Sunday, August 1, 2021

স্বপ্না বনিকের একটি গল্প

 স্বার্থপর পৃথিবী


বাবাকে দাহ করে শশ্মান থেকে ফেরার পথে মিতালী ভাবলো এবার সে কি করবে? বাবার পেনসনের টাকা কটাতেই ওদের সংসার চলতো। মিতালীও দুটো বাচ্চাকে পড়াতো। ওর হাতখরচটা উঠে আসতো। একা নিঃসঙ্গ তরুণী মেয়ে বাড়িতে কি করে থাকবে? এবার বাবাও চলে গেল, Family Pension তো আরও কমে যাবে। মিতালী আর ভাবতে পারছেনা।

পাশের বাড়ির কাকিমা-জেঠিমারা ওকে সান্ত্বনা দিচ্ছে। কিন্তু রাত হলেই তো যে যার বাড়ি চলে যাবে। রাত্রিতে কি করে থাকবে মিতালী? দু’চোখ ভরে নেমে আসে অশ্রুর বন‌্যা। সবাই মিলে মিতালীর বাবার শ্রাদ্ধ সমাধা করে দিলো। মিতালীর এক মামা বর্ধমান থাকে। ছোটবেলায় মিতালীকে খুব ভালবাসতো। এই দুঃসময়ে মামার কথা মনে পড়লো, অনেক চেষ্টা করে মামার ফোন নং জোগাড় করে মামাকে ফোন করলো। কিন্তু মামা কোন আগ্রহ দেখাল না। দশ দিনের মাথা মিতালী মামার কাছ থেকে ৫০০ টাকার Money Order অর্ডার পেলো।

অনেক ভেবে মিতালী বর্ধমান যাওয়া ঠিক করলো কিন্তু সেখানে পৌঁছে মিতালী অবাক হয়ে গেল। মামী ওকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিল। মামাতো বোন রিন্ধি ওর বাবাকে বললো— ‘কাজের এই মেয়েটাকে কোথা থেকে আনলে বাবা? ভালোই হয়েছে, মায়ের খাটুনী কিছুটা কমবে।’ মিতালীর বাবা আজ নেই বলে ওকে এখানে আসতে হলো। মামা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললো— ‘ও তো মিনিদির মেয়ে। ওর বাবা মারা গেছে, তাই এখানে থাকতে এসেছে।’ মিতালীর চোখ জলে ঝাপসা হয়ে এলো। মামার বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তার ধারে একটা পাথরের ওপর বসে পড়লো। এখন মিতালী কি করবে? কোথায় যাবে? ও কি আত্মহননের পথ বেছে নেবে? কে দেবে এর উত্তর?




অঞ্জলি দে নন্দীর একটি গল্প

 চেনা এক বৈজ্ঞানিকের বংশ পরিচয়



দু ভাই। দুজনের দুটি বিরাট ব্যবসা। বিশাল এক তিনতলা বাড়ি। বড় ভায়ের বউ খুব ধনীর কন্যা ছিল। খুব ভালো গান গাইতে পারত। এর চার ছেলে। খুব সুন্দর দেখতে। লেখাপড়ায়ও খুব ভালো। বিয়ে পাশ করে বড়টি বাবার ব্যবসায় বসে। পরে বিয়েও হয়। মেজোটি বি. এস. সি. পাস করে সরকারী চাকরী করে। বিয়ে করে বউকে নিয়ে কর্মস্থলে ভাড়া বাড়ীতে বউকে নিয়ে থাকে। বাবার বাড়ি থেকে অনেক দূরে, তাই মাঝে মধ্যে বাবার বাড়ি আসে। সেজোটি মেজোর বাড়ি থেকে এম. এস. সি. পড়তে পড়তে মেজো দাদার সঙ্গে ঝগড়া হয় আর তখন গলায় দড়ি দিয়ে মরে। ছোট ছেলেটি বাবার বাড়ির কাছেই নিজস্ব ব্যবসা করে। বিয়ে করে বাবার বাড়ির কাছেই বউকে নিয়ে আলাদা থাকে। তবে বাবার পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক আছে। ছোট ভায়ের বউ গরীব পরিবারের মেয়ে ছিল। এর এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়েটি নার্ভের রোগী। এবনর্মাল। ছেলেটি আঁকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাস। আর একটি প্রকাশকের অধীনে আঁকার শিল্পী হিসেবে কাজ করে। বাড়িতে থাকে না। কর্মস্থলে বউকে নিয়ে থাকে। বাবার বাড়ি থেকে বহু দূরে। মেয়েটিকে নিয়ে মা ও বাবা খুব দুঃখী। অপ্রকৃতিস্থ তো। এই মহিলার সঙ্গে তার বড় ভাসুরের অবৈধ সম্পর্ক। তাই বড় জা - এর সঙ্গে খুব দুর্ব্যবহার করে। ভাসুরও তো ওরই। বর গো বেচারা। না পারে বড় দাদাকে কিছু বলতে, না পারে নিজের স্ত্রীকে কিছু বলতে। চোখের সামনে স্বামীর সঙ্গে ছোট জা-এর দৈহিক মিলনের দৃশ্য দেখে দেখে দেখে ও পাগলিনী হল। তবে দেওর সহ্য করেও পাগল হয়ে যায় নি। সে ও তো পত্নীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রেখেছে। বৌটি ভাসুর ও পতি দুজনকেই তৃপ্ত করে। বড় জা পাগলিনী হয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করে খায়। রাস্তায়ই শোয়। এদিকে দুশ্চরিত্রা ঠাকুমার এক নাতী হল। বাবা তো নিজের হাতে তাকে আঁকা শেখায়। মা খুব ঠাকুর ভক্ত। শাশুড়ি এতো খারাপ চরিত্রের তবুও কখনও তার মুখে একটিও কুকথা বের হয় না। ছেলেও তার মাকে কিছুই বলে না। আসলে ওরা তো কেউই আর এক সংসারে থাকে না। দূরেই যখন থাকে তখন আর দরকার কি ওসব কথায় থাকার। নাতীটি পড়ালেখাতে খুব ভালো। ফিজিক্সে এম. এস. সি. পাস করে সে রাশিয়ায় গবেষণা করে। পি. এইচ. ডি. করার পর ও বিয়ে করল। এরপর পোষ্ট ডক্টরেট করল। তারপর সায়েন্টিস্ট হল। 

অমিত পালের একটি কবিতা

 আন্দোলন চলুক

                            


তোরা তো মরেই আছিস, সবকিছুর আড়ালে

মৃত মন আর জীবিত শরীর---- ব্যস এটুকু!

এর থেকে ভালো হাঁড়ি কাঠে গলা দেওয়া৷


চুপ করে থাকা মৃত প্রায় নপুংসক----

তোদের মরতে ভয় কীসের?

রাস্তায় নাম৷ পুরাতন বিষ উপড়ে ফেল৷

রক্ত ঝড়ুক তোর,

বুঝবি তোর পিছনের সারিটা অসীম৷


ভেঙে ফেল বেকারত্ব৷ গিলতে দিস না ওদের৷

ঘুমন্ত শিশুরাও জেগে ওঠে----

সেই মত জেগে ওঠ৷ চিৎকার কর৷

শুধু দেখিস আন্দোলন স্তব্ধ না হয়।       

স্বাগতা দাশগুপ্তর একটি কবিতা

 অতীত


অতীত শুধুই অতীত হলে

মধুর স্মৃতি কোথায় পেতিস!

বর্তমানের পানসি চড়ে 

অভিজ্ঞতার বৈঠা ফেলিস!

জীবন স্রোতে বিপদ আপদ 

সাবধানে যে কাটিয়ে চলিস

সে সব সময় অতীত এসে

দেখায় সঠিক পথের হদিস।

অতীত শেখায় চলতে

ক্ষমার আলোয় সকল বিবাদ ভুলতে।

বর্তমানই হয় যে অতীত, একটি পলক পড়লে পরে 

ভবিষ্যৎ দাঁড়ায় হেসে বর্তমানের সাজটি ধরে।

ইউসুফ মোল্লার একটি কবিতা

 স্মৃতি


চুড়ুইপাখি থাকতো চিলেকোঠার ফোকরে।

আজ আর চিলেকোঠার ফোকর নেই,

এসি-র শীতল হাওয়া বেরিয়ে যাওয়ার ভয়ে!

তাই চুড়ুইপাখির কুড়িয়ে আনা খড়কুটো দেখি না,

যেভাবে দেখি না তোমার কেশের বাহার।

গাঁদাফুলের আর বাগান করি না,

তোমার মাথায় গোঁজা হয় না বলে।

 শিশুদের আর ছোটাছুটি কোলাকুলি দেখি না,

বৃষ্টির দিনে মাঠের মাঝে ফুটবল নিয়ে।

সব শিশু বাড়ি ফেরে, পড়ে থাকে শূন্য মাঠ।

কাদাখোঁচা পাখি খাবার খোঁজে;বিফল হয়ে বাড়ি ফেরে,

যেভাবে আমিও খুঁজেছি তোমাকে মাঠে-ঘাটে।

কোথাও দেখি না এসব; হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিকে।

কৌশিক বড়ালের একটি কবিতা

 বেঁচে থাকা



আমরা যা কিছু ভেবেছি এতোদিন,

সবকিছু ছিল মিথ্যা।


এতো এতো এতো

চাহিদা...


টিভি - ফ্রিজ - ফ্ল্যাটবাড়ি

KFC - Maggi - Pizza


শপিংমল - বডিস্প্রে

জিন্স - লেহেঙ্গা - কুর্তা।


সাধারণ

'অন্ন - বস্ত্র - বাসস্থান - চিকিৎসা'।

এইটুকুই আসলে সত্যি।

বাকি সব কিছু মিথ্যা।

ইমরান শাহ্র একটি কবিতা

 নামান্তর



কোথায় যাচ্ছি কে ডাকে বেহাগের

করুণ সুর ধরে

কোথায় গেলে এতটুকু প্রশান্তি মিলবে

দীর্ঘতর; বলতে পারো?


বিচ্ছিন্ন এটেল মাটির পথ ধরে

হাটছি তো হাটছিই 

মিলবে না কি ইহকালে এতটুকু 

প্রতিসাম্য জীবনের বিন্যাস?


না-কি আমি ভুল, আউল-বাউল

ভুল চর্যাপদের করি–

বিশ্লেষণ; অথবা বেহাগে শুনি অভিন্ন

পাখির নীলাম্বর কন্ঠধ্বনি?


যেতে চাই, দেখতে চাই সেই

সুরে অন্যকেউ নাকি

স্বয়ং লুক্রেতিউস বলেই ডাকছে কেউ

এই আমার আমিকে?

সর্বাণী ঘড়াই এর একটি কবিতা

বেঁচে থাক আয়ু


 যতই বিষণ্ণতা মহামারি তিল তিল করে মেরে ফেলতে চায় 

 ততই সবুজ গাছ ফুল ফলের আন্দোলন আর প্রকৃতির স্পর্শে মনে হয় বেঁচে আছি

নিলাকাশে যখন সাদা মেঘ ভেসে যায়

 নিস্তব্ধ বুকের ভেতর টা

 দমবন্ধ গুমোট হাওয়া থেকে

 বেরিয়ে ছুটে যায় অনন্ত বাতাসে 

মনে হয় বেঁচে আছি 

যখন দুর সীমা রেখায় মিশে যায় সাগরের ঢেউ 

উথাল পাথাল ঢেউয়ের ছন্দ বাজে বুকের ভেতর 

তখন মনে হয় বেঁচে আছি

হে ধরিত্রী মা তোর এই প্রকৃতির মাঝে ফিরিয়ে আন প্রাণের ছন্দ 

প্রাণ ভরে শ্বাস নিক আরো কয়েকটা প্রজন্ম।

মানসী ঘোষের একটি কবিতা

 নবীনবরণ


ওরে নারী তুই উঠে দাঁড়া

এই নির্মম নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়া।

বদলাবে না কেউ ,তোর সীতা রূপে 

বরং জ্বলতে হবে তোকে অগ্নিপরীক্ষার তাপে ।

হয়ে ওঠ দূর্গা ,কর অসুর নিধন ত্রিশূল হাতে ।

স্মরণ করা তোর রূদ্রচন্ডী রূপ তাদের

তুই যে অবলা এই ভ্রম হয়েছে যাদের ।

ভেঙে ফেল সব কুসংস্কারের বাঁধন

তোর স্বাধীনতার হোক নবীনবরণ।

শ্রাবণী মুখার্জীর একটি কবিতা

  শুধু তোমার অপেক্ষা



আসিলো রবি তপন লইয়া , ওই ঝুলিতে সোনা ,

পবিত্র হইল দেহ মন ছুঁয়ে , ধরণী র ধুলিকণা। 

সে তো কোনোদিন দেখে নাই চেয়ে ধনী গরিবের তফাৎ ,

কঞ্চির দৌড় দেখি সারাক্ষণ কতো রকম অজুহাত ।

আঁটছে শিকল যতো কৌশল সারাদিন মনে মনে ,

কি করে দূষণ পায় উপহার ,ভারতরত্ন ভূষণে ।

পথে ঘাটে চলে অবিরাম শুধু তিক্ততা ঝুড়ি ঝুড়ি ,

নোংরা কালো ভাষার পাথর আর কাদা ছোড়াছুড়ি ।

কী ভীষণ দামী অন্যের গায়ে ,দূষণ ছিটিয়ে সুখ ,

আঁধারি খেলা জমে বরাবর, কিরণে লুকায় মুখ ।

খেলতে তোমরা ভালোই জানো ক্রিকেট বা পা বল ,

জনসাধারণ উইকেট আজ জীবন জীবিকা বল। 

সারা মাঠে ঘুরে পায়ে পায়ে ছোটে হাত বদলের খেলা ,

সাদাবাদে লাল হলুদ নীলের নানা রঙের মেলা ।

শুধু তুমি তে আটকে গেছে কতো নিরীহ প্রাণ ,

তুমি আমি বিনা ধরণী মাঝে নাই কোনো পরিত্রাণ ।

বুনেই চলেছি মায়জাল শুধু তোমারই ,সারাজীবন  

হাজার স্বপ্ন বেনামী এখন ছিন্নভিন্ন মন । 

লুকিয়ে পড়েছে রবির বিবেক , গরম করা আদর ,

তোমার উষ্ণতা গায়ে মেখে ,শান্তি সুখের আতর ।

ছিঁড়ছে শিরা উপশিরা ..নিকোটিনের পাহাড় ,

  নতুন করে তৈরী বজ্র ঋষি দধীচির হাড় ।

ইলা চক্রবর্তীর একটি কবিতা

 তোমার খোঁজে     


আকাশ জোড়া স্বপ্ন আমার,

পুঞ্জিভূত মেঘ যেন আজ।

মিষ্টি হাওয়ায় উড়ে গিয়ে লাগায় মনে দোল,


তার তরে যে গান বেঁধেছি,

মনে আমার তুলছে যে হিল্লোল।


শ্বেত বলাকা মেঘ বালিকা দাওনা গিয়ে খবর তাকে,

  ওই সুদূরে তেপান্তরে সখা আমার যে জন থাকে।


সত্যিকারের ভালোবাসা ' ক ' জনই বা পায়,,,

মিথ্যে করে ভালোবাসা সহ্য করা দায়,,,,


আগুন আগুন ফাগুন দেখো হচ্ছে শুধু ছাই,

মুঠো করে বুকের মাঝে কুড়িয়ে নিলাম তাই।


আকাশ কুসুম ভাবনা গুলো পোকার মত কাটে,

চির সবুজ মনটা আমার নির্বাক শুধু থাকে।


তাইতো বলি ওগো পাহাড় তুমিও সাথী হও,

তারে গিয়ে একবারটি আমার কথা কও।

সুব্রত মিত্রের একটি কবিতা

 বিকারগ্রস্থ নীরবতা


আমি তো একটা আস্ত বলদের মত দাঁড়িয়ে আছি মাঝরাস্তায়

ও হ্যাঁ তো....! ভুলেই গেছি ।

সে তো এখন মস্ত বড় অফিসার

সে কি থাকবে আমার অপেক্ষায়?

তিনটি দশকের মাঝামাঝি এসেও তাকে--

ভোলা গেল না কেন, এ প্রশ্ন ফেলছে বড় বিরম্বনায়। 


সে এখন অনেক দূর।

এক কালবৈশাখী ঝড়ে তার সাথে দেখা হয়েছিল,

দেখেছিলাম ঘূর্ণিঝড়ে লৌহ শিকল ভাঙ্গা হাওয়ায় তালগাছের মাথাগুলো ঘুরছে

দূরে গরু ছাগলের দল ছুটছে।

কিছু পাখি নীড় হারা আমার আর তার মত।

স্তব্ধ হৃদয় দুলছে মর্ম বেদনায়

স্মৃতির স্রোত মনের মাঝে বলছে কথা। 


"আজ তুমি বহু দূরে আছো উজ্জ্বল সূর্যের মত

তোমাকে নিয়ে যত ভাবি মূর্খ হই তত,

আমি কবি হয়ে জন্ম নিইনি;

তোমাকে ভালোবেসে ছিলাম বলেই আমাকে সবাই কবি বলে হয়ত।

বিগত দশক জুড়ে তোমার বিছানা পাতা এ বুকে

শতকের ওপ্রান্তে গিয়েও আমি বিনা জানি তুমি থাকবে সুখে"। 


মনে রেখ পৃথিবী, পারো যদি করিও মোরে স্মরণ

তাহার লাগি কবি হয়েছিল এক যুবক, কবি হয়েছিল এক যৌবন।


মুহা আকমাল হোসেনের একটি কবিতা

 লকডাউন পরবর্তী 



মরচে পড়া কারখানার তালা!

 না স্ত্রী করা দারোয়ানী পোশাক 

ঝুলছে দেওয়ালের প্রেরেকে

 দু-নলা বন্দুকের ফিতের জড়ুল গর্দানে স্মৃতিচিহ্ন… 

ঘর বলতে - ঘিঞ্জি বস্তিতে কয়েক ফুট 

একটা নুনিয়া ধরা নেটের জানালা

 ঘর কাছাড়ে একটা এদো পাট্ট পুকুর- তিনটে পাতিহাঁস- এক নাছড় কালো কচুবন 

যাতায়াতের সঙ্গী সাইকেল

 লিক সারাতে না পেরে লক্কড় শরীর; 

বার্ধক্যের অবসর চেয়ে বসে।

 সূর্য উঠলো -ডুবল

 পাখিরা ব্যকরণ মেনে খাদ্য খোঁজে এলো 

তুমি ওই ভাবে তাকাচ্ছ কেন? আমার মুখের দিকে সভ্যতার প্রতিবন্ধী সময় ক্রাচের ওপর ভর করে পার হয় রাজপথ

 তালা খুলবে। তেল মেরেছে গতকাল গোপন পৌরুষ কোষে

মাইনে শূণ্য উপস দিনের আয়োজন! 

এমন করে তাকাচ্ছ কেন, আমার মুখের দিকে।