমধ্যে যথেষ্ট অন্তর আছে কারণটা বলি World sahitya adda পত্রিকার আটটি সংখ্যা আটটি সপ্তাহে প্রকাশিত হয়ে গেছে কিন্তু পাঠক সংখ্যা বাড়ছে কই ? যদি সত্যিই সকলে পড়ছেন তাহলে মন্তব্য কোথায় হচ্ছে ? লেখা যে পড়েন তিনিই আসল সমালোচক এবং পর্যালোচনা কারি পাঠক। তাই সত্যতা এই, শুধু মুখে বলা আপনার পত্রিকা পড়ি আমার ভালো লাগে, সেটা শুধু বলা থেকে প্রতিটি লেখার নিচে মন্তব্য করায় ভালো, এতে বুঝবো হ্যাঁ আপনি সত্যি কারের পাঠক। তাই ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন। পড়তে থাকুন World sahitya adda এবং আমাদের পাশে থেকে একসাথে এগিয়ে চলুন।





                                  ধন্যবাদান্তে

              World sahitya adda সম্পাদকীয়

__________________________________________________

##Advertisement (বিজ্ঞাপন):


১)


___________________________________________________


২)





বইটি সরাসরি পেতে-- 6291121319


___________________________________________________

৩)




##উত্তরপাড়া,সিঙ্গুর এবং কোলকাতার বেহালায় এছাড়াও যে কোনো প্রান্ত থেকেই যেকোনো ক্লাসই অনলাইনে করতে পারবেন। 



এছাড়া কেউ যদি সরাসরি অফলাইন এ ভর্তি হতে চান যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-- 9330924937



__________________________________________________


৪)




___________________________________________________

৫)



##বইটি পাবেন- National Book house, Soma Book Store, Amor pustakaloy, Tarama Book Store , The Elegant publications(16B Sitaram Ghosh Street, kol 9.), 63no Saha book stall. এবং Amazon and Flipkart -এ।



##বইটি সরাসরি পেতে-- 9831533582 / 9433925262 দেবে।


________________________________________________

___________________________________________________


৬)


##ছাপানো জীবনী গ্রন্থের জন্য-লেখকের জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে।




" লেখকদের আত্মজীবনী" গ্রন্থ তৃতীয় খন্ডের জন্য, লেখকদের কাছে থেকে জীবনী সংগ্রহ করা হচ্ছে। আপনার মূল্যবান জীবনী 300 শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দেন। বইটি ছাপানো অক্ষরে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু কোন সৌজন্য কপি দিতে পারবে না।



বইটির সাথে সম্মানিক হিসাবে দেওয়া হবে।




1/ সাম্মানিক সার্টিফিকেট।* (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)



2/ "লেখক পরিচয়পত্র কার্ড"। লেখকের ছবিসহ সংক্ষিপ্ত পরিচয় বহন করবে। (বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।)




3/ সম্মানিত পদক (মেডেল)* {বাঙালি লেখক সংসদের পক্ষ থেকে।}



বইটির বুকিং মূল্য 300 টাকা দিয়ে কিনে, বাঙালি লেখক সংসদ কে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করতে হবে। ডেলিভারি সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে দিতে হবে না।




গ্রন্থের কভার পৃষ্ঠায় আপনার ছবি দিতে আগ্রহী হলে, যোগাযোগ করুন।


টাকা পাঠানোর একাউন্ট


শংকর হালদার


(1) ফোন পে 8926200021


(2) পেটিএম 8926200021


( 3) ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে। 





স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ( S.B.I.)


SANKAR HALDER


Account No : 34681068289


IFSC :SBIN 0015960




টাকা পাঠানোর পর রশিদের স্ক্রিনশট কপি করুন এবং জীবনী লেখা পাঠিয়ে দেবেন।


হোয়াইট অ্যাপস নম্বরে :-


 8926200021




যে কোন বিষয়ে যোগাযোগ :- শংকর হালদার শৈলবালা।  


মোবাইল :- 8926200021


বাঙালি লেখক সংসদ, দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।


______________________________________________



**বি.দ্র- বিজ্ঞাপন এর সব দায়িত্ব বিজ্ঞাপন দাতার।

Saturday, December 18, 2021

২১ তম সংখ্যার সূচিপত্র (৫২ জন)

সম্পূর্ণ সূচিপত্র:-





বাংলা কবিতা ও ছড়া---



তৈমুর খান, মহীতোষ গায়েন, অরবিন্দ সরকার, আশীষ কুন্ডু, চাতক পাখি, আবদুস সালাম, সুব্রত মিত্র, বিশ্বেশ্বর মহাপাত্র, নবকুমার, হরিহর বৈদ্য, সোনালী মীর, সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক, বিমান প্রামানিক, নীতা কবি মুখার্জী, নার্গিস পারভিন, নিমাই জানা, জাহির আব্বাস মল্লিক, কাজী রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ফরমান সেখ, অভিজিৎ দত্ত ।




বাংলা গল্প---


শ্যামল চক্রবর্ত্তী, আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস, সিদ্ধার্থ সিংহ, বর্ণা গঙ্গোপাধ্যায়, ইন্দিরা গাঙ্গুলি, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, রথীন পার্থ মণ্ডল, রঞ্জিত মল্লিক, বাহাউদ্দিন সেখ, সামসুজ জামান, ডঃ রমলা মুখার্জী।



বাংলা গদ্য তথা রম্য রচনা---

তৈমুর খান, সুজিত চট্টোপাধ্যায়, অরবিন্দ সরকার, প্রদীপ কুমার লাহিড়ী।



ইংরেজি কবিতা--

Sourav Bagchi, 
Namita Basu, Pavel Rahman.


Prose--

Kunal Roy


Photography---


Amit pal, Nilanjan de, Moushumi chandra, Sohini Shabnam, Dr Atef kheir.

Friday, December 17, 2021

স্টেট ব্যাঙ্কে ১,২২৬ অফিসার নিয়োগ || SBI new Recruitment 2022 || State Bank of India recruitment

 



*স্টেট ব্যাঙ্কে ১,২২৬ অফিসার*



কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া 'সার্কেল

বেসড অফিসার' পদে ১,২২৬ জন ছেলে মেয়ে নিচ্ছে।


যে কোনো শাখার গ্র্যাজুয়েট ছেলেমেয়েরা আবেদন করতে

পারেন। মাধ্যমিক পাশ প্রাক্তন সমরকর্মীরা আর্মি স্পেশাল

 সার্টিফিকেট অফ এডুকেশন বা, নেভি কিংবা এয়ারফোর্সের

 করেসপন্ডেন্স সার্টিফিকেট কোর্স পাশ হলে আর অন্তত ১৫

 বছর আর্মড ফোর্সে চাকরি করে থাকলেও যোগ্য। ইংরিজিতে

 লিখতে ও বলতে পারা দরকার। যে রাজ্যের শূন্যপদের জন্য

 দরখাস্ত করবেন, সেখানকার স্থানীয় ভাষায় লিখতে ও

 কথাবার্তা বলতে পারলে অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসাবে ধরা হবে।

 কোনো বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক বা, গ্রামীণ ব্যাঙ্কে অফিসার হিসাবে

 অন্তত ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।




বয়স:-  ১-১২-২০২১'র হিসাবে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে,

 অর্থাৎ জন্ম তারিখ হতে হবে ২-১২-১৯৯১ থেকে ১

 ৪১২-২০০০'এর মধ্যে। তপশিলীরা ৫ বছর, ও.বি.সি.'রা ৩

 বছর আর প্রতিবন্ধীরা ১০ (ও.বি.সি. হলে ১৩, তপশিলী হলে

 ১৫) বছর বয়সে ছাড় পাবেন। শুরুতে ৬ মাসের প্রবেশন। মূল



 মাইনে:-  ৩৬,০০০-৬৩, ৮৪০ টাকা।


মোট শূন্যপদ:-  ১.২২৬টি। এর মধ্যে আহমেদাবাদ

 সার্কেলে গুজরাট রাজ্যে ৩৫৪টি (জেনা: ১২২,

 ই.ডব্লু.এস. ৩০, ৩ঃজাঃ ৩৭, তঃউঃজাঃ ২৪, ও.বি.সি. ৮৭,

 ব্যাকলগ ৫৪)। এর মধ্যে প্রতিবন্ধী ১২)। 


বেঙ্গালুরু সার্কেলে কর্ণাটকে ২৭৮টি (জেনা: ১০০, ই.ডব্লু.

 এস.২৫, তঃজাঃ ৩৭, তঃউঃজাঃ ১১, ও.বি.সি. ৬৯,

 ব্যাকলগ ২৮)। এর মধ্যে প্রতিবন্ধী ১০)। ভূপাল সার্কেলে

 মধ্যপ্রদেশে ১৬২টি (জেনা: ৬০, ই.ডব্লু.এস. ১৫, তঃজাঃ

 ২৪, তঃউঃজাঃ ১১, ও.বি.সি. ৪০, ব্যাকলগ ১২)। এর

 মধ্যে প্রতিবন্ধী ৬)। ছত্তিশগড় ৫২টি (জেনা: ২৯, ই.ডব্লু.

 এস. ৫, তঃজাঃ ৮,তঃউঃজাঃ ৪, ও.বি.সি. ৪, ব্যাকলগ ২)।

 এর মধ্যে প্রতিবন্ধী

 ২)। চেন্নাই সার্কেলে তামিলনাড়ু ২৭৬টি (জেনা: ১০০,

 ই.ডব্লু.এস. ২৫, তঃজাঃ ৩৩, তঃউঃজাঃ ৪৪, ও.বি.সি. ৪৮,

 ব্যাকলগ ২৬)। এর মধ্যে প্রতিবন্ধী ১০)। জয়পুর সার্কেলে

 রাজস্থানে ১০৪টি (জেনা: ৪২, ই.ডব্লু.এস. ১০, তঃজাঃ ১৯, তউঃজাঃ ৫, ও.বি.সি. ২৪, ব্যাকলগ ৪)। এর মধ্যে প্রতিবন্ধী ৪।


এই পদের বিজ্ঞপ্তি নং: CRPD / CBO/2021-22/19. 


প্রার্থী বাছাই:-  প্রথমে অনলাইনে পরীক্ষা হবে জানুয়ারি মাস

 নাগাদ। তাতে সফল হলে স্ক্রিনিং টেস্ট ও ইন্টারভিউ। এই

 পরীক্ষায় অবজেক্টিভ টাইপের পার্টে ২ ঘন্টার ১২০ নম্বরের

 ১২০টি প্রশ্ন থাকবে এইসব বিষয়ে: (১) ইংলিশ ল্যাঙ্গোয়েজ

 ৩০ নম্বরের ৩০টি প্রশ্ন। সময় ৩০ মিনিট, (২) ব্যাঙ্কিং নলেজ

 ৪০ নম্বরের ৪০টি প্রশ্ন। সময় ৪০ মিনিট, (৩) জেনারেল

 অ্যাওয়ারনেস বা, ইকনমি ৩০ নম্বরের ৩০টি প্রশ্ন। সময় ৩০

 মিনিট। (৪) কম্পিউটার অ্যাপ্টিটিউট-২০ নম্বরের ২০টি প্রশ্ন।

 সময় ২০ মিনিট। এরপর ডেসক্রিপিটিভ টাইপের পার্টে ৩০

 মিনিটের ৫০ নম্বরের পরীক্ষা।


##লিখিত পরীক্ষা হবে পূর্ব ভারতের এইসব কেন্দ্রে :

 পশ্চিমবঙ্গে আসানসোল, দুর্গাপুর, গ্রেটার কলকাতা, হুগলি,

 কল্যাণী, শিলিগুড়ি। বিহার : আড়া, ঔরঙ্গাবাদ (বিহার),

 ভাগলপুর, দ্বারভাঙা, গয়া, মজঃফরপুর, পটনা, পূর্ণিয়া।

 ওড়িশা বালাসোর, বেরহামপুর (গঞ্জাম), ভুবনেশ্বর, কটক,

 ঢেঙ্কানল, রৌরকেলা, সম্বলপুর। অসমের ডিব্ৰুগড়, গুয়াহাটি,

 জোড়হাট, শিলচর, তেজপুর। ত্রিপুরার আগরতলা।

 মেঘালয়ের শিলং। মিজোরামের আইজল। ঝাড়খন্ডের

 বোকারো স্টিল সিটি, ধানবাদ, হাজারিবাগ, জামশেদপুর,

 রাঁচী।



##দরখাস্ত করবেন অনলাইনে, ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। 

এই ওয়েবসাইটে :

https://bank.sbi/careers

 https://sbi.co.in /careers 


এজন্য বৈধ একটি ই-মেল আই.ডি. থাকতে হবে। দরখাস্ত

 করার আগে প্রার্থীদের এইসব প্রমাণপত্র স্ক্যান করে নিতে

 হবে : (ক) পাশপোর্ট মাপের ফটো ও সিগনেচার, (খ)

 বুড়ো আঙুলের ছাপ (লেফট থাম্ব ইমপ্রেশন)। প্রথমে

 ওপরের ওই ওয়েবসাইটে গিয়ে যাবতীয় তথ্য দিয়ে

 সাবমিট করবেন। তারপর ফটো ও সিগনেচার আপলোড

 করবেন। 




##পরীক্ষা ফী --  ৭৫০ (তপশিলী ও প্রতিবন্ধীদের ফী

 লাগবে না) টাকা অনলাইনে জমা দিতে হবে। অনলাইনে

 টাকা জমা দিতে পারবেন ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বা,

 ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ে। টাকা জমা দেওয়ার আগে

 অনলাইনে টাকা জমা দেওয়ার পর ই-রিসিপ্ট প্রিন্ট করে

 নেবেন।


___________________________________________________






সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তিটি পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন--


https://worldsahityaadda.blogspot.com/2021/12/aiims-c-kalyani-aiims-recruitment-2022.html



_______________________________________________




সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তিটি পেতে নিচের লিঙ্কটি ক্লিক করুন---