Sunday, August 8, 2021

কবি শ্যামল রায় -এর একটি কবিতা

 ভালোবাসা ঘূর্ণায়মান হয়না



বেঁচে থাকা আর মৃত্যু সংযুক্ত করতে করতে হেঁটে যাচ্ছি

কখনো রোদ্দুরের ভেতরে বা কখনো বৃষ্টির ভেতর

এইভাবে এলোমেলো হয় মন

তবুও পড়ার টেবিলে তোমার চোখ

আমাকে ভিজিয়ে দেয় উষ্ণতা দেয়

এইসব কথাগুলো লাট্টুর মত ঘুরপাক খেলেও

আনন্দ এলে ভালো লাগে, আবার যন্ত্রণার মধ্যে

মৃত্যুটার রকমভেদ উঁকি মেরে যায়

এখানেই জীবনের উতাল পাতাল।

জীবন তো শরীরের এক-একটা কোষ

এক-একটা সুতোর মতো জীবনযাপন

পরিক্রমা হয়, ভালোবাসাবাসিতে।

জীবনের নানান কথা অক্ষরে অক্ষরে পরিধি গড়ে

সম্পূর্ণ হয়, নিটোল একটা জগতের কথা।

নিঃশ্বাস ফেলি, আলোকিত কথার শব্দে শব্দে

তুমি অন্য পথে হাঁটলে, হোঁচট খেতেই হবে

গোপন থাকে না কোন কিছু, আমার ভাবনাগুলো

তোমার কাছে স্পষ্ট হলেও আমি বুঝি

তুমিতো নতুন তুমি, হারানোর যন্ত্রণা থেকে

তুমি পুষ্পে পর্নে পূর্ণ থেকে যেও

আমি ঘুমাতে পারবো সারাটি রাত।




কবি জয়তী দেওঘরিয়া -এর একটি কবিতা

 টুকু ভাইবে দ্যাখো 


হ্যাঁ গো বাবু,তুমরা শহর থাইক্যে আইসছ?

কীসের লাইগ্যে?কী নাই তুমাদের ঐ শহরে?

সিখানে বিজলি বাতির ঝলকানি আছে,

রকম রকম বাড়ি আছে,গাড়ি আছে,

রকমারি খাবার আছে, লতুন লতুন পিরহান আছে,

খেলা আছে, মেলা আছে

তবে কীসের লাইগ্যে আইস বারে বারে?

ও..হ..ও বুঝেছি, তুমাদের উঠেনে 

সবুজ মাঠ নাই, বন নাই,

উঁচা উঁচা টিল্ হা নাই,কুয়াশ ঢাকা 

খাড়া পাহাড় নাই!

ঝর্ণার ঝর-ঝরানি নাই    

বনে -বাদাড়ে পাইখ-পাখালির 

কিচির-মিচির শব্দ নাই।

ছাড়া গোরু নাই,মোইষ নাই

বাঘ-ভালুক-হাতি নাই।

আর থাইকবেকেই বা কী করে বল?

তুমরা কী আর সেই অবস্থা রাইখেছ? 

তুমরা হইলে শহরের বাবু লক,সইভ্য মানুষ!

গাছ কাইট্যে,গাড়্ হা ভাতাঞ্ বাসা বনাও

একেবারে ঝকঝইকা-চকচইকা।

কালো ধুঁয়ার বিষে লীল আকাটকে দাও ঢাইকে।

আর শ্যাষকালে টুকচা ফেরেশ হাওয়া খাইতে। 

আনখাই ভীড় কইরছ হামদের দ্যাশে।

আর হামদের লেল্ হা ভাইবে  

কতকিছু যে লিলে কাড়্ হে

তা বুইঝবে ক্যামনে? 

তবে সত্যই হামরা লেলহাই বঠি ,

পহিল পহিল নাই বুঝি বাপ।

শুনলি হামদের পাহাড়ে ন'কি

ফ্যাক্টিরি হবেক।

বিদেশি বাবুরা কী এক'ট বনাবেক।

যে'ট পৃথিবীর মইধ্যে সেরা হবেক।

যেমনি বলা অমনি কাজ

হামরাও ফূর্তিয়ে লাইচতে লাগলি।

তা'বাদে যখন দেখলি একে একে

হামদের শাল গেল,পিয়াল গেল

মহুল গেল

তখন সইত্য বলছি মাইরি----

বুকের ভিতরট মোচড় দিতে লাইগ্ ল 

কাখে কী বইলব,কে শুনবেক

হামদের কথা!

'বুক ফাটে তাও মুখ ফুটে নাই।'

বাবুরা বইলতে লাইগল----

দ্যাখ্ ন ক্যামন পাল্টাঞ্ দিব ইঠিনট

রাইত'ট লাইগবেক যেমন দিন 

শ্যাষে ত'রাই চিনতে লারবি।

ত হঁ বাবু, হামরা সত্যই

  অনেক কুছু চিনতে লারছি।

সেই লিরিবিলি জুছনার রাইত নাই

জুছনা রাইতে মিঞা-মরদের সুহাগমাখা পিরিত নাই।

চাইরদিক এমন সাজন সাজাঞ্ দিল

যে হামদের শখ-আহ্লাদটুকুও 

কাইড়্ হে লিলেক শহরের বাবুরা।

এখনও কান পাতলেই শুইনতে পাই---

টুরগার কান্দ্ না,বামনীর কান্দ্ না।

বুকের উপর হাতুড়ির ঘা,গাঁইতের ঘা।

ঘায়ে ঘায়ে হঁয়ে গেইলছে 

গ'টা এক'ট দগদইগা ঘা।

এই ঘায়ের কন্ হ মহলম নাই!

সত্য কইরে বল'ন বাবু----

হামদের ই দ্যাশ'ট যে পাল্টাল 

ত তাথে হামদের কী লাভ হইল?

হামরা ত এখনও সেই তুমাদের 

আইঠ পাত উঠাই শুধু দু'টা

ভাতের লাইগ্যে।

কত বাবু-বিবি গাড়ি কইরে আসে,

খিচিক খিচিক ফটক তুল্ হে,পলাশ গুঁজে

আর ধুলা উড়াঞ্ চইলে যায়। 

একবার ভাইলেও দ্যাখে নাই হামদের দিকে!

এক'ট ন'য়াও জুটে নাই হামদের কপালে। 

তবে কীসের পরিবর্তন?কীসের সভ্যতা?

সবাই ত দেখছি লুঠেরার দল

হামদের বুক চিরে সব রস নিঙাড়্যে নিয়ে

গুছাছে নিজেদের আখের। 

টুকু ভাইব্যে দ্যাখন বাবু-------

কথাগিলান কি হামি মিছা বললি?

কবি মায়া বিদের -এর একটি কবিতা

 দুঃখকে কর জয়



দুঃখ আমার এতই আপন

         আমি দুঃখকে ভালবাসি।

দুঃখের নৌকায় করি ভ্রমণ

           সুখের নেশায় ভাসি।


নদীর বুকে জোয়ার - ভাটার

        চলছে খেলা অবিরাম।

সুখ-দুঃখের গাড়ির ছোটার

         নেই কোন বিরাম।


রাশি রাশি দুঃখের মাঝে

    আসে তাৎক্ষণিক সুখ।

শত দুঃখ গ্লানি ও বোঝে

          দুঃখী জনের মুখ।


সুখের নেশা বড়ো নেশা

      খুঁজতে হলে পরে।

দুঃখের উপর রেখে আশা 

         চলবে মনের জোরে।

কবি চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী -এর একটি কবিতা

 পায়রা,টঙ ফিরে না


পূর্ণতা মাপতে গিয়ে গভীর, এক শূন্যতা

বুকে চাপা- দীর্ঘশ্বাস নিয়ে হাঁটছে পথ ,

ঠিক যেন পঙ্গপালের করাল গ্রাসে সবুজপাতার আর্তনাদ ।

বাড়ি? সেতো বটবৃক্ষের ছায়ার মতো স্নিগ্ধ আঁচল

মাঝে মাঝে দুটি পায়রার ক্ষণিক ঝগড়া

বিরতিতে অবিরত,ডানা থেকে ঝরে পড়া

শীতের রোদের মতো মিঠে জোছনা পরাগ ।

অথবা পুঁইয়ের সবুজ ছুঁয়ে দুটি চুড়ুইয়ের ঘুনসুটিপনা

চোখে সম্পৃক্ত হারিয়ে যাবার হরিৎ-নেশা।

বেশ ছিল সাতফুলে সাজি ভরা প্রজাপতি দুপুর

অভাবি কলসির কানা উপচে প্রীতি ঋদ্ধ সংলাপ

হৃদয়ে হৃদয়ের অনুভবে লেখা কিছু জীবন্ত কবিতা ।

মাটিতে পা রেখে কুড়ানো যায় চাঁদের বিমোহিত সুঘ্রাণ

আকাশে দাঁড়িয়ে কখনো কি পান করা যায় হরিৎ-মদের গ্লাস?

যে উঁচুতে উঠতে গিয়ে মাটিকে ছুঁতে পারে না আঙুল

তার হৃদয় স্পন্দনে বাজে কি বল প্রেমের সুর?

বড়,মস্ত বড় হতে গিয়ে উঠোন ছোটো ছোটো

ঝাঁটার বাড়ি খাওয়া পায়রা ভুলেও,টঙ

ফিরে না ফিরে না হায় কক্ষনো ।

কবি সত্যেন্দ্রনাথ পাইন এর একটি কবিতা

 মধ্যবিত্ত


অভিশাপে নাকি গরীব জন্মায়

            আর

    আশীর্বাদে জন্মায় ধনী

মধ্যবিত্ত কেমনে জন্মায় জানো নাকি কেউ

    সব ব্যাপারে সবখানেই যে ঋণী! 


গরীবের আছে সরকার পাশে

    আছে কিছু অন্নদাতা

ধনীর আছে অঢেল অর্থ, খাদ্য উদ্বৃত্ত

  আমলা আইন বিধাতা। 


গরীবের নাকি শিক্ষা কম তাই

       মানের বালাই নেই। 

হাত পেতে নেয় ত্রাণসামগ্রী

       বাঁচার আশাতেই। 

ধনীর আছে প্রাণভ্রমরা যুগ হতে যুগান্তরে

      মধ্যবিত্তরা বুকে চেপে রেখে

          সদাই কেঁদে মরে। 


ও হোলো গরীব, তিনি হলেন ধনী

      রইলে পড়ে তু -- মি----

বাড়িতে বসে বাজাও বেহালা

       দুঃখটারে চুমি। 

তোমার জন্যে আছে নিস্তব্ধ আকাশ

 আর কিছু মিথ্যে আশ্বাস

তাই প্রাণপনে ডাকো পরমেশ্বরে

       যদি থাকে বিশ্বাস।। 


ঘরখানা ছেড়ে, যাবে কোথা কাজে

 বন্ধ সবই ' লকডাউনে'

বরং উদাস চোখে স্ত্রীর পানে চেয়ে

       কাঁদো-- কাঁদো প্রাণপনে। 


      তুমি না মধ্য বিত্ত

     কোথায় তোমার স্থান? 

তারচেয়ে, উচ্ছিষ্ট অন্ন তুলে নাও মুখে

           ওটাই তোমার প্রাণ।। 


     ওরে মধ্যবিত্ত !

     কেন করিস চিন্তা তবে

রাত পোহালেই তো সূর্য উঠবে ভবে। 

নাইবা কেউ ডাকলো তোকে

   মনের একতারাটা বাজা

অপূর্ব এক প্রসন্নতা পাবি

 তুই হবি রাজার রাজা।। 



কবি তীর্থঙ্কর সুমিত -এর দুটি কবিতা

 শহর সাজ


কয়েকটা হাত এগিয়ে যাচ্ছে

কয়েকটা মুখ বদলে যাচ্ছে ক্রমশ

সভ্যতার চাদরে আজ

শুধুই ছবি আঁকা

নিজের মত নিজেরাই সাজিয়ে নিই

নামতার সংখ্যা

বিপুল পরিবর্তন


চোখের ভিতর চোখ লুকিয়ে

শহর সেজেছে জলসা ।                

________________________________________


জীবন কথা


কয়েকটা কথা ___

বদলে যাচ্ছে

ক্রমশ পাল্টে যাচ্ছে মুখ,হাত

ঠোঁটের বিবর্তন সময়ের সাথে সাথে

হয়তো এটাই

ফিরে আসা রাস্তায়

এক একটা পথ দাঁড়িয়ে

চিনতে চিনতে

নদী কথায় লিখে রাখা আছে

আমার প্রবাহিনী স্রোতের কথা


বদলে গেলেই জীবন বাঁচে।

কবি চিত্তরঞ্জন সাহা -এর একটি কবিতা

 ভুতের ছড়া


তেতুল গাছে রাত দুপুরে

ঝগড়া করে কারা?

লম্বা বেটে সাদা কালো

মামদো ভুত যারা।


ক্ষিধের জ্বালায় সবাই কাঁদে

নেইতো খাবার ঘরে,

গোল বেঁধেছে তাইতো তাদের

সারাটা রাত ধরে।


কাঁদতে থাকে হাসতে থাকে

নাচতে থাকে গাছে,

সবাই জানে তেতুল গাছে

হাজারো ভুত অাছে।


তেতুল গাছের পথটা ধরে

হাটলে পরে কেউ,

ভুতরা তখন মহা সুখে

লাগায় পিছে ফেউ।


মানুষ তখন জ্ঞান হারিয়ে

মাটিতে যায় পরে,

রক্ত চুষে ভুতেরা খায়

কোলের উপর ধরে।


ভয়ে ভয়ে ঐ পথে আর

কেউ যায় না ভুলে,

ভুতগুলো সব হাত পা বেঁধে

অমনি নেবে তুলে। 

কবি মধুপর্ণা বসু -এর একটি কবিতা

 অচেনা আষাঢ় সন্ধ্যা



তখন তারা সবে একুশ পথে,

চলেছিল একা খোয়াই তীরে

হঠাৎ এলো ঝড় বৃষ্টির পাড়ে

প্রান্তিক এক মেঘ বিকেল সাথে।


নিঝুম চারিদিক আঁধার ঘিরে

ধুলো ওড়া মাঠে একা দুজন

ঝড় বাদল মিলিয়ে ছিল মন

চিনে নেবার সময় এলো পরে।


তখন খোয়াই ভীষণ ইশারায়

বৃষ্টি ভেজা গন্ধে মাতাল মন

নদীর বুকে কাটলো কিছুক্ষণ

খোয়াই তখন বৃষ্টি সুরে গায়।


কালো মেঘে অচেনা মন চায়

জলের ছাঁটে হাপুস ভেজে চোখ

অদম্য এক প্রশ্রয় আজ হোক

শ্রাবণ সন্ধ্যা কিকরে মিথ্যে হয়। 


আকাশ জুড়ে মনের ধারা জল

চোখের ভাষা মনেতে বিস্ময়

শব্দহীন কথা যে বলা দায়

কিছু কথা আলাপেই প্রাঞ্জল।


বৃষ্টি মেখে আবার ফিরে চাওয়া

স্মৃতির পাতায় কিছু পিছুটান

হঠাৎ কেন বুকেতে আনচান 

আষাঢ় সন্ধ্যা নতুন করে পাওয়া।

কবি বদ্রীনাথ পাল -এর দুটি ছড়া

 বৃষ্টি যখন আসে


আষাঢ় শ্রাবণ মাসে-

বৃষ্টি যখন আসে-

ট ই টম্বুর চারদিকে জল

পথ ঘাট সব ভাসে !


পুকুর ডোবার পাড়ে-

ব্যাঙগুলো ডাক ছাড়ে-

সূয্যি ঠাকুর মুখটি লুকায়

কালো মেঘের আড়ে !


উথাল পাথাল সুরে-

নদী দু'কূল জুড়ে-

নেচে নেচে এগিয়ে চলে

মিলতে সমুদ্দুরে !


জল থৈ থৈ মাঠে-

চাষীর বেলা কাটে-

পানকৌড়ি ডুব দিয়ে যায়

পদ্ম দিঘির ঘাটে।

-----------------------------------------------------------------


ভোল বদল


বাঘ বললো " শোন্ বাঘিনী

এই করেছি পণ-

বয়স হল আনেক এবার

ধর্মে দেব মন।


দ্বেষ হিংসা রক্তারক্তি

করবো নাকো আর-

নামাবলী গায়ে সবার

করবো উপকার।


এতোদিন যা পাপ ক‍রেছি

মুক্তি পেতে তাই-

হিমালয়ে তপস্যাতে

চলেই আমি যাই''।


এই না বলে বাঘিনীটার

রেখেই মাথায় হাত-

বাঘ চললো হিমালয়ে

তখন অনেক রাত।

কবি তৈমুর খান -এর দুটি কবিতা

মা



 সারারাত সেলাই করছে কাঁথা


 টুকরো-টুকরো ছেঁড়ামেঘ জুড়ে


 একটি আকাশ শুধু মমতার সুতো দিয়ে গাঁথা


 আমাদের আকাশটুকু  জ্যোৎস্না ভরে থাক


 নক্ষত্রফুল ফোটাক  আমাদের সর্বংসহা মা ।


_______________________________________________________



নিজেকে দেখেছি এবার




অসুখ থেকে উঠে দাঁড়াচ্ছি

দ্রুত মোটরগুলি চলে যাচ্ছে

পতাকা নেই আমার

হে মানুষ, পতাকা নেই !


ঘৃণার জলে ভিজতে ভিজতে

একটাও চালা নেই

সাইকেল নির্ভর জীবন

খণ্ডেৎ ত বিহীন বলে

উৎসব এল না আর

দূরের নকশা দেখে দেখে

কত পদ্ম ফুটল

চৈতন্য জাগল কলরবে

হাওয়ায় উড়ল সিংহাসন



একটা ভ্রমরের পেছনে পেছনে মধু সংগ্রহের উড়ান শুধু

আর কিছু নয়


চতুর্থ সংখ্যার সম্পাদকীয়


 

একটা সাপ্তাহিক ব্লগ ম্যাগাজিন ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত করা এবং সম্পাদনা করার কাজটি যে কতটা পরিশ্রম ও সময়সাপেক্ষ হয় তা যারা করেন তারাই জানেন। তবে এই সম্পাদনা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। নতুন নতুন লেখা নির্বাচন, বড় বড় সাহিত্যিকের লেখা পর্যালোচনা এবং অনেক নতুন লেখক কে সুযোগ দিয়ে তাঁদের উৎসাহ দানের কাজটি একটি মহৎ কাজ। আমি জানি অনেকেই আমার পাশে আছেন, আবার অনেকেই পাশে থাকবেন চিরকাল। তাই সকলের জন্য ভালোবাসা ও প্রণাম রইল। পাশে থাকুন। লিখতে থাকুন World sahitya adda ম্যাগাজিনে। এগিয়ে চলুক আমাদের সকলের যাত্রা।


                                 

                ‌‌                         ধন্যবাদান্তে

                         World sahitya adda Team

 __________________________________________________


**বিজ্ঞাপন (Advertisement)

১)

রামপ্রসাদ সরকারের প্রকাশিতব্য নতুন বই আসছে



___________________________________________________


২)

কবি অম্লান লাহিড়ীর প্রকাশিত একটি কবিতার বই

বইটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন নীচে দেওয়া নম্বরে



__________________________________________________





Saturday, August 7, 2021

চতুর্থ সংখ্যার সূচিপত্র(৬০জন)

 সম্পূর্ণ সূচিপত্র


বাংলা কবিতা ও ছড়া---

তৈমুর খান, বদ্রীনাথ পাল, মধুপর্ণা বসু, চিত্তরঞ্জন সাহা, তীর্থঙ্কর সুমিত, সত্যেন্দ্রনাথ পাইন, চিরঞ্জিত ভান্ডারী, মায়া বিদ, জয়তী দেওঘরিয়া, শ্যামল রায়, সুস্মেলী দত্ত, জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, মীনা সাহা, পান্থ দাস, সুব্রত মিত্র, ইলা চক্রবর্তী, শ্রাবণী মুখার্জী, মানসী ঘোষ, সর্বাণী ঘড়াই,  ইউসুফ মোল্লা, স্বাগতা দাশগুপ্ত, অমিত পাল, সুনন্দ মন্ডল, আবদুস সালাম, সুমিতা ঘোষ , আশীষ কুমার কুন্ডু, আসাদ আলী, রোহন মন্ডল, রাজেন্দ্র কুমার মন্ডল, মিঠুন রায়,  মিলি দাস, প্রণব দাস, সৌরদীপ দত্ত, রফিকুল রবি, রানা জামান, সুজিত রেজ, 



বাংলা গল্প--

ইন্দ্রনীল সাধুখাঁ, স্বপ্না বনিক,  বরুণ বিশ্বাস



বাংলা গদ্য--

সুমন সাহা।



বাংলা প্রবন্ধ---

রামপ্রসাদ সরকার, চাঁদ রায়, দেবলীনা অধিকারী, 



বাংলা উপন্যাস---

অভিজৎ চৌধুরী, সুদীপ ঘোষাল।



গীতি কবিতা---

বদরুদ্দোজা শেখু।


ইংরেজি কবিতা---

Soumendra  Dutta Bhowmick. 



Photography----

 Shilpa dey, pantha das, Somnath Ghosh, Arpan Chowdhury