Monday, October 18, 2021

কবি শ্যামল চক্রবর্ত্তী -এর একটি কবিতা

 করোনা তফাৎ খাঁটি বলে মরে


                  


করোনা তফাৎ খাঁটি বলে মরে।

হিন্দু-মুসলিম সবাই খাঁটি ওরে।

কেমন করে বলবে মরে,

খুলে দেখ ইতিহাসটা রে।

জটিল তত্ব আছে তারে ভরে।

হ্যাঁ ওরে বলো বাঙালি মরে।

জড়িয়ে আছে তারে সংস্কৃতি।

পরিধান কেন আচার-আচরণে।

ভাঙে ঘুম বাঙালির ব্রিটানিয়া বিস্কুট।

চুমুক চায়ে আরামকেদারায়।

বাসি হয়না ঐতো খবর আনন্দবাজার।

কেনো, গরম ভাতে ঘি ঐতো মনে পড়ে।

বলব কেন বিরিয়ানি, সুক্ত প্পোস্ত আছে তাতে।

জুড়ে আছে কত স্মৃতি ঐইতো সংস্কৃতি।

বাঙালির উৎসব আছে এক উৎসব,

পিঠে পুলি বলি কেন দুর্গা উৎসব।

মজার হুল্লোড়ে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে ।

নতুন পোশাকে মাতোয়ারা শৈশব ।

মজে মন বিহ্বলতায়, জাগে মন উৎসবে।

পৌড়ের মন যেন শৈশবে ওই হাসে।

পৌষে এলো পাটালী গঞ্জে গন্ধে মম করে।

মিষ্টি স্বাদে খেজুর রসে, শীতের আমেজ প্রাণভরে।

কথ্য ভাষা বাংলা বলে সহজ নাকি বাংলা বলা।

পরিধানে বাঙালিয়ানা পাঞ্জাবি ধুতি টা।

বারো মাসে তেরো পার্বণ সংস্কৃতি শেষ হবে না কখনো।


কবি ঋদেনদিক মিত্রো -এর একটি কবিতা

 গ্রামের বর্ষা  

  


ঝির ঝির ঝির ঝির,  

     টিপ টপ টিপ টপ,   

বর্ষা কেমন হচ্ছে দেখো --  

    পাড়ার মতির দোকান থেকে 

     আনো গরম চপ,   


চপের সাথে মুড়ি,  

      পাশে রেডিও খোলা,      

দেখবো চেয়ে যাচ্ছে ভ'রে   

       পুকুর,, মাঠ ও জলা,   


কাদা হচ্ছে, আরো হবে,  

       সহজ হয়ে আর যাবে না চলা,  


উঁচু দাওয়ায় মাদুর পেতে 

         বালিশ থুয়ে কথায় মেতে ---

          গল্পে বসে আড্ডা দেবো,  

      পারলে আনো দু চারিটা 

           ঘরের গাছের পাকা কলা,  


এতো বর্ষা, ডুবছে সবই, 

          আর যাবে না চলা!  


নিবিড় হাওয়ায় ঠান্ডা খানিক,  

   হঠাৎ প্রতিবেশী মানিক --- 

      একটু ভিজে এসে বলে -- 

        মা পাঠালো ডেকচি ভ'রে পিঠে,  

        বর্ষা কালে লাগবে ভালো,  

         আচ্ছা দাদা, বন্যা নাকি হবে শুনি, 

           কিন্তু --- কোন দিকে? 

           আচ্ছা, এখন ডেকচি রাখো, 

           পরে এসে নিয়ে যাবো, 

              এখন খেও পিঠে! 


সন্ধ্যে এলো পরে-পরে,  

    গ্রামের আলো জ্বলে,  

বাড়ি ফেরার তাগাদাতে ---

     যে যার মতন অন্ধকারে চলে,  


শিশুরা সব পড়তে বসে  

    মন বসে না পড়ায়,      

বর্ষার ছাট মাঝে-মাঝে   

    বইয়ের পাতা ভরায়,  


ভালোই হলো -- শিশুর মনটা  

     ভাবে --- বর্ষা দেখে --  

আনমনে সে একটু পড়ে, 

     আবার একটু লেখে,  


কল্পনাতে আশা করে -- 

   আগামীকাল পড়া হবেনা 

      আমার ইস্কুলেতে   

        বর্ষা এলে ছেপে,  


গুরুজনের নেই তাগাদা --- 

      পড়িস ভালো করে,    

বর্ষা নিয়ে হচ্ছে কথা --- 

       রেডিওটাকে ধরে,  


সংবাদ, গান, যাত্রাপালা  

      রেডিওটা-তে শোনা,   

এর সাথে টিভি কম্পিউটার -- 

      হয় কি গো তুলনা?  


রাত বাড়তে আসছে কানে  

     ঝিঁঝি পোকার ডাক,   

ডাকছে আবার কোথাও ব্যাং -- 

    উঠছে জমে রাত,  


কেউ বললো, কেন এলো 

    বিদ্যুৎ এই গ্রামে,   

কেন হলো ঢালাই রাস্তা --- 

     কে যে এসব আনে?  


তবুও আজো বেঁচে আছে  

     গ্রামের টুকু ছোঁয়া,   

দুদিন পরে থাকবে না তা-ও 

     সবই গেলো খোয়া,   


গ্রামের যে সেই পুরানো পথ  

     ছিল মাটি কাদা,   

দাওয়ায় এসে চাঁদ পড়তো -- 

     সামনে খড়ের গাদা,  


ঘরের ফোকোরেতে ঢুকে  

     পাখি করতো বাসা,   

সেই গ্রাম আজ যায় হারিয়ে,  

     নেইতো লাঙ্গল, চাষা,  


কেউ বললো, থিয়েটার যুগ  

     শেষ হয়েছে কবে,    

এসব কথা এই বরষায়  

     আসছে অনুভবে,  


বলতে-বলতে বর্ষা থামে  

     তবুও দু চার ফোঁটা --- 

পড়ছে তো বেশ মাঝে-মাঝে --- 

     হালকা হচ্ছে কথা,  


এর মধ্যেই হয়ে গেলো --- 

     কত আলোচনা!  

দেশ বিদেশের কথা এবং  

     মামলা মোকদ্দমা,  


এসব নিয়েই বর্ষা ও গ্রাম,  

     আলো আঁধার ছবি,    

বুঝবে যখন এর রূপ রস --- 

     হয়েই যাবে কবি! 


কবি মিঠুন রায় -এর একটি কবিতা

 কামহীন ভালোবাসা 



হৃদয়ে একটু আঘাত পেলেই

পরমান্ন হয়ে যায় পান্তা ভাত

উচ্ছিষ্ট স্তুপে জমা হয় সেই পরমান্ন।

আতর মাখা সুন্দরী মেয়েরা পরমান্ন পছন্দ করে না,

শুধু ভালোবাসে চাইনিজ ফুড আর বিদেশী রকমারী।


অধিক লোভে মুখ ফিরিয়ে রাখে পরমান্ন থেকেও,

শুধু মায়াবী রঙের ঝাপসা আলোয় ধাঁধা করে দুচোখ।

স্বর্গীয় সুখের লালসায় ঘৃণা করে কামহীন ভালোবাসাকেও

শুধু এক চিলতে ইন্দ্রপ্রস্থ দেখে লোভে পড়ে যায় সে।

হয়তোবা জানে না পরমান্নেই লুকিয়ে আছে মাতৃভূমির অম্লান স্মৃতি।

কবি কাজী রিয়াজউদ্দিন আহমেদ -এর একটি কবিতা

 প্রশ্ন



পাশের বাড়ির খুকু আমায়,বড়ই ভালো বাসে,

মাঝে, মাঝে, কথায় কথায় সে   

যে মুছ্কি হাসে।

প্রশ্ন করে বলতো চাচু, রক্ত কেন লাল?

বলতো দেখি, পাকলে পরে খসে কেন তাল? 

মানুষ কেন দু-পায়ে চলে, চারপা কেন গরুর?

ঘোড়া কেন ছুটতে থাকে, হাতির কেন শুড়?

গাই গরুতে দুধ দেয় কেন? ষাঁড়ের কেন নাই? 

মানুষ কত কথা বলে,পশু বলেনায়?

চারের পরে পাঁচ কেন?ছয় হলে কি হয়?

দশের আগে আট না হয়ে,হয় যে কেন নয়?

আপেল কেন নিচে পড়ে? রাতে কেন উঠে চাঁদ?

বর্ষাকালে ভাঙে কেন নদীর মস্ত বাঁধ? 

আমি বলি থাক, থাক,থাক কথা কে আর শোনে,

সব উত্তর দেব আমি শুয়ে রাতে ফোনে।

কবি জয়তী দেওঘরিয়া -এর একটি কবিতা

 বলে গেল না

                    


নিত্য দিনের মতোই 

বেরিয়েছিল ছেলেটা

কিন্তু আর ফিরল না!

একটা ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ 

সব ওলোট-পালোট করেদিল।

হয়তো সে সাবধানেই ছিল

নয়তো ছিল বেশ কিছুটা বেপরোয়া।

কোনোটাই অসম্ভব নয়।

সহযাত্রী আজ পাঞ্জা লড়ছে

মৃত্যুর সঙ্গে।

কানাঘুষো চলছে

একে অপরের সতর্কতায়।

কোন্ টা গুজব,কোন্ টা সত্যি

যাচাই এর সময় নাই।

সন্তানহারা জননীর 

আর্ত চিৎকারে

বিদীর্ণ হয় আকাশ-পাতাল। 

একসময় স্তিমিত হয়

আর্তবেদনার রোল,

অস্ফুট স্বরে শ্রুত হয়---

বলে গেল না!

কবি চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী -এর একটি কবিতা

 কালোমাছি বাছতে সাহস করিনি



একটি আমন্ত্রণ-পত্র ভোরের নরম আলোর মতো

আমার মুখ-মণ্ডল ছোঁয়

জীবনের প্রথম প্রেম পত্রটি হাতে পেলে নিজেকে

ঝর্ণার মতো গড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে।


আপনার নামের পাশে আমার কবিতাটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হবে, জেনে

কৃষ্ণ দর্শনে রাধিকার মতো পরম সুখে নেচে উঠে

আমার সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ।


শুধু জানিয়েছিলাম,উদর; অনুনয় বোঝে না

তাই ভয়ে ভাতের চালের কোন দিন কালোমাছি বাছতে সাহস করিনি।


মোড়-উন্মোচন হলো

সুজনের কাছ থেকে পত্রিকা চেয়ে চোখ রাখি

দেখি আমার কবিতা ছাপা হয়নি।


এমন আত্মতৃপ্তির খুশি,এর আগে

আমার উঠোনে কোন দিন সানাই বাজায়নি।

কবি সুমিত্রা পাল -এর একটি কবিতা

 কন্যা সন্তা

 



কন্যা, সেও তো বাবা-মায়ের এক সন্তান,

তবুও বিবাহের সময় তাকে করতে হয় দান।

জন্ম থেকে কত আদর যত্নে সে বড় হয়,

তবে কেন সে বিবাহের পরে বাবা-মায়ের নয়?

কন্যার সুখের জন্য চলে কত কিছু আয়োজন,

 মেটায় তার সব চাহিদা যা কিছু প্রয়োজন।

একটাই ইচ্ছা যেন তার মুখে হাসি থাকে সারাক্ষণ,

দুঃখের পরশ যেন না লাগে সুখে থাকে সারা জীবন।

কন্যার মুখের হাসি দেখে যারা জীবন কাটায়,

অথচ একটি বিবাহ বন্ধনে বুক খালি হয়ে যায়।

থাকে না আর তার প্রতি আর কোন অধিকার,

তাকে কাছে পেতে গেলে লাগে দিন ,ক্ষণ ,বার।

একদিন যে ঘর ভরে থাকতো হাসিতে খুশিতে,

কন্যা বধূ হয়ে সে খুশি নিয়ে যায় অন্যের ঘরেতে।

পড়ে থাকে শুধু তার রেখে যাওয়া স্মৃতি গুলো,

মেয়েকে খুঁজে পেতে মোছে বইয়ের বালি ধুলো।

সময় কাটাতে মেয়ের ভাঁজ করা জামা গুলো খোলে,

আবার নতুন করে ভাঁজ করে আলমারিতে তোলে।

ভুল করে নাম ধরে যখন তাকে আদর করে ডাকে,

হঠাৎ ভুল ভাঙে, মনে পড়ে ডাকলেও পাবেনা তাকে।

বুকের ভিতরটা ব্যাথায় কষ্টে দুমড়ে-মুচড়ে যায়,

কষ্টগুলো অশ্রু হয়ে চোখের কোণ দিয়ে বায়।

হৃদয় হয় উথাল পাথাল বোঝেনা তো কেউ,

ঘরময় রেখে যাওয়া স্মৃতি গুলো শুধু তোলে ঢেউ।

কবি পম্পা ভট্টাচার্য -এর একটি কবিতা

 মনের দহন




আমি মেতে উঠেছি সব শেষ করার নেশায়

জানি না কিসে হবো শান্ত

শেষ থেকে শুরুতে না শুরু থেকে শেষে।


আমি মেতে উঠেছি শেষ দেখার নেশায়

জানিনা কিসের জ্বালা

কোনো হিংসা না কোনো বিদ্বেষে।


আমি মেতে উঠেছি হার জিতের খেলার নেশায়

জানিনা কিসে খুশি হবো

জয়ে না পরাজয়ে।


আমি মেতে উঠেছি অক্ষত এক লড়াইয়ে

জানিনা কিসে স্থির হবো 

ক্ষয়ে না অক্ষয়ে।


আমি মেতে উঠেছি এক ধ্বংস লীলায়

যার নেই কোনো

সৃষ্টি স্থিতি লয়।


আমি মেতে উঠেছি অজানাকে জানার নেশায়

যার উত্তর হবে অনিশ্চিত

এক চরম বেদনাময়।


আমি মেতে উঠেছি শান্তি পাবার নেশায়

জানিনা সেই শান্তিতে 

কেউ সুখী না দুঃখিত।


আমি মেতে উঠেছি ভালোবাসা পাবার নেশায়

জানিনা আজও সেই ভালবাসা

জীবিত না মৃত।

কবি মিতা দাসপুরকায়স্থ -এর একটি কবিতা

 পুজো                 

        


ঝলমলে আকাশ সাগরনীল ছাপা শাড়ি গায়ে

লাল হলুদ কমলা আকাশী বিচিত্র রংবাহারে,

মন চেপেছে আজ ঐ সাদা তুলো মেঘভেলায়

ছুটবো দিক-দিগন্তে করোনা ঠেলে হেলাখেলায়। 


কষ্টগুলো আজ উদভ্রান্ত বেচাকেনার হাটে রংমহলে

পুজো মানে 'দেহি' 'দেহি' প্রবল উচ্চারণ হালআমলে ।

রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি

দেওয়া-নেওয়া আদান-প্রদান উৎকোচ স্তোত্রাদি ।


আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়ায় মনের পুজো অধ্যাত্ম দর্শন

ভগবান, দেবতায় রূপান্তরিত হবে মানুষ ধূলিমলিন,

অপার্থিব দর্শন গ্রহণে বিফলতা ধরণীর মানুষের

পার্থিব প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষায় স্বপ্ন ও ভালোবাসা তার ।

কবি শ্রাবণী মুখার্জী -এর একটি কবিতা

 বিনিময় 



একদিনের জন্য ও ভালোবাসো নি আমায় জেনেও... আজও তোমার মুখাপেক্ষী আমি ।

কেনো জানো ? এ যে মনের তারের সংযোগ ,,

হঠাৎ করেই জুড়ে যায় অগোচরে ।

তুমি আমায় ভালোবাসো নি বলে আমিও তোমায় বাসবো না.. এতো ব্যবসা !

তুমি দিলে আমি দেবো , না দিলে আমি ও দেবো না , ,ভালোবাসায় লেনদেন হয় না ।আমি করি না ,

তুমি ব্যবসা করবে ?? তাহলে মিথ্যেবাদী হতে হবে কিন্তু নইলে আমার মতোই হতে হবে নিঃস্ব ।

সর্বত্র সমাধিস্তম্ভ মাঝে ঠোক্কর খেতে খেতে ...কখন 

যে স্মৃতিচিহ্নগুলো বিরাট নাসুর আকার নেবে ..

বুঝতেই পারবে না ।

স্বার্থান্বেষী সমাজে একটুকরো নিখাদ ভালোবাসার কোনো মূল্য নেই ।তার থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান খোঁজো । ভালো থাকবে ।

সৌহার্দ্য বজায়ে হাত বাড়িয়ে ছিলেম আমি ,

শীতল জলটুপ আঙ্গিনায় রূপছায়ার কলকা ।বেগুনি রং এর শাড়িতে সোনা রঙের লহর ,কথার বিনুনিতে 

তাই আজ ও আমি সর্বহারা ।

কবি তাপস মাইতি -এর একটি কবিতা

 খবর 

      


সমস্ত রাগের ভার নিয়ে 

পুব -- দিগন্তে সূর্য উঠল ।


বাচ্চা -- মেঘেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে 

দলে দলে সৈন্যদের মতো তাদের 

দেহ সেখানে দিচ্ছে ফেলে ।


কারণ, কাল রাতে একটা শিশুর মতো 

সরল মেয়ে ধর্ষিতা হলে --- কেউ 

তার খবর তোলে নি ।


এখন আকাশের নীলের গায় 

ফুটে উঠছে তার সেই নাম ।

তার সেই নাম নিয়ে ওই দিবালোক 

চেঁচিয়ে গাঁ -- শুদ্ধু ঝড় ও 

বৃষ্টির তান্ডব করল শুরু ।


তবু , কিছুতে বাঁচল না মেয়েটা ! 

কবি ইউসুফ মোল্লা -এর একটি কবিতা

 কৃষকের মুখ




কৃষকের মুখ ছিল মিছিলের মাঝে

দু'বেলা মাঠে ঘাটে দিন কাটে

তবুও উপোস ছিল কী খাবে এই ভেবে



কৃষকের মুখ ছিল মিছিলের মাঝে

মন্ত্রীর ছেলে এলে দিতে হবে রাস্তা ছেড়ে

নাহলে চাকার তলায় মরতে হবে পিষে



কৃষকের মুখ ছিল মিছিলের মাঝে

রাজনীতি জানে না সে কীভাবে করে

তবুও পার্টির নেতা দরজায় কড়া নাড়ে



কৃষকের মুখ ছিল মিছিলের মাঝে

নেলসন ম্যান্ডেলা আর একবার এসো

কৃষকের ঘরে একবিংশ শতাব্দীর বেশে।

Sunday, October 17, 2021

কবি মায়া বিদ -এর একটি কবিতা

 শুভ বিজয়া



এসেছিলেন উমা, বছর পরে

   মর্ত্যধামে মায়ের ঘরে ।

পাদ্য-অর্ঘ্যে পূজিতা গৌরী

  ফিরলেন মা স্বামীর ঘরে ।


শারদ প্রভাতে মাতৃ পক্ষে

 হয়েছিল মায়ের আবাহন।

খুশির বন্যা বইয়ে মাগো

   দশমীতে মায়ের বিসর্জন ।


আসবে আসবে দুর্গা পূজো

    এটাই হয়তো ছিল ভালো।

হাসি - খুশিতে মাতিয়ে সবারে

      বিদায়ী সুরে ভরিয়ে তোলো ।


বছর, মাস, দিন, নিঘন্টের

      চললো আবার অপেক্ষার পালা ।

অধীর আগ্রহে রইবো বসে

       সাজিয়ে মায়ের বরণডালা ।