Friday, September 1, 2023

প্রবন্ধ || বাউল-প্রসঙ্গে লালন-কথা || শংকর ব্রহ্ম || Baul prosonge lalon kotha - Sankar Brhama || Article

বাউল-প্রসঙ্গে লালন-কথা


শংকর ব্রহ্ম



(এক).



          বাউল একটি বিশেষ ধর্মমত ও লোকাচার।  


এই বাংলার মাটিতেই এই মতের সৃষ্টি হয়েছে। লালন সাঁই(বাউলকূল শিরোমণি)-এর গানের মধ্য দিয়ে বাউল মত পরিচিতি লাভ করে। 


বাউল গান যেমন জীবন দর্শন সম্পর্কিত তেমনই সুরসমৃদ্ধ গান। বাউলরা সাদামাটা কৃচ্ছ্রসাধনার জীবন-যাপন করে আর একতারা বাজিয়ে গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ায়, গান শুনিয়ে একদিনের চলার মতো গ্রাসাচ্ছাদন সংগ্রহ হলেই তাদের চলে যায়। সাধারণ গৃহস্থের মতো আগামী কালের খাবার সংগ্রহে রাখা তাদের স্বভাব বিরুদ্ধ। 


২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে বাউল গানকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে।



     বাউল শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে নানামত প্রচলিত রয়েছে। বাউল শব্দের অর্থ অনেকে, অনেকে রকম করেছেন। 


          ক্ষিতিমোহন সেনের মতে , বাউল এসেছে ব্যাকুল শব্দ থেকে, কেননা বাউলরা আত্মানুসন্ধানে ব্যাকুল। তারা মুক্তপুরুষ, তাই সমাজের কোনো বাঁধনে তারা ধরা দেন না।



      এই কথার ধারণা মেনে নিয়ে একজন আবার লিখেছেন বায়ু+ল= বাউল। আরেকজন বলেছেন, হিন্দি শব্দ বাউর থেকে বাংলায় বাউল শব্দটি এসেছে।


           হরেন্দ্রচন্দ্র পাল ( আরবি-পারশি ভাষার পণ্ডিত) মনে করছেন ‘আউল’ ‘ওয়ালী’ শব্দ থেকে আউল বাউল শব্দের জন্ম।



ফকির দুদ্দু শাহ্ বলছেন- ‘যে খোঁজে মানুষে খোদা সেই তো বাউল।’ 


আবার কেউ বলছেন, বাউ+উল= বাউল; হচ্ছে বাতাস অনুসন্ধানকারী, সু বাতাসে যে চলে সেই বাউল।


    অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে ‘ঈশ্বরপ্রেমে মাতাল, বস্তুজ্ঞানবর্জিত, উদাসীন ভক্ত’-এই অর্থে বাউল শব্দ একাধিক বার ব্যবহৃত হয়েছে।


            অতিপ্রাচীনকাল থেকে বাউল শব্দটির প্রচলন লক্ষ করা যায়। আনুমানিক সপ্তদশ শতক থেকে বাউল নামের ব্যবহার ছিল বলে জানা যায়, চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থের আদিলীলা অংশে এর ব্যবহার লক্ষ করা করা যায়, চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে মহাপ্রভু, রামানন্দ রায় ও সনাতন গোস্বামীর নিকট কৃষ্ণ বিরহ বিধুর নিজেকে মহাবাউল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সেই থেকে অনুমান করা হয়, বাউল শব্দের উৎপত্তির কথা। বাউলের মধ্যে রয়েছে নানাবিধ শাখাপ্রশাখা, একেক সম্প্রদায়ের বাউলেরা একেক মত অনুযায়ী চলে , সেগুলো তাদের সম্প্রদায় ভেদে ধর্মীয় উপাসনার একটি অংশ হিসাবে বিচার্য হয়।


      বাউলেরা উদার মানসিকতার ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধর্মসাধক। তারা সর্বদা মানবতার বাণী প্রচার করে থাকেন। 


বাউল মতবাদের সঙ্গে বৈষ্ণবধর্ম এবং সূফীবাদের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। 


বাউলরা সবচেয়ে গুরুত্ব দেয় আত্মাকে। 


তাদের মতে আত্মাকে জানলেই পরমাত্মা বা সৃষ্টিকর্তাকে জানা যায়। আত্মা দেহে বাস করে, তাই তারা দেহকে পবিত্র জ্ঞান করে। 


সাধারণত প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও, বাউলরা জীবনদর্শন সম্পর্কে অনেক গভীর কথা ভাবেন, এবং তা প্রকাশ করেন গানের মধ্য দিয়ে।


   বাউল সাধকদের শিরোমণি ফকির লালন সাঁই। লালন তার বিপুল সংখ্যক গানের মাধ্যমে বাউল মতের দর্শন এবং অসাম্প্রদায়িকতার প্রচার করেছিলেন। বাউল সমাজে তিনি "সাইজিঁ" ও তার গান "সাইজিঁর কালাম" হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও বাউল কবিদের মধ্যে জালাল খাঁ, 


রশিদ উদ্দিন, হাছন রাজা, রাধারমণ, সিরাজ সাঁই, পাঞ্জু সাঁই, পাগলা কানাই, শীতলং শাহ, দ্বিজদাস, হরিচরণ আচার্য, মহর্ষি মনোমোহন দত্ত, লাল মাসুদ, সুলা গাইন, বিজয় নারায়ণ আচার্য, দীন শরৎ (শরৎচন্দ্র নাথ), রামু মালি, রামগতি শীল, মুকুন্দ দাস, আরকুম শাহ্‌, সৈয়দ শাহ নূর, শাহ আব্দুল করিম, উকিল মুন্সী, চান খাঁ পাঠান, তৈয়ব আলী, মিরাজ আলী, দুলু খাঁ, আবেদ আলী, উমেদ আলী, আবদুল মজিদ তালুকদার, আবদুস সাত্তার, খেলু মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, আলী হোসেন সরকার, চান মিয়া, জামসেদ উদ্দিন, গুল মাহমুদ, প্রভাত সূত্রধর, আবদুল হেকিম সরকার, আবুল কাসেম তালুকদার, বাউল সুনীল কর্মকার, ক্বারী আমীর উদ্দিন আহমেদ, ফকির দুর্বিন শাহ, শেখ মদন, দুদ্দু সাঁই, কবি জয়দেব, কবিয়াল বিজয় সরকার, ভবা পাগলা, নীলকণ্ঠ, দ্বিজ মহিন, পূর্ণদাস বাউল, খোরশেদ মিয়া, মিরাজ উদ্দিন পাঠান, আব্দুল হাকিম, আলেয়া বেগম, দলিল উদ্দিন বয়াতি, মাতাল রাজ্জাক, হালিম বয়াতি, মালেক দেওয়ান, খালেক দেওয়ান ও আক্কাস দেওয়ান, মনির দেওয়ান প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।



(দুই).



            সময়ের এই জটিল সন্ধিক্ষণে, যখন সারা পৃথিবী জুড়ে জাতিগত বিদ্বেষ সম্প্রসারণের পথে দ্রুত ধাবিত , তখন যার কথা খুব প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে, তার নাম মহাত্মা 'লালন ফকির'। তাঁর জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা ও ভাবনার সময় এসেছে আবার নতুন করে।



            লালনের জন্মবৃত্তান্ত কুহেলিকাময়। তাঁর 


জীবন সম্পর্কে বিষদ কিছু জানা যায় না।


তিনি নিজেও জীবদ্দশায় এ'বিষয়ে আলোচনায় খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। শিষ্যরা এ'বিষয়ে তার কাছে বেশী কিছু জানতে পারেননি। তবে তাঁর সম্পর্কে যায় শোনা যায়, তিনি অবিভক্ত বাংলার ঝিনাইদহ জেলার, হরিণাকুন্ড উপজেলার হবিশপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।


          কোন কোন লালন গবেষক মতে, কুষ্টিয়ার কুমীরখালি থানার চাপড়া গ্রামে তাঁর জন্ম। লালনের জন্ম কেউ বলেন - ১৭৭২ সালে, আবার কেউ বলেন ১৭৭৪ সালে। তার মৃত্যু হয় ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর। আবার কেউ বলেন, ১৮৯১ সালের ১৭ই অক্টোবর।


      লালন নিজে একজন স্বনাম ধন্য মানুষ ছিলেন। কবিগুরু তার গান ও নাম প্রচারের আলোয় আনেন। তিনি তার গানের মানবিক ভাব দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে প্রায় দেড় শতাধিক গান রচনা করেন। তিনি লালনের কথা বারবারই নানা আলোচনায় প্রকাশ করেছেন।


মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ,সত্যেন্দ্রনাথ, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে লালনের পরিচয় ছিল। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ লালনের একটি প্রতিকৃতি আঁকেন। সেটা আজও রক্ষিত আছে। নন্দলাল পরবর্তীকালে লালনের একটি স্কেচ আঁকেন। সেটি বহুল প্রচারিত।


     


         কেউ বলেন,নতার পদবী দাস, কেউ বলেন সেন, কেউ বলেন কর, আবার কেউ বলেন তার পদবী শাহ ছিল। কেউ বলেন তিনি হিন্দু, কেউ আবার বলেন তিনি মুসলমান ছিলেন। লালন নিজে অবশ্য তাকে ফকির বলে পরিচয় দিতেন।


" সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে?


লালন বলে,জাতের কি রূপ দেখলাম না এই নজরে,


ছুন্নত দিলে হয় মুসলমান,নারী লোকের হয় কি বিধান?


বামুন চিনি পৈতায় বামনী চিনি কি দেখে?


কেউ মালা কেউ তসবির গলে, তাই দেখে জাত ভিন্ন বলে . . . "



  শোনা যায়, তিনি একবার বাউল দাসের সঙ্গে তীর্থ ভ্রমণে বার হন, পথের মধ্যে তার গুটিবসন্ত রোগ হয়। মারত্মক আকার ধারণ করে, তার শ্বাস ক্ষীণ হয়ে আসে, তখন তার নাড়ি পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে, সহ-তীর্থযাত্রীরা তখন তাঁকে মৃত ভেবে নদীতে ভাসিয়ে দেন। এবং তারা গ্রামে ফিরে এসে বলেন, পথের মধ্যে লালন বসন্ত রোগে মারা গেছেন।


 অলৌকিক ভাবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান।


        যখন তিনি নদীতে ভেসে যাচ্ছিলেন, তখন তাকে দেখতে পান এক সাত্ত্বিক প্রকৃতির মহিলা (জাতে মুসলমান তাঁতী) নাম মতিজান। তিনি সন্তানহীনা ছিলেন। আল্লার কাছে প্রতিদিন সন্তানের কামনা করতেন। তিনি তাঁকে আল্লার দান মনে করলেন। তিনি যখন তাকে দেখেন,


তার দেহ পঁচাগলা অবস্থায় ছিল।তিনি তাঁকে তুলতে ভরসা পেলেন না। তিনি তার স্বামী মলম শাহকে ডেকে আনলেন, রমলম শাহ তাঁকে কলাপাতায় করে তুলে ঘরে নিয়ে এলেন। তিনি জড়িবুটির চিকিৎসা জানতেন। তার আর তার স্ত্রী মতিজানের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রাণপন সেবা যত্নে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্ত তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়। তাঁর নাম রাখার জন্য নাকি মলম শাহ কোরাণ হাদিস এনে জড়ো করলে, মতিজান বলেন, এ'সব দিয়ে কি হবে? মলম শাহ বললেন, নতুন অতিথির নাম রাখা হবে।


মতিজান বলল, আমি ওকে লালন পালন করেছি যখন, তখন ওর নাম হবে - লালন।


মতিজানদের পরিবারের গুরু ছিলেন সিরাজ সাঁই। সেখানেই তাঁর সাথে পরিচয় হয় লালনের।


         সুস্থ হয়ে উঠে কিছুদিন সেখানে থাকার পর তিনি নিজের বাড়িতে ফিরে যেতে চাইলে, মতিজান বলল, 


হ্যাঁ বাপ, তুমি তোমার বাপ মায়ের কাছে ফিরে যাও।


দেখো তোমায় ফিরে পেয়ে তারা কত খুশি হবেন।


লালন সেইমত নিজের গ্রামে ফিরে আসেন। কিন্তু তার মা পদ্মাবতী দেবী, (বুক ফেটে গেলেও) সামাজিক প্রতিবন্ধকতার দায়ে, তাকে ঘরে তুলতে পারেননি। তার স্ত্রী তার সহগামী হতে চাইলেও সমাজপতীদের বাঁধায়, তা হতে পারেননি।নফলে, লালন মনে মনে ভীষণ আঘাত পান, পরে সন্যাসী হয়ে নানা স্থানে ঘুরতে ঘুরতে কালীগঙ্গার ধারে ছেঁউড়িয়া গ্রামে একটি বটগাছের নীচে অধিবেশন করেন। এই গ্রামের মলম শাহ একজন স্বাতিক প্রকৃতির মানুষ ছিলেন( সেই মলম শাহ,যিনি তার পঁচাগলা দেহ উদ্ধার করে তাতে প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন)। তিনি সেই বটতলা থেকে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামী স্ত্রী দু'জনে মিলে ভক্তি ভরে তার সেবাযত্ন করেন। এমন কি নিজের জমিজমা তার নামে লিখে দেন। তারা নিজেরা তাঁর আশ্রমের বাসিন্দা হিসাবে সেখানে বসবাস শুরু করেন। সেখানে কালে কালে তার অনেক শিষ্য জুটে যায়।


         লালনের আশ্রমে আম জাম কাঠালের গাছ ছিল।বালকেরা ইচ্ছে মতো সেই বাগানের ফলমূল খেতো, লালন কখনই তাতে বিরক্ত হতেন না। তার আশ্রমের জমি লাখোরাজ ছিল। ইহা রবীন্দ্রনাথের অবদান। পরবর্তী কালে প্রয়োজনে তার কিছুটা বিক্রি করে চার বিঘার উপর নতুন আশ্রমটি গড়ে তোলা হয়। এক মুসলমান তাঁতীকে বিয়ে করেছিলেন, কিন্তু তাকে লোক চক্ষুর আড়ালে রাখতেন।


       শোনা যায় তিনি খুব পান খেতেন, দিনে শতাধিক। তাঁর জন্য একজন শিষ্য সারারাত ধরে মিহি করে সুপারী কাটতেন। তাঁর জন্য নাকি একটা পানের বরোজ ছিল। সেখানে কখনও তিনি কাজ করতেন, কোন কাজে


তার হীনমন্যতা ছিল না।


      তার আশ্রমে মণিরুদ্দীন নামে একজন পন্ডিতব্যক্তি পাঠশালা চালাতেন। আর লালন একটি জলচৌকিতে বসে গান করতেন। জলচৌকিটি এখনও আশ্রমে সংরক্ষিত আছে। মোট তিনি ২৮৮ টি গান রচনা করেছেন। সবগুলির সুর দিয়ে যেতে পারেননি। তিনি দেখতে সুপুরুষ ছিলেন।


তার একটি ঘোড়া ছিল। তিনি ঘোড়ায় চড়ে দূরের শিষ্যদের বাড়িতে যেতেন। পন্ডিত মণিরুদ্দীন এই ঘোড়ার সহিস ছিলেন।


লালনের গান রচনা শেষ হলে, তিনি পরের দিন সকালে তার শিষ্যদের তা ডেকে শেখাতেন। আবার সন্ধ্যাবেলা বসতেন সেই গান নিয়ে। শিষ্যদের কাছে তা শুনতে চাইতেন। কেউ কোন ভুলচুক করলে তাকে শংকর মাছের চাবুক দিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে প্রহার করতেন, তাতে কারও কারও গা কেটে যেতো।


        লালন নিজে বেশী দূর লেখাপড়া করার সুযোগ পাননি। কিন্তু তার গানে মেধা ও মননশীলতার কোন ঘাটতি ছিল না।


  " তারে ধরতে পারলে মনবেড়ি দিতাম পাখির পায়,


খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়।"


কিংবা,


" কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ


যে রে?


হারায়ে সেই মানুষে খুঁজে বেড়াই দেশ বিদেশ . . . "


 


        এই ধরণের বহু জ্ঞানগর্ভ গান তিনি রচনা করেছেন।


  তাঁর তেরোজন শিষ্য ছিল, তাদের মধ্যে প্রায় সকলেই ধনী ও শিক্ষিতব্যক্তি ছিলেন। তারা সকলেই সংসারী ছিলেন। স্ত্রী সহবাস করতেন, কিন্ত স্ত্রীগর্ভে বীজ বপন করেননি। তাদের মিলন উর্দ্ধগমী পদ্ধতিতে হতো। একসময় তারা সকলে ঘর বাড়ি ত্যাগ করে এসে আশ্রমে কঠোর অনুশাসনের মধ্যে কাটাতেন। তাদের মধ্যে মলম শাহ, ভোলা শাহ, মণিরুদ্দীন শাহ, ভাঙুরানী ফকিরানী উল্লেখযোগ্য।


         লালনের গান ও দর্শনদ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন, স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, এলেন গীন্সবার্গ (আমেরিকান কবি), তিনি তাঁকে নিয়ে After Lalon নামে একটি কবিতা লেখেন।


        ১৯৬৩ সালে তার ছেউড়িয়া আখড়া ঘিরে 'লোক সাহিত্য কেন্দ্র ' প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৮ সালে তার বিলুপ্তি ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় 'লালন একাডেমী'। তার মৃত্যুদিনে ১৭ই অক্টোবর ' লালন স্মরণ উৎসব' - এ দেশ বিদেশের ভক্তরা এসে উপস্থিত হন। এখন উৎসব চলে পাঁচদিন ব্যাপী।


       লালনকে নিয়ে নাটক লেখা হয়েছে,


'উত্তর লালন চরিত', ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়ে খুব সুনাম অর্জন করেছিল। তাকে নিয়ে উপন্যাস লেখা হয়েছে। রঞ্জিত কুমারের লেখা উপন্যাস,


'সেন বাউল রাজারাম', সুনীল গাঙ্গুলীর 'মনের মানুষ'। রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাস 'গোড়া'-র শুরু লালনের গান দিয়ে-' খাঁচার ভিতর অচিন পাখি


কেমনে আসে যায়।'


সুনির্মল বসু ' লালন ফকিরের ভিটে ' নামে একটি ছোটগল্প লিখেছন। শওকত ওসমান লালনকে নিয়ে ছোটগল্প লিখেছেন, 'দুই মুসাফির'। 


   লালনকে নিয়ে সিনেমাও হয়েছে। ১৯৭২ সালে সৈয়দ হাসান ইমাম পরিচালনা করেন ' লালন ফকির'। 


শক্তি চট্টোপাধ্যায় ১৯৮৬ সালে ওই একই নামে একটি ডকুমেন্টারী ছবি করেন। তানভির মোকাম্মেল ১৯৯৬ সালে তথ্যচিত্র করেন 'লালন' নামে। এটি জাতীয় পুরস্কার পায়। ২০১০ সালে সুনীল গাঙ্গুলীর উপন্যাস অবলম্বনে গৌতম ঘোষ নির্মান করেন, 'মনের মানুষ', যা ওই বছর ' জাতীয় সেরা পুরস্কার পায়। ২০১১ সালে মুক্তি পায় হাসিবুর রেজা কল্লোল পরিচালিত ' অন্ধ নিরাঙ্গম'।


       গান্ধীজীর আগেই তিনি মহত্মা উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন। তাকে বাউলদের জনক বলা হয়। উনিশ শতকে তিনি বাউল গানকে জনপ্রিয় করে তোলেন। অধিকাংশ বাউলরাই তাকে ভক্তি শ্রদ্ধার চোখে দেখেন।


তিনি ১১৬ বছর বেঁচে ছিলেন। শেষদিকে তিনি চলাফেরা করতে পারতেন না। পেটের অসুখে আর বাতের ব্যথায় ভুগতেন। তার খাদ্য ছিল শুধু দুধ। তিনি সে সময় খুব মাছ খেতে চাইতেন।


    তিনি ধর্ম ও লিঙ্গ বৈষম্যের বিরোধী ছিলেন। ধর্ম ও ঈশ্বর নিয়ে তাঁর গানে,নানা প্রশ্ন তোলায়, ধার্মিকরা তাঁকে ঘৃণা করতেন, কাফের ভাবতেন। সাম্প্রদাযিক ধর্মবাদীরা তাকে অসাম্প্রদায়িক বলে নিন্দা করতেন।


        তাই আজ লালন প্রাসঙ্গিকতা আরও বেশী

 করে প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে এই জটিল সময়ের প্রেক্ষাপটে।











গল্প || রীনা কে বলে দিও উৎপল দা || উৎপল মুখার্জী || Rina ke bole dio utpal da- Utpal Mukherjee || Bengali story || Short story

রীনা কে বলে দিও উৎপল দা

               উৎপল মুখার্জী


"হেরে গেছি আমি, জিতলে তুমি, হলো তো তর্কের বিনাশ" - রাগে গজরাতে গজরাতে বলতে থাকে রীনা, হারধন কে। 

সুন্দর সংসার তাদের, একটি মাত্র ছেলে, অত্যাধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যেই ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়াশোনায় ক্লাস দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। 

পাড়ায় সব চাষীভূষা, আধুনিকতা ছাপ বড়োই কম, রীনা যা হোক করে টেনে টুনে মাধ্যমিকের দোরগোড়ায় পৌঁছেছিল বটে কিন্তু শিক্ষার অশিক্ষায় প্রতিশ্রুতির বন্যায় হতাশার কিশোরী, যৌবনের মাধূরী বেলা হঠাৎ এসে উপস্থিত। তারপর ই ঢাক ঢোল পিটিয়ে ,গ্ৰামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, হারাধনের বিয়ে, -কোতুলপুরে রায় বংশের তখনকার দিনে বি. এ পাশ করা চাকরি করা সাতাশ বছরের ছেলের সাথে আঠারো বছরের রুইদাস পরিবারে মদন মুচির মেয়ে রীনার সাথে বিয়ে হয়ে গেলো। 

বেশ কিছু মাস সংসার জীবন কাটতে না কাটতে শুচিবাই শাউরীর সাথে মনোমালিন্য ঘটলে, হারাধন অন্য জায়গায় বসবাসের ব্যবস্থা করে। জাতের ধর্ম অনুযায়ী সমাজের আটপৌরে আধুনিকতার চাক চিক্কন রীনার চোখে ধরা পড়ে, স্বামীর বেতনের পয়সা জমিয়ে, সোনার একটা ২ভরির হার, দুটো বাউঠি , দুটো সোনার চুরি , দুজনের দুটো পুরুষ্ঠ আংটি গড়িয়ে, বর্তমানে ছেলের একটা রূপার তক্তি বানিয়ে তবেই হয়েছে ক্ষান্ত। 

পিছনের বৎসরের গাজনে, ইটভাটার মালিকের ঘরে কাজ করতে গিয়ে শুনেছিল, ফর্সা কাকীমা, ইট ভাটা মালিকের বৌ, রত্না দাস, তাঁর ছোট ছেলেটার মুখে ইংরেজি কথার বন্যা বাংলার ভূমে পাখ পাখালি নিঝুম হয়ে শুনছে, অপরদিকে কাকের কর্কশ স্বর ইমারতি বিল্ডিং এ, বিদ্রুপ করে জানান দিচ্ছে , এ কি হলো রে, বাংলা যাদের মাতৃভাষা, তা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলে পরের দেশের ভাষার তর্জনির চাপে, ফর্ সাকাকীমাকে স্তব্দ করে দিয়েছে, যার মানে বোঝায় যা ....তা... ! 

কাকীমা গর্বের সঙ্গে বলে," দেখ, ইংরেজি শিক্ষার দাম কত? 

সেই থেকে শখ করেই বাবা বাংলা মাধ্যমে শিক্ষক হলেও খোকন কে বা রীনার ছেলেকে, কলকাতার দামী ইংরেজি স্কুলে নার্সারিতে আবাসিকে ভর্তি করে এসেছে, তাই আজ তাঁর আনন্দের সীমা নেই, ছোট শিশু স্বপ্নের কলকাতা দেখবে, দেখবে ভারী যানবাহন, দেখবে মাটির তলায় রেল, আকাশে উড়োজাহাজ, বড়ো নদী, গঙ্গায় স্ট্রীমারের যাতায়াত ইত্যাদি...ইত্যাদি! 

হারাধন, আমার ই বন্ধু, এক ই স্কুলের মাস্টার। সে আমাকে সব কিছু বলে, কোন সুখ দুঃখের কথা চেপে রাখে নি, তাঁর বিয়ের কথায় বলেছিল, যে রীনা, হারাধনের ঘরের কাজের লোক , সেই রীনার উত্তেজনা র সুড়সুড়ি তে পা মেলাতে গিয়ে ই হারাধন কুপোকাত, তখনই জীবন যৌবনে জড়িয়ে পড়ে কোন এক ফাঁকা ঘরের আওয়াজ,- পেটে রীনা র আসে অপত্য। রীনা মুচিদের মেয়ে। পাড়া জানাজানি হওয়ার আগেই হারাধনের বাবা, মদনকে বলে বিয়ে দিয়ে দেয় তাঁর ছেলের সাথে, এতে পাড়ার পার্টি দাদারা কমিশন না পেয়ে গোটা গ্ৰাম কেই জানাজানি করে, বিশেষ ভাবে রীনার প্রথম ছেলে, খোকনের জন্মের ইতিহাস প্রচারের আলোকে , কোন এক অবৈধ সময়ের। খোকন কে -" বেধো "- ছেলে বলতে ও দ্বিধা রাখে নি, তাই তাড়াতাড়ি ছেলে পুর্নাঙ্গ রূপে পরিনত হওয়ার আগেই কলকাতায় স্থানান্তর। চিন্তার আধারে ই ছেলে কে গতকালই দিয়ে এসেছে টালিগঞ্জের জর্জ মেরিমাস স্কুলে। 

বাপ- মা কে ছেড়ে থাকতে হবে জেনে খুবই দুঃখে ছিল খোকন। 

দুর্গা পূজার ছুটি তে আবার তারা নিয়ে আসবে জানায়, কিন্তু তাঁর মনের অন্দরের কষ্ট সে ছাড়া কে জানবে? 

প্রায় একমাস হয়ে গেল, প্রতি পনের দিন অন্তর হারাধন কলকাতা যাই, মিশনে দেখে বেশ তাঁর ছেলে সবার সাথে মানিয়ে নিয়েছে, শুধুমাত্র তাঁরাই, রীনা- হারাধন তাদের ঘরে দুশ্চিন্তা ভোগ করে। একদিকে সংসারে উপদেষ্টা র অভাব, হারাধনের বাবা -মা কাছে থাকতেও ভ্রুনাক্ষরে খবর নেয় না, অপর দিকে রীনার বাক্যবাণে কেউ তাদের কাছে আসতে পারে না! গোটা গ্ৰামের মানুষ হারাধন কে স্বার্থন্বেষী ছেলে বলে। 

সেদিন সোমবার, হারাধন স্কুলে, হঠাৎ কলকাতা থেকে ফোন আসে, "আপনার ছেলের রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটেছে", - তাড়াতাড়ি আসবার চেষ্টা করুন, ভালো আছে চিন্তা করবেন না "! 

হারাধন শুনেই চমকে উঠে, বাড়ি যাবার সময় না হলে ওখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে টালিগঞ্জের সেই বিশেষ ঠিকানা জর্জ মেরিমাস বিদ্যালয়ের দিকে প্রস্থান করে, পরে সে আমাকে জানায়, "খোকন গাড়ি চাপায় মারা গেছে, পোস্টমর্টেমে চলে গেছে, রীনা কে বলে দিও, উৎপল দা....।

গল্প || রক্ত || প্রদীপ সেনগুপ্ত || Rokto - Prodip sengupta || Bengali story || Short story

 রক্ত

প্রদীপ সেনগুপ্ত 



হারু মন্ডলের আদি বাড়ি কোথায় ছিল কেউ জানে না, তবে হারু মন্ডলের বাপ গোসাবায় অনেকটা জমি কিনে বাড়ি, পুকুর সবই করেছিল। সেই বাড়িতে এখন শুধু হারু মন্ডলই থাকে, সাথে গোলক দাস - হারু মন্ডলের খাস লোক। গোলকের বয়স আশি পার করলে কি হবে, গায়ে এখনো বেশ শক্তি ধরে। কত্তা হারু মন্ডলও একশ' ছুঁই ছুঁই। 

হারু মন্ডলের তিন ছেলের একজনও বেঁচে নেই। সবাই কেমন ষাট পার করার আগেই চলে গেল। অথচ এই বংশে হারু মন্ডল পর্যন্ত সবাই তো একশ ছুঁয়ে গেছে। হারু মন্ডলের বাপ না কি একশ' পাঁচ বছর বেঁচে ছিল। ওর দুই ভাই পঁচা নব্বই পার করে গেছে। শুধু ছোট ভাইটার খবর জানা নেই। ওকে বাপে ত্যজ্য পুত্তুর করেছিল। আসল কথাটাই তো বলাহয় নি, মন্ডলদের ব্যবসা ছিল চুরি করা। হারু মন্ডলের ছোট ভাই বেঁকে বসেছিল চুরি করবে না বলে। তার বাপ তাকে জুতো পেটা করে তাড়িয়েছিল। তারপর সেই ছেলের কোন হদিস পাওয়া যায় নি। শোনা যায়, কলকাতায় গিয়ে নাকি স্বদেশীদের দলে নাম লিখিয়েছিল। 

ছেলেটার নাম ছিল পরী। মেয়েদের মত না কি দেখতে ছিল ছোট বেলায়! 

সেই ছেলেই ' চুরি করতে পারব না ' - বলে বেঁকে বসেছিল বলে বাড়িতে জায়গা হয় নি। 

হারু মন্ডল তার খাস লোক গোলককে নিয়ে ভালোই আছে। তার বংশধরেরা আর কেউ জাত ব্যবসায় থাকে নি। এদিক ওদিক মিলিয়ে সাত নাতি আর একটি নাতনি, সবার কোলকাতাতেই বাস , তবে তারা কিন্তু গোসাবার বাড়িতে মাঝে মধ্যেই বেড়াতে আসে। গোলক একদিন বলেছিল, 

' কত্তা, আপনার নাতি নাতনি কিন্তু আপনার খোঁজ খবর নেয়। '

হারু মন্ডল হাসে, বলে -

' আমার খোঁজ নিতে থোড়াই আসে, ওরা জানে আমার কাছে এমন একখান বস্তু আছে - যা' সাত রাজার ধনের মত।'

গোলক হাসে, 

' সেটা ওদের দিয়ে দিলেই হয়, সবাই সমান ভাগ করে নি তো। '

হারু মন্ডল শুকনো হাসে, 

' সেই অধম্ম আমি করতে পারব না রে। আমি খবর পেয়েছি, আমার ভাই পরীর ছেলে আছে - নাতি আছে। ওদেরও তো দাবি আছে জিনিষটায়। এরা হাতে পেলে - তাদের ভাগ্যে কিচ্ছুটি জুটবে না। তবে, এ' বাড়ি,জমি জমা আমি রাখব না। বেঁচে দিলে অনেক টাকা পাব। তারপর সেই টাকায় কোলকাতায় একটা ছোট বাড়ি কিনে বাকি টাকার সুদে চলে যাবে আমার। তারপর মরলে পরে সেই টাকা ওরা ভাগ করে নেবে। শুধু দুই ভাগ তোর কাছে থাকবে। পরীর ছেলে বা নাতি - কেউ এলে দিয়ে দিবি। 

সে'দিন রাতে বেশ বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হঠাৎ সদর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। গোলক দৌঁড়ে দরজা খুলতেই দেখে, একজন অল্প বয়সী ছেলে - ভদ্রলোকের ছেলে বলেই মনে হল। ছেলেটা কাচুমাচু হয়ে বলল, 

' ওষুধ ফেরি করি। বাজারের কাছে ডাক্তারবাবু কাছে এসেছিলাম, দেখি ডাক্তারখানা বন্ধ - আর বৃষ্টিটাও নেমে এল... '

গোলক বলল, 

' ঠিক আছে, ভিতরে বস। বৃষ্টি ধরলে যেও খন। '

হারু মন্ডল গোলককে জিজ্ঞাসা করল, 

' কে এল এই বৃষ্টি বাদলায়? '

গোলক বলল, 

' কোন ভদ্রলোকের ছেলে মনে হল কত্তা, চাঁদপনা মুখ - ওষুধের কারবারি। বাদলায় আটকে গেছে। '

হারু মন্ডল বলল, 

' এই রাতে কোথায় যাবে আর, খাবারের ব্যবস্থা কর। '

একই সাথে খেতে বসল হারু মন্ডল ছেলেটার সাথে। খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে কত্তা একটু উন্নাসিক। রুচিমত খাবার না হলে তার চলে না। গরম খিঁচুরি আর নানাবিধ ভাজা সহযোগে রাতের খাওয়া শেষ হল। হারু মন্ডল ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল, 

' বাছার নামটি তো জানা হল না! '

ছেলেটি বলল, 

' আজ্ঞে, আমার নাম পরীক্ষিত নস্কর। '

হারু মন্ডল তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখছিল ছেলেটিকে। এবার বলল, 

' এবার শুতে যাও, সকালে জল খাবার খেয়ে যেও। '

রাত গভীর হতেই পরীক্ষিত বুড়ো বট গাছটার তলে একটু খুঁড়তেই বেরিয়ে এল সেই ছোট্ট বাক্স। সাবধানে ধরে উঠে দাঁড়াতেই বুঝতে পারল পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে। হারু মন্ডলের কন্ঠস্বর শুনতে পেল, 

' যাক, এতদিনের অপেক্ষা সার্থক হল। '

পরীক্ষিত ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকল। 

' কি করে বুঝলে বাক্সটা ওখানেই আছে? '

পরীক্ষিত মাথা নিচু করেই উত্তর দিল। 

' ঠাকুর্দা বলেছিলেন, আপনি আপনার গোপন যা কিছু বটগাছের তলাতেই লুকিয়ে রাখতেন, তাই.... '

হা হা করে হেসে উঠল হারু মন্ডল, ' 'তোকে আমি কাল রাতেই চিনেছি, একদম আমাদের পরীর মুখ বসানো। শোন, কাল সকাল হলেই কাকপক্ষী ওঠার আগেই চলে যাবি। আর যেটা পেলি - সেটা তোর। পরীর খবর কি রে?' 

' ঠাকুর্দাদা তো দু' বছর আগেই মারা গেছেন আর বাবাও গত বছর চলে গেলেন। '

হারু মন্ডল কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, 

' বে' থা করেছিস? '

পরীক্ষিত মাথা নিচু করে বলল,

'আজ্ঞে না। '

পরদিন সকালে হারু মন্ডল যখন ঘুমিয়ে তখন পরীক্ষিত বড় ঠাকুর্দার পা ছুঁয়ে প্রণাম করতেই হারু মন্ডল বলল, 

' জেগেই 

কবিতা || ময়লার সাথে যাদের আবাস || পাভেল রহমান || Moilar sathe jader abas - Pavel Rahaman || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 ময়লার সাথে যাদের আবাস

                  পাভেল রহমান




ময়লার সাথে যাদের আবাস, তাহাদের কেন করো ঘৃণা!

বিবেকের কাছে করো প্রশ্ন ইহা উচিত কিনা।

ময়লার সাথে যাদের আবাস

তাহারাও ছড়াবে সুবাস

পেলে একটি সুযোগ – ইহা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

যারা সংগ্রহ করে বিষ্ঠা,

তাহারাও যদি রাখে নিষ্ঠা

বড় সুকর্ম করিবারে, তবে তাহারাও হবে বড়

-বন্ধু, আমার এই উক্তিটি খন্ডাতে কি পারো?





কবিতা || অদেখা কোনো ঠিকানায় || পাপু মজুমদার || Odekha kono Thikanai || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 অদেখা কোনো ঠিকানায়

            পাপু মজুমদার


অসহায় মূখগুলো

কথা বলতে গিয়ে যেন থমকে গেছে ! 

ঐ দূরে অপ্রাপ্তির গল্প নিয়ে মিছিল জমেছে

গাছেরা অধিকার চাইছে, 

গরীব মানুষগুলো চাইছে ঘাম ঝরাতে

আর কিছু ভরসা পেতে

সবাই যখন

একথা সেকথা বলছে

সময়ের পাখিগুলো

কোথায় যেন স্বেচ্ছায় হারিয়ে গেছে, 

যেখানে স্বপ্ন দেখা পাপ

জীবনের মানেই যেখানে অভিশাপ

সেরকম অদেখা কোনো ঠিকানায়। 

কবিতা || ভাস্কর || গোবিন্দ মোদক || Vaskar - Gobinda modak || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 ভাস্কর 

গোবিন্দ মোদক 



ছেনি হাতুড়ি হাতে 


দাঁড়িয়ে আছেন রামকিঙ্কর,


সামনে দুর্লঙ্ঘ্য পাহাড়,


কঠিন থেকে কঠিনতম চূড়াময় ভাস্কর্য 


তাকিয়ে থাকে তাঁর দিকে,


তাঁর পায়ের কাছে এক টুকরো আগ্নেয় শিলা 


অপেক্ষা করে থাকে 


রূপ থেকে অরূপের প্রতীক্ষায় ....



বাতাস হাঁক দিয়ে ডাকে, বলে —


ওহে রামকিঙ্কর! কতো আর ভাববে! 


রামকিঙ্কর ছেনি হাতে দাঁড়িয়ে থাকেন,


পায়ের কাছে রূপান্তরিত শিলাখণ্ড...


নাক... চোখ... মুখ... বুক... নিতম্ব... 


শিরা-উপশিরা... বিভঙ্গ ...


একসময় ভাস্কর্য কথা বলে ওঠে... 


ঘাড় ফেরায়... উষ্ণতা ছড়ায়...



রামকিঙ্কর হাতুড়ি নামিয়ে 


কপালের ঘাম মোছেন;


আর, একটা প্রিয় রৌদ্র হাত 


তাঁর দিকে তুলে ধরে অভয়মুদ্রা।

কবিতা || ঝড় তুফান || আনন্দ গোপাল গরাই || jhar Tufan - Ananda Gopal gorai || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 ঝড় তুফান

আনন্দ গোপাল গরাই



এমন একটা ঝড় উঠুক

যাতে উড়ে চলে যায় অভয়ার আতঙ্ক

কামদুনির কদর্যতা

মণিপুরের বীভৎসতা

মালদহের লজ্জা! 

এমন একটা তুফান উঠুক

যাতে ধুয়ে চলে যায়

কামুকের কদর্য লালসা

পুরুষের বিকৃত যৌনতা

ক্ষমতার অন্ধ মাদকতা

অত্যাচারির আদিম বর্বরতা! 


সেই ঝড় তুফানের শেষে

মাটির বুকে জেগে থাকবে

ভালোবাসার পলি

সহিষ্ণুতার অঙ্কুর

প্রেম প্রীতি স্নেহ মমতার


একরাশ নির্মল বাতাস! 

কবিতা || যমের হাত ধরে প্রেম || মিঠু বিশ্বাস || Jomer hat dhore prem - Mithu Biswas || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 যমের হাত ধরে প্রেম

           মিঠু বিশ্বাস



ছুটে এসে বসল শব্দ শব্দনা গরম রক্ত

তোর পাশ থেকে এলে পর পুরুষের গন্ধ ।



ফুল ফোটার শব্দে ঘুম ভাঙ্গে

স্মৃতি কি এতই হিংসুটে 

তোর স্বপ্ন দেখে কষ্ট উঠে বুকে ।



ঝড়ে রক্তাক্ত শহর, কান্না বোঝাই করা জাহাজ ভেসে উঠে

জাতীয় পতাকা শুধু ঈশ্বর খুঁজে উড়ে ।



খুলে গেছে ফুটপাত ল্যাম্পপোস্টের নিচে ক্ষুধার্ত যৌনকর্মীর হাট স্বপ্ন দেখে ভারত স্বচ্ছ ভোটার কার্ড। 



শ্মশানের কালো ধোঁয়া অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে

আমার মৃত্যু দেহ কবে থেকে যে পড়ে আছে।



প্রেম যমের হাত ধরে ছুটে আসে স্টেশন

 মানুষ সন্দেহের হাত ধরে পড়ে থাকে রেললাইনে।





কবিতা || তুমি স্থিতধি , তুমি নির্বিকার || অসীম কুমার সমাদ্দার || Tumi sthiodi, tumi nirbikar || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

  তুমি স্থিতধি , তুমি নির্বিকার

                 অসীম কুমার সমাদ্দার



তুমি হেঁটে চলেছো অজানা পথ দিয়ে নীরবিচ্ছিন্নভাবে

সৃষ্টির ঊষাকাল থেকে নৈবেদ্য সাজিয়ে , কখনো বাঁকা পথে বা দুর্গম সমান্তরালে অদৃশ্য শক্তি ভর করে

 কখনো আলিঙ্গন করেছো নিদাঘ প্রকৃতি অকুতভয়ে

তৃষ্ণায় কাতর হলেও মেলেনি শান্তিবারি বহুদিন

 অভিযোগ নৈব নৈব চ ,শুধু যন্ত্রনা বয়ে চলেছো আজও

ডাইন অপবাদ দিল কয়েকজন , নির্দেশ দিয়ে যথোপযুক্ত শাস্তির ।

মাংস খুবলে নিল এক গভীর রাতে , শেষে দেহটাকেও জ্বালায় জনসমক্ষে ।

ঠিক কিছুদিন আগে এই তোমাকেই মেরেছিল পাথরের আঘাতে , উপহার দিল অভুক্ত শকুনকে

সকলেই আমরা ছিলাম নীরব দর্শক , যারা ভোজনে শুধু মত্ত তোমার নগ্ন দেহটাকে ।

  ব্যত্যয় বলতে কিছু অবলা জীব ভয়ে , আতঙ্কে পালিয়ে গেলো , উড়ে গেলো কতগুলো পাখি অদ্ভুত শব্দ করে 

তুমি অগুনতিবার বীরগতি প্রাপ্ত হলে শেষ দেখে ,

পরক্ষনে বেঁচে ওঠার উদগ্র বাসনা জন্মালো ফিনিক্স পাখির চিতা ছুঁয়ে ,

 আসলে এই তুমি হতে কোটি কোটি তুমি হও সবকালে ও সকলের প্রয়োজনে ,

ভালোবাসা আর ভালোলাগা খুলে দিল নিষিদ্ধ জানালা বিসর্জনের ভ্রূকুটি উড়িয়ে তোমার পাদপদ্মে

 ধুয়ে গেলো ধরিত্রীর সব প্রাগৈতিহাসিক জঞ্জাল তোমার স্পর্শে ,

  আবার চোখের পলকে রক্তে ভেসে গেলো তোমার উন্মুক্ত দেহ এই চরাচরে ।

কিন্তু তুমি স্থিতধি , নির্বিকার হয়ে গেয়ে চলেছো জীবনের গান প্রতি মুহূর্তে।



Thursday, August 31, 2023

কবিতা || মন বিবাগী || দীপঙ্কর বেরা || Mon Bibagi - Dipankar bera || Bengali Poem || বাংলা কবিতা

 মন বিবাগী

দীপঙ্কর বেরা


বাতাসে তার উড়নচণ্ডী মেঘ বিকেলের চলাফেরা

বিবাগী হয় ঘর ছাড়া সুখ ফেরারি মন স্বপ্ন ঘেরা।

আছড়ে পড়া ঢেউয়ের তালে চর জেগেছে বুকের মাঝে

রঙ জীবনের এইটুকু পথ খুঁজছে পীরিত সকাল সাঁঝে।

ও পাখি তোর বাসা ফেলে চললি কোথায় দূর সীমানা

আকাশ বড়ো মাটির মোহ করছে কে আর নিষেধ মানা?

খুব কাছে নয় পথ চলা পথ লক্ষ্য পূরণ যাওয়া আসা

বিচিত্র তার রূপ গভীরে আছে যত ভালোবাসা।

আগস্ট সংখ্যা ২০২৩ || August Sonkha 2023 || আগস্ট সংখ্যার সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র

 



সম্পাদকীয়:


চেতনার অপর প্রান্তে যে সুখ আছে, যে দুঃখ আছে তা শুধু মাত্র একজন সাহিত্যিকই অনুভব করতে পারেন।

প্রাণ সখীর সম্ভাষণ কিংবা চাতকের চাহনি এই অনুভবটিও সাহিত্যিকই করতে পারে। প্রাণ চঞ্চল হৃদয়ে দুদন্ড সময় দিন সাহিত্য চর্চাতে। ভালোবাসা নিয়ে গড়ে উঠুক নতুন ভাষার উন্মাদনা। 

সাহিত্য চর্চা করুন। সাহিত্যের পাশে থাকুন। সাহিত্যকে ভালোবাসুন। আপনাদের সকলের প্রিয় পত্রিকা ওয়ার্ল্ড সাহিত্য আড্ডা ব্লগ ম্যাগাজিন এর মধ্যে সমস্ত রস লুকিয়ে আছে। এই রস পেতে হলে গভীর এ যেতে হবে। 
আমাদের পত্রিকা পড়ুন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। পেতে থাকুন সাহিত্য রস।

                                    ধন্যবাদান্তে
    World Sahitya Adda সম্পাদকীয় বিভাগ 

_____________________________________


আগস্ট সংখ্যার সূচিপত্র:

কবিতা - দীপঙ্কর বেরা, অসীম কুমার সমাদ্দার, মিঠু বিশ্বাস, আনন্দ গোপাল গড়াই, গোবিন্দ মোদক, পাপু মজুমদার, পাভেল রহমান।


গল্প- প্রদীপ সেনগুপ্ত, উৎপল মুখার্জি।


প্রবন্ধ - শংকর ব্রহ্ম

________________________________________
বি.দ্র. :- সকল কবি ও লেখক তাদের লেখা এই সংখ্যাতে থাকছে তারা প্রত্যেকে এই হোম পেজে নীচের দিকে যান তারপর 'view web virsion' এ ক্লিক করুন । তারপর ঐ মেন পেজে ডানদিকে সূচিপত্রের লিস্ট পাবেন। সেই লিস্ট নিজের নামে ক্লিক করলেই লেখা গুলো দেখতে পাবেন। সেটাই আপনার লেখার লিংক। এই নিয়ম শুধু মাত্র স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য। যারা কম্পিউটার এ খুলবেন তারা সরাসরি মেন পেজ পাবেন সেখানে সূচিপত্র পাবেন।

Friday, August 25, 2023

ঝিঙে আলু পোস্ত' রান্নার প্রনালী || কি ভাবে রান্না করবেন 'ঝিঙে আলু পোস্ত'? || 'Jhinge Aloo Posto' Cooked by Joyiti Banerjee. || Recipes || Bengali Recipe || রেসিপি || বাঙালি রান্না বান্না


 


ঝিঙে আলু পোস্ত' রান্নার প্রনালী। কি ভাবে রান্না করবেন 'ঝিঙে আলু পোস্ত'। 'Jhinge Aloo Posto' Cooked by Joyiti Banerjee.


বিভাগ - রান্নাটাও শিল্প

কলমে জয়তী বন্দ্যোপাধ্যায় 



উপকরন: ঝিঙে 500 গ্ৰাম, আলু 300 গ্ৰাম, পোস্ত বাটা 2 টেবিল চামচ, সরষে বাটা 1টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা 6টি, লবন, চিনি, হলুদ গুঁড়ো, কালো জিরে, জল পরিমাণ মতো।


প্রনালীঃ ঝিঙে, আলু ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। রান্নার আগে সরষে ও পোস্ত এক সাথে দুটি কাঁচা লঙ্কা দিয়ে বেটে নিন,

কড়াইয়ে সরষের তেল দিয়ে, তেল গরম হয়ে আসলে সামান্য পরিমাণ কালো জিরে ও পরিমাণ মতো কাঁচা লঙ্কা দিয়ে, কেটে রাখা আলু গরম তেলে ছেড়ে দিয়ে হালকা করে ভেজে নিয়ে তারপর টুকরো করা ঝিঙে কড়াইয়ে ছেড়ে দিয়ে ভাজা আলুর সাথে ঝিঙে হালকা করে ভেজে নিন। 

তারপর লবন, হলুদ গুঁড়ো, সরষে ও পোস্ত বাটার সাথে সামান্য জল মিশিয়ে একটি মসলার মিশ্রন তৈরী করে, ঝিঙে ও আলুর মধ্যে মসলার মিশ্রন টি দিয়ে কম আঁচে ভালো করে কষিয়ে নিন।

এরপর এক চা চামচ চিনি ও সামান্য পরিমাণ জল দিতে হবে,জল শুকিয়ে আসলে রান্নাটি নামিয়ে নিন, পরিবারের সকলকে গরম ভাতের সঙ্গে 'ঝিঙে আলু পোস্ত' পরিবেশন করে উপভোগ করুন।


ঝিঙের উপকারীতা : পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ে নিয়মিত ঝিঙে খেলে এবং খাবারও সহজে হজম হয়। ঝিঙে সবজিতে পেপটাইড এনজাইম রক্তের চিনির পরিমাণ কমায় এবং রক্তের ইনসুলিনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী। সর্দি কাশির চিকিৎসায় ঝিঙে খেলে উপকার মেলে। এটি সাইনাসের সমস্যা,বাতের ব্যাথা,গর্থবতী মহিলা ও কিডনির পাথর অপসারণের জন্য উপকারী। এটি ওজন হ্রাস, কোষ্ঠকাঠিন্যর জন্য খুবই উপকারী, তাছাড়া ঝিঙে শরীরকে ডিটক্সিফাই করে।

Tuesday, August 22, 2023

August Current affairs 2023 || 1 to 15 Days || Current affairs 2023 || Current Event 2023 || August Current Event || সাম্প্রতিক ঘটনাবলী 2023


 

1. ৩ বছর মেয়াদের জন্য, 'ব্রিকস চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি উইমেন ভার্টিকাল। এর প্রেসিডেন্ট হিসবে নিযুক্ত হলেন রুবি সিনহা।


2. চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে 'আর্তেমিস' মিশন শুরু করেছে নাসা (NASA - মার্কিন সংস্থা)

3. সম্প্রীতি নাসার এই 'আর্তেমিস- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরো (ISRO - ভারতীয় সংস্থা)

4. পানামায়, ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হলেন ডঃ সুমিত শেঠ।

5. 'বিরসা মুন্ডা হকি স্টেডিয়াম' এ. হকি চন্ডিগড় দলকে ৪-২ ববধানে হারিয়ে, এবছর ১৩ তম হকি ইন্ডিয়া জুনিয়র মেন  ন্যাশানাল চ্যাম্পিয়ন শিপ জিতল হকি মধ্য প্রদেশ দল।

6. ই-কেওয়াইসি'র জন্য ফেস অথেন্টিকেশন ফিচার সহ 'পিএম কিষান' মোবাইল আাপ চালু করলেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কলান মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।


7. আহমেদাবাদ জেলার সানন্দে, 2.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে সেমি কন্ডাক্টর আসেম্বাল ও টেস্ট ফ্যাসিলিটি স্থাপনের জন্য মার্কিন সংস্থা 'মাইক্রন' এর সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করল গুজরাত সরকার।

8. 'লিগ্যাল এইড ডিফেস কাউন্সেলিং সিস্টেম' কমসূচি চালু করল উত্তর প্রদেশ সরকার।

9. কলকাতায়, ইন্টারন্যাশানাল পারফমিং আর্ট ফেস্টিভ্যাল'এ. প্রথম কলা ক্রান্তি জীবনকৃতি সম্মান পেলেন' পদ্মশী, পুরস্কারপাপ্ত বাউল সম্রাট পন্ডিত পূর্ণ দাস বাউল।

10. স্টার্টআপ 20 শিখর সম্মেলন হয়েছে গুরুগ্রাম।



11. ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি 'ইউক্লিড স্পেস টেলিস্কোপ' চালু করল।

12 . জাতীয় চিকিৎসক দিবস ১লা জুলাই পালিত হয়।

13. বিশ্ব ইউএফও দিবস পালিত হয় ২ জুলাই।

14. ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লি হলো গুজরাতের কাকরাপার পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।

15. এবছর গ্লোবাল পিস ইনডেক্স এ ভারতের স্থান ১২৬ তম। 

16. সম্প্রীতি প্রয়াত তাপস দাস সংগীত ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত ছিলেন।

17. আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস পালিত  ৩ রা জুলাই।

18. ভারতের বৃহত্তম প্রাকৃতিক আর্চ আবিষ্কৃত হলো উড়িষ্যায়।

19. সবরমতী নদীতে 'অক্ষর নদী ক্রুজ' চালু করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সহযোগিতা মন্ত্রী অমিত শাহ।

20. উত্তরপ্রদেশ সরকার লখনৌতে বানরদের জন্য বোন তৈরি করতে চলেছে।

21. তুর্কমেন ই স্থানের প্রথম স্মার্ট সিটির নাম আরকাদাগ।

22. সম্প্রতি প্রয়াত বীর দেবীন্দর সিং রাজনীতির ক্ষেত্রে যুক্ত ছিলেন।

23. ভারতের প্রথম প্রেগন্যান্সি চাইল্ড ট্রাকিং এন্ড হেলথ সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম মোবাইল মনিটরিং অ্যাপ চালু করল রাজস্থান সরকার। 

24. জম্মু ও কাশ্মীরের লালচকে বলিদান স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

25. প্রথম ভারতীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে মিশরের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান অর্ডার অফ দা নাইল পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

26. নয়ডায় রামনাথ গোয়েনকা মার্গ এর উদ্বোধন করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

27. ইউএস ইন্ডিয়া স্ট্রাটেজিক অ্যান্ড পার্টনারশিপ ফোরাম এর পরিচালনা পর্ষদে যোগ দিলেন মাস্টার কার্ড এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাইকেল মেইবাচ।

28. ব্রহ্মপুত্র নদের ২২ মিটার নিচে দিয়ে তৈরি হচ্ছে অসমের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল। গোহপুর ও নুমালিগড়কে জুড়বে এই টানেল। মোট দৈর্ঘ্য ৩৩ কিলোমিটার আর মোট খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা।

29. 2022- 23 মরশুমে লিগ ওয়ান এর সেরা বিদেশি ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি।

30. রূপে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ইউপিআই পেমেন্টের সুবিধা চালু করল কানাড়া ব্যাঙ্ক।




31. বিশ্ব টেবিল টেনিস কনটেন্ডার টুর্নামেন্টে মহিলাদের ডাবলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন বাঙালি জুটি সুতির্থা  মুখোপাধ্যায় ও ঐহিকা মুখোপাধ্যায়।

32. যুক্তরাজ্যে বার্মিংহাম সিটি বিশ্ববিদ্যালয় এর তরফ থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি পেলেন বিশিষ্ট ভারতীয় সুরকার গায়ক শংকর মহাদেবন।

33. ডিবিএস ব্যাংক ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হলেন রজত বর্মা।

34. গোল্ডেন ঈগলস উত্তর প্রদেশ দলকে ৩৮ - ২৪ ব্যবধানে হারিয়ে উদ্বোধনী 'প্রিমিয়ার হ্যান্ডবল লীগ' এ চ্যাম্পিয়ন হলো মহারাষ্ট্র আইরন ম্যান।

35. ভিয়েনায় ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্স এর ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্যাটেলাইট শিল্প বিশেষজ্ঞ আরতি হোল্লো মাইনি।

36. অন্য রাজ্য থেকে দেশীয় গুরু কেনার জন্য ফার্ম মালিকদের ৪০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল উত্তর প্রদেশ সরকার।

37. রয়াল বেরুন গল্প ক্লাবে চেক লেডিস ওপেনে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় মহিলাদের ইউরোপীয় টুর খেতাব জিতলেন হরিয়ানার ২২ বছর বয়সী গলফার দীক্ষা ডাগর। ২০২১ সালে লন্ডনে আরামকো টিম সিরিজে বিজয়ী দলের অংশ ছিলেন তিনি।  

38. ইংল্যান্ডের মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের ক্রিকেট কমিটির সদস্য হলেন ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী। 

39. কেরলের মুখ্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেন ভি. ভেনু।

40. পাঞ্জাবের মুখ্য সচিব হিসাবে নিযুক্ত হলেন অনুরাগ বর্মা।

41. গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস।

44. হিন্দুস্থান ইউনিলিভার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রোহিত জাওয়া।

45. হরিয়ানার জিন্দ জেলা থেকে যাত্রা শুরু করবে ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন।

46. যাত্রীদের বিমানবন্দর সম্পর্কিত সুবিধা দিতে বি এল আর পালস নামে অ্যাপ চালু করল বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লিমিটেডের মালিকানাধীন ও পরিচালিত কেম্পেগৌরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেঙ্গালুরু। 

47. ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিযুক্ত হলেন চীনের জু হাও লিয়াং।

48. শিক্ষার প্রচার ও মায়েদের ক্ষমতায়নের জন্য জগনন্না আম্মা ভোদা প্রকল্পের চতুর্থ সংস্করণ চালু করলেন অন্ধপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস জগনমোহন রেড্ডি।

49. দেশের কৃষকদের উন্নতিতে পিএম প্রণাম প্রকল্পের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

50. পাঞ্জাব প্যান্থার্স  কে হারিয়ে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক মহিলা কাবাডি লীগ এর ফাইনাল ম্যাচের চ্যাম্পিয়ন হলো ইউ এম এ কলকাতা।





51. হরিয়ানাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে অমৃতসরের গুরু নানক স্টেডিয়ামে সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জিতল তামিলনাড়ু।

52. CBI এর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হলেন অজয় ভাটনগর।

53. মনোজ কোহলিকে দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করল ডেলয়েট।

54. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের লড়াই করা শেষ জীবিত শিখ সৈনিকদের মধ্যে একজন ১০১ বছর বয়সী রাজেন্দ্র সিং ধট্টকে পয়েন্টস অফ লাইট পুরস্কার দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক।

55. ডিজিটাল যাযাবর কৌশল চালু করল কানাডা সরকার।

56. বিশ্ব পুরুষদের ফুটবল র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করল ফিফা। এই র‍্যাঙ্কিং এ প্রথম স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা। বর্তমানে ভারতের স্থান একশতম । লেবাননকে টপকে গেছে গেছে ভারত।

57. নাগপুর জেলার ইটাবারি রেলওয়ে স্টেশন এর নাম বদল করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামে 'নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ইটাবারি' রাখার সিদ্ধান্ত নিল মহারাষ্ট্র সরকার।

58. যুক্তরাজ্যের উইন্ডসরে আয়োজিত বার্ষিক ইউকে ইন্ডিয়া পুরস্কার ২০২৩ এ বর্ষসেরা গ্লোবাল ইন্ডিয়ান আইকন পুরস্কার পেলেন ক্রীড়া কিংবদন্তি ও মহিলাদের বক্সিংয়ে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক জয়ী মেরি কম।

59. রাজ্যজুড়ে সবুজের আচ্ছাদন বাড়িয়ে তুলতে ১ লা জুলাই থেকে 'এক কল এক গাছ' প্রচার অভিযান চালু করল উত্তরপ্রদেশ সরকার। ৭ ই জুলাই পর্যন্ত এই অভিযান চলেছে। 'নমামি গঙ্গে কর্মসূচি ও গ্রামীণ জল সরবরাহ বিভাগ এর মাধ্যমে পরিচালিত একটি যৌথ প্রচারাভিযান এটি।

60. মিলেট জাতীয় শস্যের প্রচারের জন্য  'Abundance in Millets' নামক গানটি প্রকাশিত হয়। গানটি গেয়েছেন গ্রামী পুরস্কার জয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বাসিন্দা ফাল্গুনী শাহ ও তার স্বামী গৌরব শাহ। এ ছাড়া গানটি লিখতে সাহায্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি।

61. উত্তরপ্রদেশের সাতটি হস্তশিল্প পণ্য জিওগ্রাফিক্যাল ইন্দিকেশন ট্যাগ পেল। এগুলি হল আমরোহা ঢোলক, কালপি হস্ত নির্মিত কাগজ, বাগপতের গৃহসজ্জা পণ্য, বারা বাঙ্কির তাঁতের পণ্য, মাহোবা গৌরা পাথর হস্ত শিল্প, মইনপুরী তারকাশী ও সম্বল হর্ণক্রাফট। 

62. ইয়ান কে ৪২- ৩২ ব্যবধানে হারিয়ে এ বছর এশিয়ান কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতল ভারত।

63. ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসেবে আবার নিযুক্ত হলেন তুষার মেহতা।

64. ছত্রিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হলেন টি.এস. সিং দেও।

65. অনলাইন ভ্রমণ নির্দেশিকা টেস্ট অ্যাটলাস এর তরফ থেকে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ১৫০ টি কিংবদন্তি রেস্তোরাঁর তালিকায় ১১ তম স্থান পেল কেরলের কোঝিকোড়ের ঐতিহাসিক প্যারাগন রেস্তোরাঁ। ১৭তম স্থানে রয়েছে কলকাতা শহরের পার্ক স্ট্রিটের গিটার ক্যাট রেস্তোরাঁ।

66. ভারতীয় ক্রিকেট দলের নতুন জার্সি স্পন্সর করছে Dream 11 গেমিং প্লাটফর্ম।

67. ডায়মন্ড লীগ এ চ্যাম্পিয়ন হলেন টোকিও অলিম্পিকসের সোনার পদক জয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া।

68. মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শফত নিলেন অজিত পাওয়ার।

69. এ বছর মর্যাদাপূর্ণ পেন প্রিন্টার পুরস্কার পেলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি ও লেখক মাইকেল রোজেন।

70. প্রথম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে উইমেন্স ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এ চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইতিহাস গড়লেন স্পিন বোলার শ্রেয়াঙ্কা পাটিল।

80. হায়দ্রাবাদের জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে মহিলাদের ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোক বিভাগের একটি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়লেন অলিম্পিয়ান মান প্যাটেল।

90. জীবনের প্রথম এটিপি টুর শিরোপা জিতলেন ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় ইউকি ভামব্রি।






91. মুম্বা মাস্টারর্স কে হারিয়ে উদ্বোধনী গ্লোবাল চেস লীগে চ্যাম্পিয়ন হলো ত্রিবেণী কন্টিনেন্টাল কিংস।

92. আমিরশাহির বর্তমান প্রেসিডেন্ট শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

93. ১৪ ই জুলাই প্যারিসে বাস্তিল দিবসের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

94. ১৪ই জুলাই চন্দ্রলোকে পাড়ি দিল চন্দ্রযান। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রী হরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে এল ভি এম-৩ রকেটের সাহায্যে চন্দ্রযান ৩ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হলো।

95. ১৫ই জুলাই পঞ্চাশের দশকের প্রবীণ কবি ও হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শুভেন্দু মল্লিক(৮৮) প্রয়াত হলেন।

96. ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডমিনিকায় প্রথম টেস্টে এক ইনিংসে এবং ১৪১ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো ভারত।

97. সম্প্রতি প্রয়াত হলেন প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার প্রভাকর মিশ্র। মৃত্যুদিন ১৫ই জুলাই।

98. ১৮ ই জুলাই বেঙ্গালুরুতে প্রয়াত হলেন কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উমেন চান্ডি।

99. ১৮ ই জুলাই বেঙ্গালুরুতে বিরোধী দলগুলির জোট তৈরি হয়, এর নাম হয় ইন্ডিয়া। এর সম্পূর্ণ নাম ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স।

100. ১৫ ই জুলাই‌ উইম্বলডনে‌ মেয়েদের সিঙ্গেলস খেতাব জিতলেন চেক প্রজাতন্ত্রের ২৪ বছর বয়সি মার্কেতা ভন্দ্রসোভা।





101. ১৬ ই জুলাই ছেলেদের সিঙ্গেলস খেতাব জিতলেন কার্লোস আলকারাজ।

102. 'কুইক হিল টেকনোলজিস এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হলেন বিশাল সালভি। 

103. ভারত কেনিয়া দেশের সঙ্গে 'আন্তর্জাতিক মিলেট উৎসব' কো-হোস্ট করবে।

104. একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের প্রথম মহিলা হিসাবে শপথ নিলেন এনসিপি নেত্রী - অদিতি তাটকরে। 

105. 'কুইক হিল টেকনোলজিস এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হলেন বিশাল সালভি। 

106. ট্রেনের লোকোমেটিভ পাইলটদের সতর্কতা পরীক্ষা করার নতুন উপায় চালু করল আইআইটি খড়গপুর।


107. স্পোর্টস গিয়ার কোম্পানি ‘অ্যাসিক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড'এর প্রচারদূত হিসাবে নিযুক্ত হলেন বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। 


108. নেদারল্যান্ডস দেশ শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট ও স্মার্ট ওয়াচ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল।

109. মঙ্গোলিয়া দেশে হাই স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানের লাইসেন্স পেল ‘স্পেসএক্স' কোম্পানি।

110. এবছর নয়া দিল্লিতে ‘সবুজ হাইড্রোজেন আন্তর্জাতিক সম্মেলন' হয়েছে।


111. নিউ ইয়র্কের একটি মর্যাদাপূর্ণ সংস্থা 'কার্নেগি কর্পোরেশন এর তরফ থেকে প্রকাশিত বার্ষিক ‘গ্রেট ইমিগ্র্যান্টস' তালিকায় এবছর 'বিশ্বব্যাঙ্ক এর প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা (ভারতীয় ব্যক্তিত্ব) স্থান পেলেন। (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ও প্রচেষ্টার জন্য এই স্বীকৃতি পেলেন তিনি)।

112. ভারতে, ‘লয়েডস টেকনোলজি সেন্টার'এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসাবে নিযুক্ত হলেন সিরিশা ভোরুগান্টি। 

113. মানসিক যন্ত্রণায় থাকা মানুষদের জন্য, ভারতের প্রথম চ্যাটবট চালু করল জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

114. জম্মু ও কাশ্মীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের অবসরের নেওয়ার বয়স এখন ৬৫ বছর।

115. এবছর জুলাইয়ে, কেন্দ্রীয় সরকার ট্র্যাকের এন ২ ও এন ৩ বিভাগে এসি ইনস্টলেশন বাধ্যতামূলক করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি অনুমোদন করল।

116. ভারত 'গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ'এর 'চ্যাম্পিয়ন্স গ্রুপ'এ - যোগ দিল ।

117. ১০১ বছর বয়সে মারা গেলেন ভারতের অন্যতম প্রবীণ সেনা মেজর বক্তৃতাওয়ার সিং বার (অবসরপ্রাপ্ত)। তিনি কুমায়ুন রেজিমেন্টে কাজ করেছিলেন।





118. ভারতের হরিয়ানা রাজ্য সরকার অবিবাহিত ব্যক্তি ও বিধবাদের জন্য মাসিক ২,৭৫০ টাকা পেনশন ঘোষণা করেছে ।

119. আরও ১ বছরের জন্য, ন্যাটো সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বহাল থাকছেন জেনস স্টোলেনবার্গ।

120. সম্প্রতি প্রয়াত নাম্বুথিরি (৯৭ বছর) একজন চিত্রশিল্পী ছিলেন।

121. ভারতীয় 'ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং স্ট্যান্ডার্ডস বোর্ড এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসাবে মনোনীত হলেন কৃষাণ মিশ্র।

122. প্রথম ও সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় মহিলা হিসাবে, ‘রাষ্ট্রসঙ্ঘ’এর সদর দফতর নিউ ইয়র্ক সিটিতে ৩ বার ভাষণ দেওয়ার নজির গড়লেন দীপিকা দেশওয়াল।

 123. এবছর 'ব্রিটিশ জাতীয় পুরস্কার এ সেরা পরিচালক'এর পুরস্কার পেলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শেখর কাপুর (তাঁর পরিচালিত 'হোয়াটস লাভ গট টু ডু উইথ ইট' চলচ্চিত্রের জন্য এই পুরস্কার পেলেন তিনি)।

 124. বিশ্ব বিখ্যাত 'শ্রাবণী মেলা'র উদ্বোধন হল দেওঘরে। 


125. আন্ধ্রা প্রদেশের পেদাভেগি’তে অবস্থিত, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ’-‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অয়েল পাম রিসার্চ’এর গবেষণা উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন হিসাবে নিযুক্ত হলেন বি.নীরজা প্রভাকর।

126. গুগল ডুগল 'তানাবাতা’ উৎসব উদযাপন করে। জাপান দেশ এই উৎসব পালন করে।

127. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রগুলি সম্প্রতি ধ্বংস করেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রথম রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

128. প্রথম ভারতীয় হিসাবে, রাশিয়ান এনার্জি জায়ান্ট রোসনেফট এর বোর্ড সদস্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন কে গোবিন্দ কোটিস সতীশ।


129. দেশের প্রথম শহুরে সংস্থা হিসাবে, ‘এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপন্সিবিলিটি' ক্রেডিট পেল মধ্য প্রদেশের ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন' (নিষিদ্ধ একক-ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার জন্য এই ক্রেডিট পেল তারা)।

130. নতুন 'ন্যাশনাল সাইবারসিকিউরিটি কোঅর্ডিনেটর' হিসাবে নিযুক্ত হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম.ইউ.নায়ার।

132. ভারতের প্রথম বৈদিক থিম পার্ক চালু হয়েছে নয়ডাতে।

 133. ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের কারা বিভাগ রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন কারাগারে বন্দী বিদেশি নাগরিকদের জন্য ‘ভিডিও কল' সুবিধা চালু করল । 

134.বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস' পালিত হয় ১১ জুলাই।

 

135. ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’এর প্রথম প্রকাশ্য সমকামী প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিলেন এডগারস রিঙ্কেভিক্স।

136. সম্প্রতি বগিবিলে অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহণ টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এই বগিবিল ভারতের অসম রাজ্যে অবস্থিত।

137. ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ভুটান দেশ থেকে আলু আমদানি করবে ভারত।


138. তেলেঙ্গানার প্রথম বিমাকৃত গ্রাম মুখরা (কে)।

139. ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস সেন্টারস অথরিটি'র চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হলেন কে.রাজারামন।


140. শ্রীনিবাস রেড্ডিকে ভারতের নতুন নীতি প্রধান হিসাবে নিযুক্ত করল 'গুগল'।


141. 'ওপনকাইলিন' নামে নিজেদের তৈরি প্রথম কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চালু করল চিন। 






142. ভারতের ওড়িশা রাজ্য সরকার 'মো জঙ্গল জমি যোজনা' প্রকল্প চালু করল ।

143. মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবার সংক্রমণে মৃত্যু হল ভারতের কেরল রাজ্যে ।

144.ভারতের ওড়িশা রাজ্যের মন্ত্রিসভা সংবিধানের অষ্টম তফশিলে ‘কুই’ ভাষা 5 অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি প্রস্তাব অনুমোদন করল।

145. এবছর ‘লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার' পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

146. সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে আন্তর্জাতিক ক্যাম্পাস খুলতে চলেছে আইআইটি দিল্লি।

147. মিশেল বুলক অস্ট্রেলিয়া দেশের ‘রিজার্ভ ব্যাঙ্ক’এর প্রথম মহিলা গভর্নর হিসাবে নিযুক্ত হলেন।

148. ভারতে প্রথম ৪টি রানওয়ে থাকা বিমানবন্দর হল দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর'। 

149. খাদ্য নিরাপত্তায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল নাইজেরিয়া দেশ। 

150. 'আন্তর্জাতিক ন্যায় দিবস কবে পালিত হয় ১৭ জুলাই। 


151. 2022-23 মরসুমে, লিগ-১’এর সেরা বিদেশি ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন আর্জেন্তাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি।

152. প্রথম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে, ‘উইমেনস ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগ’এ চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইতিহাস গড়লেন শ্রেয়াঙ্কা পাটিল।

153. ‘বিশ্ব টেবল টেনিস কনটেন্ডার টুর্নামেন্ট'এ মহিলাদের ডাবলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন বাঙালি জুটি সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় ও ঐহিকা মুখোপাধ্যায় (জাপানি জুটি মিওয়া হরিমোতো ও মিউয়ি কিহারা জুটিকে ৩- ১ (১১৫, ১১-৬, ৫-১১ ও ১৩-১১) ব্যবধানে হারিয়ে)।






154. ‘কুইন্স টেনিস টুর্নামেন্ট’এ সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন স্প্যানিশ টেনিস তারকা কার্লোস আলকারাজ (অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স ডি.মিনায়ুরকে ৬-৪ ও ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে)।

155. ফর্মুলা ওয়ান রেসিংয়ে আয়রটন সেনার (প্রয়াত ব্রাজিলিয়ান মোটরস্পোর্টস রেসিং ড্রাইভার) ৪১টি জয়ের রেকর্ড ছুঁয়েছেন ম্যাক্স ভারস্তাপেন। 

156. দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম “আন্তর্জাতিক মহিলা কাবাডি লিগ'এর ফাইনাল ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন হল ইউএমএ কলকাতা দল(পঞ্জাব প্যান্থার্স কে হারিয়ে)।

157. যুক্তরাজ্যের উইন্ডসরে আয়োজিত বার্ষিক ইউকে-ইন্ডিয়া পুরস্কার ২০২৩ এ ‘বর্ষসেরা গ্লোবাল ইন্ডিয়ান আইকন পুরস্কার' পেলেন  মেরি কম ৷ 

158. এবছর ‘লুসান ডায়মন্ড লিগ’এ চ্যাম্পিয়ন হলেন নীরজ চোপড়া। 

159. ‘সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ' জিতল  তামিলনাড়ু দল(হরিয়ানাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে)।

160. ভারতীয় ক্রিকেট দলের নতুন জার্সি স্পন্সর হতে চলেছে – ড্রিম ১১ কোম্পানি।

161. হায়দরাবাদে, ‘জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপ'এ মহিলাদের ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক বিভাগে একটি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়লেন অলিম্পিয়ান মানা প্যাটেল (এই বিভাগে ১:০৩.৪৮ সময় করে একটি জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন তিনি)। 


162. উদ্বোধনী ‘গ্লোবাল চেস লিগ'এ চ্যাম্পিয়ন হল ত্রিবেণী কন্টিনেন্টাল কিংস (মুম্বা মাস্টার্স কে হারিয়ে)।


_________________________________________


চাকরি সংক্রান্ত আপডেট পেতে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন




Telegram group-



Whatsapp group-